সর্বশেষ

সারাদেশ

৯৯২ কোটি টাকার মেগা ড্রেজিং শেষ হচ্ছে মোংলা বন্দরে, নাব্যতা নিয়ে চিন্তিত ব্যবসায়ীরা

রেজা মাসুদ, মংলা
রেজা মাসুদ, মংলা

বৃহস্পতিবার, ২৫ জুন, ২০২৬ ১০:২১ অপরাহ্ন

শেয়ার করুন:
দীর্ঘ সাড়ে ছয় বছরের নানা জটিলতা পেরিয়ে অবশেষে শেষ হতে চলেছে মোংলা বন্দরের ইনার বার ড্রেজিং প্রকল্পের কাজ। প্রায় ৯৯২ কোটি টাকা ব্যয়ে বাস্তবায়িত এই মেগা প্রকল্পের মাধ্যমে পশুর চ্যানেলের নাব্যতা বৃদ্ধি পেলেও পলি জমার আশঙ্কায় পুরোপুরি কাটছে না বন্দর ব্যবহারকারীদের উদ্বেগ। তবে বন্দর কর্তৃপক্ষ আশ্বস্ত করেছে, নিয়মিত রক্ষণাবেক্ষণের মাধ্যমে চ্যানেলের কার্যকারিতা সচল রাখা হবে।

মোংলা বন্দর কর্তৃপক্ষ জানায়, আগামী ৩০ জুন আনুষ্ঠানিকভাবে সমাপ্ত হতে যাচ্ছে বহুল আলোচিত ইনার বার ড্রেজিং প্রকল্প। শুরুতে এই মেগা প্রকল্পের প্রাক্কলিত ব্যয় ৭৯৩ কোটি ৭২ লাখ টাকা ধরা হলেও নকশা পরিবর্তন ও সময় বৃদ্ধির কারণে তিন দফায় বাজেট সংশোধন করে চূড়ান্ত ব্যয় দাঁড়িয়েছে ৯৯২ কোটি টাকায়। ২০২১ সালের মার্চে কাজ শুরু হওয়া এই প্রকল্পটির বড় জটিলতা ছিল বালু ফেলার জন্য ডাম্পিং এলাকার অভাব এবং চ্যানেলের দ্রুত পলি ভরাট হয়ে যাওয়া।

বন্দর জেটি থেকে হাড়বাড়িয়া এলাকা পর্যন্ত প্রায় ২৩ দশমিক ৪ কিলোমিটার দীর্ঘ এই চ্যানেলের গভীরতা বাড়াতে ড্রেজিং সম্পন্ন হয়েছে। প্রকল্প সংশ্লিষ্টদের দাবি, ড্রেজিংয়ের ফলে এখন ৯ থেকে সাড়ে ৯ মিটার ড্রাফটের বড় বিদেশি বাণিজ্যিক জাহাজ সরাসরি মোংলা বন্দরের মূল জেটিতে প্রবেশ করতে পারবে। প্রকল্পের আওতায় নদী থেকে প্রায় ২ কোটি ৩৭ লাখ ঘনমিটার বালু ও পলি অপসারণ করেছে ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠান চায়না সিভিল ইঞ্জিনিয়ারিং কনস্ট্রাকশন কর্পোরেশন এবং জিয়াংশু হাইহং কনস্ট্রাকশন।

এদিকে খননকাজ প্রায় শেষ হলেও পলি জমে চ্যানেলের নাব্যতা আবার কমে যাওয়া নিয়ে শঙ্কার কথা জানিয়েছেন স্থানীয় ব্যবসায়ী ও শিপিং এজেন্টরা। তাদের মতে, নিয়মিত মেইনটেন্যান্স ড্রেজিং বা রক্ষণাবেক্ষণ না করা হলে বিদেশি শিপিং লাইনগুলো মোংলা বন্দরে আসতে অনীহা প্রকাশ করবে। ফলে ব্যবসায়ীরা বাধ্য হয়ে আবার চট্টগ্রামমুখী হবেন, যা এ অঞ্চলের অর্থনৈতিক উন্নয়নকে ব্যাহত করতে পারে।

ইনার বার ড্রেজিং প্রকল্পের পরিচালক ও মোংলা বন্দর কর্তৃপক্ষের প্রধান প্রকৌশলী শেখ শওকত আলী জানান, এই ঐতিহাসিক ড্রেজিং মোংলা বন্দরকে একটি আন্তর্জাতিক মানের অর্থনৈতিক হাবে পরিণত করবে। নাব্যতা ধরে রাখতে নতুন অর্থবছর থেকেই নিয়মিত মেইনটেন্যান্স ড্রেজিং কার্যক্রম শুরু হবে। এর আগে ২০১৮ থেকে ২০২০ সালের মধ্যে আউটার বার ড্রেজিংয়ের কাজ ৭১২ কোটি টাকা ব্যয়ে সফলভাবে সম্পন্ন করা হয়েছিল।

১৫০ বার পড়া হয়েছে

শেয়ার করুন:

মন্তব্য

(0)

বিজ্ঞাপন
৩২০ x ৫০
বিজ্ঞাপন

বিজ্ঞাপন

৩০০ x ২৫০

বিজ্ঞাপন
এলাকার খবর

বিজ্ঞাপন

৩০০ x ২৫০

বিজ্ঞাপন














সর্বশেষ সব খবর
সারাদেশ নিয়ে আরও পড়ুন

বিজ্ঞাপন

২৫০ x ২৫০

বিজ্ঞাপন

বিজ্ঞাপন
৩২০ x ৫০
বিজ্ঞাপন