উচ্চশিক্ষায় যুগোপযোগী সংস্কারের উদ্যোগ, মেধাপাচাররোধে গুরুত্ব প্রধানমন্ত্রীর
মঙ্গলবার, ১২ মে, ২০২৬ ৭:২৯ পূর্বাহ্ন
শেয়ার করুন:
প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান বলেছেন, দেশে অসংখ্য মেধাবী তরুণ রয়েছেন, যারা প্রয়োজনীয় সুযোগ-সুবিধা পেলে বিশ্বমানের উদ্ভাবন করতে সক্ষম হবেন।
তিনি বলেন, মেধাপাচার রোধের পাশাপাশি দেশের মেধাবীদের যথাযথভাবে লালন ও বিকশিত করার মাধ্যমে ভবিষ্যতের চ্যালেঞ্জ মোকাবিলা করতে চায় সরকার।
মঙ্গলবার (১২ মে) ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়-এর সিনেট ভবনে আয়োজিত ‘ট্রান্সফরমিং হায়ার এডুকেশন ইন বাংলাদেশ: রোডম্যাপ টু সাসটেইনেবল এক্সিলেন্স’ শীর্ষক কর্মশালায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।
সরকারপ্রধান জানান, দেশের উচ্চশিক্ষা ব্যবস্থাকে সময়োপযোগী ও বাস্তবমুখী করতে সরকার বিভিন্ন উদ্যোগ গ্রহণ করছে। প্রাথমিকভাবে বিভাগীয় শহরগুলোর বিশ্ববিদ্যালয়ের সঙ্গে স্থানীয় শিক্ষা ও ব্যবসায়িক প্রতিষ্ঠানের সমন্বয় গড়ে তোলার পরিকল্পনা নেওয়া হয়েছে। এর ফলে শিক্ষার্থীরা পুঁথিগত জ্ঞানের পাশাপাশি হাতে-কলমে শিক্ষা ও কর্মদক্ষতা অর্জনের সুযোগ পাবে বলে তিনি আশা প্রকাশ করেন।
তিনি আরও জানান, বিশ্ববিদ্যালয় ও কলেজগুলোতে বিজ্ঞান মেলা, ইনোভেশন ফেয়ার এবং প্রোডাক্ট সোর্সিং ফেয়ারের মতো আয়োজনকে উৎসাহিত করার পরিকল্পনা রয়েছে সরকারের। পাশাপাশি স্কুলপর্যায় থেকেই শিক্ষা কারিকুলামে কারিগরি ও ব্যবহারিক শিক্ষা বাধ্যতামূলক করার উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।
প্রধানমন্ত্রী বলেন, কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা, রোবোটিকস, অটোমেশন, জেনেটিক ইঞ্জিনিয়ারিং, বায়োটেকনোলজি, সাইবার সিকিউরিটি, কোয়ান্টাম কম্পিউটিং, বিগ ডেটা ও ন্যানোটেকনোলজির মতো প্রযুক্তি বিশ্ব অর্থনীতি ও কর্মসংস্থানের ধরণ দ্রুত বদলে দিচ্ছে। ফলে প্রচলিত চাকরির পাশাপাশি নতুন নতুন কর্মক্ষেত্রও সৃষ্টি হচ্ছে।
তিনি বলেন, বর্তমান বিশ্বে শিক্ষা আর শুধু স্কুল, কলেজ কিংবা বিশ্ববিদ্যালয়ের গণ্ডিতে সীমাবদ্ধ নেই। এখন জ্ঞানচর্চা বহুমাত্রিক রূপ নিয়েছে, যেখানে ডেটা সায়েন্সের সঙ্গে বায়োলজি এবং ইঞ্জিনিয়ারিংয়ের সঙ্গে সমাজবিজ্ঞানের সমন্বয় তৈরি হচ্ছে।
এ সময় প্রধানমন্ত্রী আরও বলেন, সরকার এমন একটি শিক্ষা ব্যবস্থা গড়ে তুলতে কাজ শুরু করেছে, যেখানে প্রতিটি শিক্ষার্থী নিজের সম্ভাবনাকে বিকশিত করার সুযোগ পাবে এবং বর্তমান ও ভবিষ্যৎ বাংলাদেশ গঠনে কার্যকর ভূমিকা রাখতে সক্ষম হবে।
১২১ বার পড়া হয়েছে