সর্বশেষ

আন্তর্জাতিক

চাপের মুখে কিয়ার স্টারমার, নেতৃত্ব পরিবর্তন নিয়ে জোর আলোচনা লেবার পার্টিতে

ডেস্ক রিপোর্ট
ডেস্ক রিপোর্ট

সোমবার, ২২ জুন, ২০২৬ ৫:৪২ অপরাহ্ন

শেয়ার করুন:
যুক্তরাজ্যের প্রধানমন্ত্রী কিয়ার স্টারমারকে ঘিরে রাজনৈতিক চাপ আরও বেড়েছে। লেবার পার্টির একটি অংশ নেতৃত্বে পরিবর্তনের দাবি তুলেছে এবং সম্ভাব্য বিকল্প হিসেবে অ্যান্ডি বার্নহ্যামের নাম সামনে আসছে। তবে স্টারমারের পদত্যাগের বিষয়ে এখনো কোনো আনুষ্ঠানিক ঘোষণা দেওয়া হয়নি।
কিয়ার স্টারমার

যুক্তরাজ্যের প্রধানমন্ত্রী কিয়ার স্টারমারকে কেন্দ্র করে দেশটির রাজনৈতিক অঙ্গনে নতুন করে আলোচনা শুরু হয়েছে। নিজ দল লেবার পার্টির কয়েকজন সংসদ সদস্য (এমপি) তাঁর নেতৃত্ব নিয়ে প্রশ্ন তুলেছেন এবং দলীয় নেতৃত্বে পরিবর্তনের পক্ষে অবস্থান নিয়েছেন বলে বিভিন্ন গণমাধ্যমে খবর প্রকাশিত হয়েছে।

রোববার সরকারের পক্ষে বক্তব্য দিতে গিয়ে ব্রিটিশ বাণিজ্যমন্ত্রী পিটার কাইল বলেন, প্রধানমন্ত্রী রাজনৈতিক বাস্তবতা সম্পর্কে অবগত আছেন এবং দেশের জন্য যেটি সবচেয়ে ভালো হবে, সেটিই করবেন। তবে স্টারমারের ভবিষ্যৎ পরিকল্পনা বা সম্ভাব্য পদত্যাগ নিয়ে তিনি সরাসরি কোনো মন্তব্য করেননি।

পিটার কাইলের ভাষ্য অনুযায়ী, গত কয়েক মাস ধরে স্টারমার দলের ভেতর থেকে চাপের মুখে রয়েছেন। সম্প্রতি সেই চাপ আরও বেড়েছে। রাজনৈতিক বিশ্লেষকদের মতে, লেবার পার্টির ভেতরে নেতৃত্ব নিয়ে বিতর্ক এখন আগের চেয়ে বেশি দৃশ্যমান।

স্টারমারের সম্ভাব্য প্রতিদ্বন্দ্বী হিসেবে আলোচনায় রয়েছেন অ্যান্ডি বার্নহ্যাম। সাম্প্রতিক একটি উপনির্বাচনে তাঁর জয় দলীয় রাজনীতিতে নতুন সমীকরণ তৈরি করেছে বলে মনে করা হচ্ছে। এতে ভবিষ্যতে নেতৃত্ব নিয়ে আনুষ্ঠানিক চ্যালেঞ্জের পথ আরও উন্মুক্ত হতে পারে।

ব্রিটিশ সংবাদমাধ্যমগুলোর খবরে বলা হয়েছে, লেবার পার্টির কিছু এমপি স্টারমারকে তাঁর রাজনৈতিক ভবিষ্যৎ সম্পর্কে দ্রুত সিদ্ধান্ত নেওয়ার আহ্বান জানিয়েছেন। একই সঙ্গে দলীয় নিয়ম অনুযায়ী নেতৃত্ব পরিবর্তনের প্রক্রিয়া নিয়েও আলোচনা চলছে। লেবার পার্টির বিধি অনুসারে, কোনো সদস্য নেতৃত্বকে চ্যালেঞ্জ করতে চাইলে সংসদীয় দলের অন্তত ২০ শতাংশ এমপির সমর্থন প্রয়োজন।

মাত্র দুই বছর আগে কিয়ার স্টারমারের নেতৃত্বে লেবার পার্টি বড় ধরনের নির্বাচনী সাফল্য অর্জন করেছিল। সেই নির্বাচনে দলটি সংখ্যাগরিষ্ঠতা নিয়ে সরকার গঠন করে। তবে সাম্প্রতিক জনমত জরিপে দলটির জনপ্রিয়তা কিছুটা কমেছে বলে বিভিন্ন জরিপে উঠে এসেছে।

অন্যদিকে ডানপন্থি রাজনৈতিক দল রিফর্ম ইউকে জনসমর্থনের দিক থেকে এগিয়ে রয়েছে বলে কয়েকটি জরিপে দেখা গেছে। এ কারণে লেবার পার্টির অনেক সদস্য মনে করছেন, আগামী জাতীয় নির্বাচনের আগে নেতৃত্বের প্রশ্নটি গুরুত্বপূর্ণ হয়ে উঠতে পারে।

তবে এখন পর্যন্ত কিয়ার স্টারমারের পদত্যাগ বা নেতৃত্ব পরিবর্তন নিয়ে কোনো আনুষ্ঠানিক সিদ্ধান্ত ঘোষণা করা হয়নি। ফলে পরিস্থিতির পরবর্তী অগ্রগতি নিয়ে রাজনৈতিক মহলে নজর রয়েছে।

১২০ বার পড়া হয়েছে

শেয়ার করুন:

মন্তব্য

(0)

বিজ্ঞাপন
৩২০ x ৫০
বিজ্ঞাপন

বিজ্ঞাপন

৩০০ x ২৫০

বিজ্ঞাপন
এলাকার খবর

বিজ্ঞাপন

৩০০ x ২৫০

বিজ্ঞাপন














সর্বশেষ সব খবর
আন্তর্জাতিক নিয়ে আরও পড়ুন

বিজ্ঞাপন

২৫০ x ২৫০

বিজ্ঞাপন

বিজ্ঞাপন
৩২০ x ৫০
বিজ্ঞাপন