সর্বশেষ

সারাদেশ

উত্তাল সাগরে মিলছে না কাঙ্ক্ষিত মাছ, আলীপুর-মহিপুরে ফিরছে হাজারো ট্রলার

এ এম মিজানুর রহমান বুলেট, কুয়াকাটা
এ এম মিজানুর রহমান বুলেট, কুয়াকাটা

শনিবার, ২০ জুন, ২০২৬ ৬:৫২ অপরাহ্ন

শেয়ার করুন:
দীর্ঘ ৫৮ দিনের সরকারি নিষেধাজ্ঞা শেষে বুকভরা আশা নিয়ে সাগরে গিয়ে চরম হতাশায় পড়েছেন উপকূলীয় জেলেরা। একদিকে বৈরী আবহাওয়া ও উত্তাল বঙ্গোপসাগরের প্রলয়ংকরী ঢেউ, অন্যদিকে কাঙ্ক্ষিত মাছের তীব্র সংকট তাদের শূন্য হাতে ঘাটে ফিরতে বাধ্য করেছে। জীবন ও জীবিকার তাগিদে বর্তমানে পটুয়াখালীর আলীপুর ও মহিপুরের খাপড়াভাঙ্গা নদীতে আশ্রয় নিয়েছে হাজার হাজার মাছধরা ট্রলার।
সাগর থেকে মাছ না নিয়ে ফিরে এসেছে হাজারো ট্রলার

পটুয়াখালীর কলাপাড়া উপজেলার কুয়াকাটা সংলগ্ন বঙ্গোপসাগরে মৌসুমী বায়ুর প্রভাবে সৃষ্টি হয়েছে প্রচণ্ড ঢেউ। সমুদ্রে টিকে থাকা অসম্ভব হয়ে পড়ায় উপকূলের হাজারো জেলে প্রাণ বাঁচাতে তড়িঘড়ি করে নিরাপদ আশ্রয়ের খোঁজে ঘাটে ফিরেছেন। মৎস্য বন্দর আলীপুর ও মহিপুরের খাপড়াভাঙ্গা নদী এখন ট্রলারে ট্রলারে ঠাসা।

অল্প মাছ নিয়ে ফিরেছে জেলেরা

জেলেরা জানিয়েছেন, দীর্ঘ নিষেধাজ্ঞা শেষে বিপুল টাকা ধার-দেনা ও কিস্তি নিয়ে তারা সাগরে রওনা দিয়েছিলেন। তবে বৈরী আবহাওয়ার পাশাপাশি সাগরে মাছের চরম আকাল দেখা দেওয়ায় তাদের কপালে চিন্তার ভাঁজ পড়েছে। ট্রলার প্রতি লাখ লাখ টাকার জ্বালানি ও রসদ সামগ্রী কেনা হলেও, মাছশূন্য হাতে ফিরে আসায় লোকসানের পাল্লা ভারী হচ্ছে।

মাছের বাজার

ক্ষুব্ধ মৎস্যজীবীদের অভিযোগ, সরকারি নিষেধাজ্ঞা চলাকালীন একশ্রেণীর অসাধু মৎস্যজীবী ও অবৈধ ট্রলিং ট্রলার অবাধে সাগরে মাছ শিকার করেছে। এর ফলেই এখন সাধারণ জেলেরা কাঙ্ক্ষিত ইলিশের দেখা পাচ্ছেন না। প্রশাসন যদি এই অবৈধ ট্রলিং ট্রলারগুলো বন্ধ করতে না পারে, তবে উপকূলীয় জেলেদের জীবন চালানো কঠিন হয়ে পড়বে বলে আশঙ্কা করছেন তারা।

সমুদ্রে ট্রলার

স্থানীয় মৎস্য আড়ৎদাররা জানান, জেলেরা অনেক আশা নিয়ে সমুদ্রে গিয়েছিলেন কিন্তু একের পর এক ট্রলার অনেকটা খালি হাতেই কূলে ফিরছে। এতে আড়ৎ মালিক ও জেলে উভয় পক্ষই বড় ধরনের আর্থিক লোকসানের মুখে পড়েছেন। বৈরী আবহাওয়ার কারণে পুরো বন্দর এখন সম্পূর্ণ স্থবির হয়ে পড়েছে।

উপজেলা মৎস্য বিভাগ অবশ্য আশা প্রকাশ করেছে যে, সাগরে পর্যাপ্ত মাছ রয়েছে। তবে দুর্যোগপূর্ণ আবহাওয়ার কারণে জেলেরা জাল ফেলতে পারছেন না। অবৈধ মাছ শিকারী ও ট্রলিং ট্রলারের বিরুদ্ধে প্রশাসনের নিয়মিত অভিযান অব্যাহত রয়েছে এবং এ বিষয়ে কোনো ছাড় দেওয়া হবে না বলে আশ্বস্ত করেছেন কর্মকর্তারা।

১০৬ বার পড়া হয়েছে

শেয়ার করুন:

মন্তব্য

(0)

বিজ্ঞাপন
৩২০ x ৫০
বিজ্ঞাপন

বিজ্ঞাপন

৩০০ x ২৫০

বিজ্ঞাপন
এলাকার খবর

বিজ্ঞাপন

৩০০ x ২৫০

বিজ্ঞাপন














সর্বশেষ সব খবর
সারাদেশ নিয়ে আরও পড়ুন

বিজ্ঞাপন

২৫০ x ২৫০

বিজ্ঞাপন

বিজ্ঞাপন
৩২০ x ৫০
বিজ্ঞাপন