সর্বশেষ

আন্তর্জাতিক

রাজস্থানে দিল্লি-মুম্বাই এক্সপ্রেসওয়েতে বাসে আগুন: নিহত ৭, আহত ২২

ডেস্ক রিপোর্ট
ডেস্ক রিপোর্ট

বুধবার, ১ জুলাই, ২০২৬ ৫:০৫ অপরাহ্ন

শেয়ার করুন:
ভারতের রাজস্থানের দৌসা জেলার কাছে দিল্লি-মুম্বাই এক্সপ্রেসওয়েতে একটি স্লিপার বাস ট্রেইলারের সঙ্গে সংঘর্ষের পর আগুন ধরে অন্তত সাতজন নিহত এবং ২২ জন আহত হয়েছেন। প্রাথমিকভাবে পুলিশের ধারণা, অতিরিক্ত গতি ও চালকের তন্দ্রা দুর্ঘটনার সম্ভাব্য কারণ হতে পারে।
দিল্লি-মুম্বাই এক্সপ্রেসওয়েতে বাসে আগুন

ভারতের রাজস্থানের দৌসা জেলার কাছে দিল্লি-মুম্বাই এক্সপ্রেসওয়েতে একটি সড়ক দুর্ঘটনায় অন্তত সাতজন নিহত এবং ২২ জন আহত হয়েছেন। ভারতীয় সংবাদমাধ্যম এনডিটিভির প্রতিবেদনে এ তথ্য জানানো হয়েছে।

প্রতিবেদনে বলা হয়, মঙ্গলবার (৩০ জুন) রাত প্রায় আড়াইটার দিকে ঋষিকেশ থেকে মধ্যপ্রদেশের ইন্দোরগামী একটি স্লিপার বাস দ্রুতগতিতে চলার সময় একটি ট্রেইলারের সঙ্গে সংঘর্ষে জড়িয়ে পড়ে। সংঘর্ষের পর বাস ও ট্রেইলার—দুই যানবাহনেই আগুন ধরে যায়।

প্রত্যক্ষদর্শীদের ভাষ্য অনুযায়ী, আগুন লাগার পর বাসের ভেতরে আটকে পড়া যাত্রীরা সাহায্যের জন্য চিৎকার করছিলেন। দুর্ঘটনার তীব্রতায় ওপরের বার্থে থাকা কয়েকজন যাত্রী নিচে ছিটকে পড়েন। কর্মকর্তাদের তথ্য অনুযায়ী, নিহতদের মধ্যে পাঁচজন দগ্ধ হয়ে এবং দুজন মাথায় গুরুতর আঘাত পেয়ে মারা যান। নিহতদের অধিকাংশই দুর্ঘটনার সময় ঘুমিয়ে ছিলেন বলে জানা গেছে।

খবর পেয়ে দমকল ও উদ্ধারকারী দল ঘটনাস্থলে পৌঁছে আগুন নিয়ন্ত্রণে আনে এবং যাত্রীদের উদ্ধার করে। আহতদের মধ্যে নারী ও শিশুর সংখ্যা বেশি। তাঁদের দৌসা জেলা হাসপাতালে ভর্তি করে চিকিৎসা দেওয়া হচ্ছে।

দুর্ঘটনার সুনির্দিষ্ট কারণ এখনো নিশ্চিত হওয়া যায়নি। তবে প্রাথমিক তদন্তে পুলিশের ধারণা, বাসচালক তন্দ্রাচ্ছন্ন হয়ে পড়তে পারেন। পাশাপাশি বাসটির অতিরিক্ত গতিও দুর্ঘটনার একটি সম্ভাব্য কারণ হিসেবে বিবেচনা করা হচ্ছে।

এদিকে স্থানীয় বাসিন্দাদের অভিযোগ, উদ্ধারকারী দল ও ফায়ার সার্ভিস ঘটনাস্থলে পৌঁছাতে বিলম্ব করায় হতাহতের সংখ্যা বেড়ে যেতে পারে। তাঁদের দাবি, আগুন লাগার প্রায় এক ঘণ্টা পর বাসে আটকে পড়া যাত্রীদের উদ্ধার করা সম্ভব হয়।

স্থানীয়দের আরও অভিযোগ, বাসের লাগেজ বগিতে বিপুল পরিমাণ সিগারেটের প্যাকেট ছিল, যা আগুন দ্রুত ছড়িয়ে পড়তে ভূমিকা রাখতে পারে। তবে এ বিষয়ে প্রশাসনের পক্ষ থেকে এখনো আনুষ্ঠানিকভাবে কোনো মন্তব্য করা হয়নি।

স্থানীয় প্রশাসন দুর্ঘটনার প্রকৃত কারণ অনুসন্ধান এবং নিহত ও আহতদের পরিচয় শনাক্তের কাজ চালিয়ে যাচ্ছে।

১২৩ বার পড়া হয়েছে

শেয়ার করুন:

মন্তব্য

(0)

বিজ্ঞাপন
৩২০ x ৫০
বিজ্ঞাপন

বিজ্ঞাপন

৩০০ x ২৫০

বিজ্ঞাপন
এলাকার খবর

বিজ্ঞাপন

৩০০ x ২৫০

বিজ্ঞাপন














সর্বশেষ সব খবর
আন্তর্জাতিক নিয়ে আরও পড়ুন

বিজ্ঞাপন

২৫০ x ২৫০

বিজ্ঞাপন

বিজ্ঞাপন
৩২০ x ৫০
বিজ্ঞাপন