সর্বশেষ

আন্তর্জাতিক

ফ্রান্সের পর সুইজারল্যান্ডেও সহিংস বিক্ষোভ, গ্রেপ্তার ২

ডেস্ক রিপোর্ট
ডেস্ক রিপোর্ট

সোমবার, ২ নভেম্বর, ২০২৬ ৬:২৭ অপরাহ্ন

শেয়ার করুন:
ফ্রান্সের তরুণদের আন্দোলনের অনুকরণে সুইজারল্যান্ডের জুরিখ ও বাসেলে বিক্ষোভ সহিংস রূপ নিয়েছে। শত শত মানুষের অংশগ্রহণে হওয়া এসব বিক্ষোভে অগ্নিসংযোগ, ভাঙচুর ও পুলিশের সঙ্গে সংঘর্ষের ঘটনা ঘটেছে। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনতে অভিযান চালিয়ে দুজনকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ।

রোববার (১ নভেম্বর) রাতে জুরিখের লাংস্ট্রাস এলাকায় শত শত বিক্ষোভকারী জড়ো হন। তাঁদের অনেকের মুখে ছিল হ্যালোইনের মুখোশ। পরে তাঁরা প্রধান রেলস্টেশনের কাছের হেলভেটিয়াপ্লাজের দিকে অগ্রসর হন। এ সময় বিক্ষোভকারীদের একটি অংশ আতশবাজি ও ফ্লেয়ার জ্বালায়।

বিক্ষোভকারীরা স্কয়ারে পৌঁছালে পরিস্থিতি উত্তপ্ত হয়ে ওঠে। সেখানে একটি বাসস্টপ ভাঙচুর করা হয়। ময়লার পাত্র ও সাইকেল দিয়ে তৈরি ব্যারিকেডে আগুন ধরিয়ে দেন বিক্ষোভকারীরা। তাঁদের ছত্রভঙ্গ করতে জলকামান ব্যবহার করে পুলিশ।

এরপর বিক্ষোভকারীরা ছোট ছোট দলে বিভক্ত হয়ে বিভিন্ন স্থানে ডাস্টবিন ও গাড়িতে আগুন দেন এবং দোকানের কাচ ভাঙচুর করেন। পুলিশ জানায়, বিক্ষোভকারীরা বারবার আতশবাজি, বোতল ও পাথর ছুড়ে তাদের ওপর হামলা চালান। জবাবে পুলিশ টিয়ার গ্যাস ও রাবার বুলেট ব্যবহার করে। রাত দেড়টা পর্যন্ত সংঘর্ষ চলতে থাকে।

এ সময় জরুরি চিকিৎসাসেবায় নিয়োজিত একটি পুলিশ টহল গাড়িও হামলার শিকার হয়। ফলে দুর্ঘটনায় পা গুরুতর আহত এক কিশোরের কাছে পৌঁছানোর আগেই পুলিশকে পিছু হটতে হয়।

জুরিখের পাশাপাশি বাসেলেও বিক্ষোভ ছড়িয়ে পড়ে। ক্যান্টোনাল পুলিশের তথ্য অনুযায়ী, রাত ৯টার দিকে শহরের কেন্দ্রস্থলে প্রায় ১৫০ জন বিক্ষোভকারী জড়ো হন। কয়েকটি বক্তব্যের পর মিছিলটি মিটলেরে রাইনব্রুক সেতু অতিক্রম করে মার্কটপ্লাজ হয়ে সেন্ট জোহান এলাকায় প্রবেশ করে।

সেখানে বিক্ষোভকারীদের একটি অংশ ডাস্টবিন ও ধাতব ব্যারিকেড দিয়ে তৈরি প্রতিবন্ধকতায় আগুন ধরিয়ে দেয়। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে পুলিশ হস্তক্ষেপ করে।

বিক্ষোভের আয়োজক ও অংশগ্রহণকারীরা ফ্রান্সে চলমান অসন্তোষের সঙ্গে নিজেদের আন্দোলনের মিল তুলে ধরেন। সম্প্রতি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়া আহ্বানে ‘জেনজি রেজাল্ট!’ এবং ‘জেন জির হাতে নিয়ন্ত্রণ!’—এ ধরনের স্লোগান ব্যবহার করা হয়।

জার্মানির তরুণদের বিক্ষোভেও একই ধরনের স্লোগান শোনা গেছে। ইউরোপের বিভিন্ন দেশে তরুণদের আন্দোলন একে অপরের দ্বারা অনুপ্রাণিত হওয়ার বিষয়টি এসব বিক্ষোভে স্পষ্ট হয়ে উঠেছে।

১০৯ বার পড়া হয়েছে

শেয়ার করুন:

মন্তব্য

(0)

বিজ্ঞাপন
৩২০ x ৫০

বিজ্ঞাপন

৩০০ x ২৫০

এলাকার খবর

বিজ্ঞাপন

৩০০ x ২৫০















সর্বশেষ সব খবর
আন্তর্জাতিক নিয়ে আরও পড়ুন

বিজ্ঞাপন

২৫০ x ২৫০


বিজ্ঞাপন
৩২০ x ৫০