ঈদ শেষে ঢাকায় ফিরছে কর্মজীবীরা, যাত্রাপথে ভিড় তুলনামূলক কম
রবিবার, ৩১ মে, ২০২৬ ৪:২১ অপরাহ্ন
শেয়ার করুন:
ঈদুল আজহার ছুটি শেষ হওয়ার পর রাজধানী ঢাকায় ফিরতে শুরু করেছেন কর্মজীবী মানুষ। তবে গত বছরের তুলনায় এবার ফিরতি যাত্রায় যাত্রীচাপ উল্লেখযোগ্যভাবে কম দেখা গেছে।
রবিবার (৩১ মে) সকাল থেকে রাজধানীর বিভিন্ন প্রবেশপথে, বিশেষ করে গাবতলী, সায়েদাবাদ ও মহাখালী বাস টার্মিনাল, কমলাপুর রেলস্টেশন এবং সদরঘাট লঞ্চ টার্মিনালে যাত্রীদের উপস্থিতি লক্ষ্য করা যায়। তবে কোথাও অতিরিক্ত ভিড় বা বড় ধরনের ভোগান্তির পরিস্থিতি তৈরি হয়নি। পরিবহন চলাচলও ছিল স্বাভাবিক ও নিয়ন্ত্রিত।
দক্ষিণাঞ্চল থেকে নৌপথে ঢাকায় ফেরা যাত্রীদের চাপ সদরঘাটে তুলনামূলকভাবে স্বাভাবিক ছিল। যাত্রীরা জানান, লঞ্চযাত্রা ছিল শান্তিপূর্ণ ও স্বস্তিদায়ক। অধিকাংশ লঞ্চই নির্ধারিত সময় অনুযায়ী গন্তব্যে পৌঁছায় এবং অতিরিক্ত ভিড়ের সমস্যাও দেখা যায়নি।
এদিকে ময়মনসিংহ, শেরপুর, জামালপুর, কিশোরগঞ্জ ও গাজীপুরসহ বিভিন্ন রুটে বাস চলাচলও ছিল স্বাভাবিক। টার্মিনাল ও কাউন্টারগুলোতে দীর্ঘ সারি বা যানজটের দৃশ্য দেখা যায়নি। ফলে যাত্রীরা সহজেই নিজ নিজ গন্তব্যে পৌঁছাতে পেরেছেন। অতিরিক্ত ভাড়া আদায়ের অভিযোগও পাওয়া যায়নি।
অন্যদিকে, ঈদের ছুটিতে বাড়ি যেতে না পারা অনেক মানুষ এখন পরিবারের সঙ্গে সময় কাটাতে গ্রামের দিকে রওনা হচ্ছেন। এতে রাজধানীতে একই সঙ্গে ঢাকামুখী ও গ্রামমুখী—উভয় ধরনের যাত্রীর চলাচল দেখা যাচ্ছে।
কমলাপুর রেলস্টেশন, বাস টার্মিনাল ও লঞ্চঘাটে দুই দিকের যাত্রী উপস্থিত থাকলেও সামগ্রিক পরিবহন ব্যবস্থাপনা স্বাভাবিক রয়েছে বলে জানিয়েছেন সংশ্লিষ্টরা। তাদের মতে, যাত্রীপ্রবাহ দুই ভাগে বিভক্ত থাকায় পরিবহন ব্যবস্থাপনা সহজ হয়েছে এবং ভোগান্তি কমেছে।
যাত্রীদের ভাষ্য অনুযায়ী, ফাঁকা সড়ক ও স্বাভাবিক পরিবহন ব্যবস্থার কারণে এবারের ঢাকায় ফেরা ছিল তুলনামূলকভাবে স্বস্তিদায়ক। তবে অফিস-আদালত খোলার আগ মুহূর্তে বিকেল ও সন্ধ্যায় ঢাকামুখী যাত্রীর চাপ আরও বাড়তে পারে বলে ধারণা করা হচ্ছে।
উল্লেখ্য, ঈদুল আজহা উপলক্ষে সরকারি কর্মকর্তা-কর্মচারীরা ২৫ মে থেকে ৩১ মে পর্যন্ত টানা সাত দিনের ছুটি কাটিয়েছেন। ছুটি শেষে আগামীকাল থেকে দেশের সব সরকারি-বেসরকারি অফিস, ব্যাংক-বিমা ও অধিকাংশ প্রতিষ্ঠান পুনরায় চালু হবে।
১৬৬ বার পড়া হয়েছে