সরিষাবাড়ীতে মৃত গ্রাহকদের পরিবারের পাশে বেস্ট ইসলামী লাইফ, চেক হস্তান্তর
মঙ্গলবার, ৭ জুলাই, ২০২৬ ২:০৯ পূর্বাহ্ন
শেয়ার করুন:
জামালপুরের সরিষাবাড়ীতে অকালপ্রয়াত দুই গ্রাহকের পরিবারের আর্থিক নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে দ্রুততম সময়ে বীমা দাবির চেক হস্তান্তর করেছে বেস্ট ইসলামী লাইফ ইন্স্যুরেন্স কোম্পানি লিমিটেড। মুনারপাড়া এলাকায় আয়োজিত এক অনুষ্ঠানে মনোনীত নমিনিদের হাতে মোট ৩ লাখ ৭০ হাজার টাকার চেক তুলে দেওয়া হয়। বিপদের দিনে হয়রানি ছাড়া দ্রুত এই অর্থ পেয়ে কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেছেন শোকসন্তপ্ত পরিবারের সদস্যরা।
জামালপুরের সরিষাবাড়ী উপজেলার পোগলদিঘা ইউনিয়নের মুনারপাড়া এলাকায় এক বিশেষ অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়। সেখানে অকালপ্রয়াত দুই বীমা গ্রাহক শিউলী বেগম ও লিটন মিয়ার মনোনীত নমিনিদের হাতে যথাক্রমে ৮০ হাজার এবং ২ লাখ ৯০ হাজার টাকার দুটি চেক তুলে দেওয়া হয়।
অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন উপজেলা পরিষদের সাবেক ভাইস চেয়ারম্যান ও পোগলদিঘা ইউনিয়ন বিএনপির সভাপতি মামুনুর রশীদ ফকির। আরামনগর শাখার ইনচার্জ মোঃ রিপন মিয়ার সভাপতিত্বে আয়োজিত এই চেক হস্তান্তর অনুষ্ঠানে সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।
বিশেষ অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন বেস্ট ইসলামী লাইফ ইন্স্যুরেন্স কোম্পানির ময়মনসিংহ বিভাগীয় সহকারী ব্যবস্থাপনা পরিচালক মাসুম হাসান জামাল, ঘাটাইল সদর জোনাল ইনচার্জ মোঃ শিবলু মিয়া এবং জামালপুর জোনাল অফিসের জুনিয়র অফিসার (ক্যাশ) মোঃ আল আমিন। এছাড়া আরামনগর শাখা অফিসের জুনিয়র অফিসার (ক্যাশ) মোঃ রাকিব হাসানসহ স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তিরা উপস্থিত ছিলেন।
সহকারী ব্যবস্থাপনা পরিচালক মাসুম হাসান জামাল তাঁর বক্তব্যে বলেন, বীমা শুধু একটি সাধারণ পলিসি নয়, এটি আসলে বিপদের সময়ে একটি পরিবারের সবচেয়ে নির্ভরযোগ্য ভরসা। গ্রাহকরা অত্যন্ত বিশ্বাসের সাথে তাঁদের কষ্টার্জিত অর্থ জমা রাখেন। সেই বিশ্বাসের যথাযথ মূল্যায়ন করে আইনি প্রক্রিয়া সম্পন্ন করে রেকর্ড সময়ের মধ্যে বেস্ট ইসলামী লাইফ এই দাবি পরিশোধ করেছে।
বীমা দাবির চেক হস্তান্তরের পর প্রয়াত শিউলি বেগমের স্বামী আবেগাপ্লুত কণ্ঠে কোম্পানিকে ধন্যবাদ জানান। তিনি বলেন, কোনো প্রকার হয়রানি ছাড়াই অত্যন্ত দ্রুততম সময়ে তাঁর স্ত্রীর বীমাকৃত অর্থ বুঝিয়ে দেওয়া হয়েছে। কঠিন এই সময়ে প্রাপ্ত অর্থ তাঁদের পরিবারের ভবিষ্যৎ পথচলায় এবং বেঁচে থাকার লড়াইয়ে নতুন সাহস জোগাবে।
১৩২ বার পড়া হয়েছে