সর্বশেষ

সারাদেশ

ঈশ্বরগঞ্জে পুকুরপাড়ের গাইড ওয়াল অপসারণের অভিযোগ, এক মাসেও পাম্প অপারেটরের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা হয়নি

স্টাফ রিপোর্টার, ময়মনসিংহ 
স্টাফ রিপোর্টার, ময়মনসিংহ 

মঙ্গলবার, ২৩ জুন, ২০২৬ ৪:৪৮ পূর্বাহ্ন

শেয়ার করুন:
ময়মনসিংহের ঈশ্বরগঞ্জ মৎস্য বীজ উৎপাদন খামারের পুকুরপাড়ের টিনশেডের গাইড ওয়াল অপসারণ ও বিক্রির অভিযোগ ওঠার এক মাস পেরিয়ে গেলেও অভিযুক্ত পাম্প অপারেটর মো. কাঞ্চন মিয়ার বিরুদ্ধে এখনো কোনো বিভাগীয় ব্যবস্থা নেওয়া হয়নি। এ নিয়ে সংশ্লিষ্ট দপ্তরগুলোর মধ্যে দায়ভার চাপানোর প্রবণতা দেখা দিয়েছে।

ময়মনসিংসিংহের ঈশ্বরগঞ্জ মৎস্য বীজ উৎপাদন খামারের পুকুরপাড়ের ৫০টি টিনশেডের গাইড ওয়াল অপসারণ ও বিক্রির অভিযোগে পাম্প অপারেটর মো. কাঞ্চন মিয়াকে গত ২০ মে কারণ দর্শানোর নোটিশ দেওয়া হয়। নোটিশে উল্লেখ করা হয়, ১৯ মে তিনি গাইড ওয়াল অপসারণ করে বিক্রি করার বিষয়টি স্বীকার করেছেন, যা সরকারি চাকরি বিধিমালার পরিপন্থী এবং এতে খামারের পুকুরপাড় ক্ষতিগ্রস্ত হওয়ার আশঙ্কা রয়েছে।

তৎকালীন অতিরিক্ত দায়িত্বপ্রাপ্ত খামার ব্যবস্থাপক ও ঈশ্বরগঞ্জের সিনিয়র উপজেলা মৎস্য কর্মকর্তা মায়মুনা জাহান তিন দিনের মধ্যে এ বিষয়ে ব্যাখ্যা দিতে নির্দেশ দেন।

তবে অভিযোগ অস্বীকার করে কাঞ্চন মিয়া বলেন, তিনি গাইড ওয়ালগুলো খুলে রাখলেও সেগুলো বিক্রি করেননি। তাঁর দাবি, অপসারিত সামগ্রী একটি কক্ষে সংরক্ষিত রয়েছে এবং প্রয়োজন হলে তা পরিদর্শন করা যেতে পারে।

মায়মুনা জাহান বলেন, খামারের স্থায়ী ব্যবস্থাপক হজে থাকাকালে তিনি অতিরিক্ত দায়িত্ব পালন করছিলেন। তাঁর ভাষ্য, কাঞ্চন মিয়া গাইড ওয়াল অপসারণ করে বিক্রি করেছেন এবং এ বিষয়ে তিনি লিখিতভাবে জবাবও দিয়েছেন। প্রয়োজনীয় নথিপত্র জেলা কার্যালয়ে পাঠানো হয়েছে। এখন পরবর্তী ব্যবস্থা নেওয়ার দায়িত্ব জেলা কার্যালয়ের।

খামারের ব্যবস্থাপক শামীমা সুলতানা বলেন, হজ পালন শেষে ফিরে এসে তিনি বিষয়টি সম্পর্কে জানতে পেরেছেন। তাঁর মতে, ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষ ব্যবস্থা না নিলে স্থানীয় পর্যায়ে তাদের করার মতো খুব বেশি কিছু নেই।

এদিকে অতীতেও নারীসংক্রান্ত বিতর্কসহ বিভিন্ন অভিযোগে কাঞ্চন মিয়া আলোচনায় এসেছিলেন বলে স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে। তবে এ বিষয়ে বিস্তারিত মন্তব্য করতে চাননি শামীমা সুলতানা।

অন্যদিকে ময়মনসিংহ জেলা মৎস্য কর্মকর্তা আরাফাত উদ্দিন আহামেদ বলেন, উপজেলা কার্যালয় থেকে এখনো আনুষ্ঠানিকভাবে কোনো চিঠি তাঁর কার্যালয়ে পৌঁছায়নি। চিঠি পাওয়ার পর আইন অনুযায়ী প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

তবে উপজেলা কার্যালয় থেকে ইতোমধ্যে নথিপত্র পাঠানো হয়েছে—এমন প্রশ্নের জবাবে তিনি জানান, তিনি বর্তমানে ঢাকায় অবস্থান করছেন এবং অফিসে ফিরে বিষয়টি খতিয়ে দেখে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

১২১ বার পড়া হয়েছে

শেয়ার করুন:

মন্তব্য

(0)

বিজ্ঞাপন
৩২০ x ৫০
বিজ্ঞাপন

বিজ্ঞাপন

৩০০ x ২৫০

বিজ্ঞাপন
এলাকার খবর

বিজ্ঞাপন

৩০০ x ২৫০

বিজ্ঞাপন














সর্বশেষ সব খবর
সারাদেশ নিয়ে আরও পড়ুন

বিজ্ঞাপন

২৫০ x ২৫০

বিজ্ঞাপন

বিজ্ঞাপন
৩২০ x ৫০
বিজ্ঞাপন