সর্বশেষ

সারাদেশ

গোপালগঞ্জের কোরবানির হাটে চমক, ‘দক্ষিণ বঙ্গের কালো পাহাড়’ ও ‘ইরফান’ ঘিরে দর্শনার্থীদের ভিড়

বাদল সাহা, গোপালগঞ্জ
বাদল সাহা, গোপালগঞ্জ

বুধবার, ২০ মে, ২০২৬ ৭:৩৯ পূর্বাহ্ন

শেয়ার করুন:
গোপালগঞ্জ-এর কোরবানির পশুর বাজারে এবার আলোচনার কেন্দ্রবিন্দুতে উঠে এসেছে দুই বিশাল আকৃতির গরু—‘দক্ষিণ বঙ্গের কালো পাহাড়’ ও ‘ইরফান’। আসন্ন ঈদুল আজহা উপলক্ষে গরু দুটি দেখতে প্রতিদিনই ভিড় করছেন স্থানীয় মানুষ ও সম্ভাব্য ক্রেতারা।

কোটালীপাড়া উপজেলার টুপুরিয়া গ্রামের খামারি মনিরুজ্জামান মৃধার বাড়িতে গেলে চোখে পড়বে বিশাল আকৃতির হলস্টেইন ফ্রিজিয়ান জাতের গরু ‘দক্ষিণ বঙ্গের কালো পাহাড়’। মাথা ও পেছনের অংশ সাদা, বাকি পুরো শরীর কালো হওয়ায় এমন নামকরণ করা হয়েছে। প্রায় সাড়ে পাঁচ বছর বয়সী এই গরুর উচ্চতা প্রায় ৫ ফুট ১০ ইঞ্চি, দৈর্ঘ্য ১০ ফুট এবং ওজন প্রায় ৪২ মণ। বিশাল আকৃতির কারণে এটি এলাকায় ব্যাপক কৌতূহলের জন্ম দিয়েছে।

খামারি মনিরুজ্জামান মৃধা জানান, পাঁচ বছর আগে নড়াইল-এর পহরডাঙ্গা হাট থেকে ছোট অবস্থায় গরুটি সংগ্রহ করেন তিনি। এরপর নিজ বাড়িতে প্রাকৃতিক উপায়ে লালন-পালন করে বড় করেছেন। গমের ভুষি, চালের গুঁড়া, খড়, সয়ামিলের ভুষি ও ভুট্টার গুঁড়ার পাশাপাশি আপেল, মাল্টা ও কমলাও খাওয়ানো হয় গরুটিকে। প্রতিদিন এর খাবার ও পরিচর্যায় খরচ হয় প্রায় এক হাজার টাকা। উপযুক্ত দাম পেলেই এবারের কোরবানির হাটে গরুটি বিক্রি করবেন বলে জানান তিনি।

অন্যদিকে, গোপালগঞ্জ সদর উপজেলার উলপুর গ্রামের খামারি লীলা বেগমের শাহিওয়াল জাতের গরু ‘ইরফান’ও কম আলোচনায় নেই। তিন বছর ধরে দেশীয় খাবার—কাঁচা ঘাস, গম-ভুট্টা ভাঙা, খৈল ও ভূষি খাইয়ে গরুটিকে বড় করেছেন তিনি। প্রায় ৯০০ কেজি ওজনের এই গরুর দাম ধরা হয়েছে ৮ লাখ টাকা। তবে ক্রেতাদের সঙ্গে দরদাম করেই বিক্রির সিদ্ধান্ত নেবেন বলে জানিয়েছেন লীলা বেগম।

স্থানীয়দের মতে, এত বড় আকৃতির গরু এলাকায় সচরাচর দেখা যায় না। ফলে প্রতিদিনই দুই গরু দেখতে গ্রামবাসী ও ক্রেতাদের ভিড় বাড়ছে। বিশেষ করে ‘ইরফান’ ও ‘দক্ষিণ বঙ্গের কালো পাহাড়’ নিয়ে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমেও আলোচনা ছড়িয়ে পড়েছে।

প্রাণিসম্পদ অধিদপ্তর-এর জেলা প্রাণিসম্পদ কর্মকর্তা গোবিন্দ চন্দ্র সরদার বলেন, দেশীয় খাবার খাইয়ে গরু মোটাতাজা করার পরামর্শ দেওয়া হয়েছে। স্বাস্থ্যসম্মতভাবে লালন-পালন করা এসব গরুর বাজারে ভালো চাহিদা রয়েছে। খামারিদের সুবিধার্থে হাটে গরু বিক্রির জন্য প্রয়োজনীয় সব ধরনের সহায়তা দেওয়া হবে।

এবারের কোরবানির বাজারে এই দুই গরু কতটা দাম হাঁকাতে পারে, তা নিয়ে এখনই চলছে জোর আলোচনা। খামারিরা আশাবাদী, ভালো দাম পেলে এবারের ঈদে তারা লাভবান হবেন।

১১৯ বার পড়া হয়েছে

শেয়ার করুন:

মন্তব্য

(0)

বিজ্ঞাপন
৩২০ x ৫০
বিজ্ঞাপন

বিজ্ঞাপন

৩০০ x ২৫০

বিজ্ঞাপন
এলাকার খবর

বিজ্ঞাপন

৩০০ x ২৫০

বিজ্ঞাপন














সর্বশেষ সব খবর
সারাদেশ নিয়ে আরও পড়ুন

বিজ্ঞাপন

বিজ্ঞাপন
৩২০ x ৫০
বিজ্ঞাপন