জাপানে আন্তর্জাতিক রোবটিক্স প্রতিযোগিতায় অষ্টম টাঙ্গাইলের ঈশমাম মুবীন
সোমবার, ২১ সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ৬:৪৩ অপরাহ্ন
শেয়ার করুন:
জাপানে অনুষ্ঠিত আন্তর্জাতিক রোবটিক্স প্রতিযোগিতা ‘ইউনিভার্সাল রোবটিক্স চ্যালেঞ্জ (ইউআরসি) ২০২৬’-এ অষ্টম স্থান অর্জন করেছেন বাংলাদেশের তরুণ প্রযুক্তি উদ্ভাবক টাঙ্গাইলের মির্জাপুরের ঈশমাম মুবীন। বিশ্বের ৩৪টি দেশের ১৪৫টি প্রতিদ্বন্দ্বী দলের অংশগ্রহণের এই প্রতিযোগিতায় তাঁর এই সাফল্য দেশের তরুণদের জন্য নতুন অনুপ্রেরণা তৈরি করেছে।
জাপানের ওসাকা শহরে অনুষ্ঠিত আন্তর্জাতিক রোবটিক্স প্রতিযোগিতা ‘ইউনিভার্সাল রোবটিক্স চ্যালেঞ্জ (ইউআরসি) ২০২৬’-এ অষ্টম স্থান অর্জন করেছেন বাংলাদেশের ঈশমাম মুবীন। টাঙ্গাইলের মির্জাপুরের এই তরুণ প্রযুক্তিপ্রেমী বিশ্বের বিভিন্ন দেশের প্রতিযোগীদের সঙ্গে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করে শীর্ষ দশে জায়গা করে নেন।
গত ১৯ সেপ্টেম্বর ওসাকার ঐতিহাসিক ওএমএম বিল্ডিং এক্সিবিশন হলে অনুষ্ঠিত হয় প্রতিযোগিতাটির দশম আসর। এতে বিশ্বের ৩৪টি দেশ থেকে ১৪৫টি দল অংশ নেয়। প্রতিযোগিতায় নিজস্ব প্রযুক্তি ও উদ্ভাবনী দক্ষতা প্রদর্শন করে ঈশমাম মুবীন অষ্টম স্থান অর্জন করেন।
‘আর্টেক এডুকেশনাল ফাউন্ডেশন’-এর উদ্যোগে আয়োজিত এবারের প্রতিযোগিতার মূল প্রতিপাদ্য ছিল ‘রোবটস টু দ্য রেসকিউ’। অর্থাৎ উদ্ধারকাজে রোবটের ব্যবহার। প্রাকৃতিক ও মানবসৃষ্ট বিভিন্ন দুর্যোগের সময় আধুনিক প্রযুক্তি কীভাবে মানুষের সহায়তায় ব্যবহার করা যায়, প্রতিযোগিতার বিভিন্ন পর্বে সেই বিষয়টিকেই গুরুত্ব দেওয়া হয়।
বিশ্বের বিভিন্ন দেশের প্রতিযোগীদের অংশগ্রহণের কারণে ইউআরসি তরুণদের রোবটিক্স, প্রোগ্রামিং ও প্রযুক্তিনির্ভর উদ্ভাবনী দক্ষতা প্রদর্শনের একটি আন্তর্জাতিক প্ল্যাটফর্ম হিসেবে বিবেচিত হয়। এমন একটি প্রতিযোগিতায় বাংলাদেশের হয়ে অষ্টম স্থান অর্জন করেছেন ঈশমাম।
ঈশমাম মুবীন টাঙ্গাইলের মির্জাপুরের বাসিন্দা। তাঁর বাবা দেওয়ান আব্দুল্লাহ আল মামুন কালিয়াকৈর সরকারি কলেজের গণিত বিভাগের অধ্যাপক। মা লিলি আক্তার ওয়ান ব্যাংকের একজন ব্যবস্থাপক। দুই ভাইবোনের মধ্যে ঈশমাম দ্বিতীয় সন্তান।
ঈশমামের এই সাফল্যে তাঁর পরিবার, শিক্ষক ও সহপাঠীদের মধ্যে আনন্দের সৃষ্টি হয়েছে। আন্তর্জাতিক পর্যায়ের রোবটিক্স প্রতিযোগিতায় তাঁর সাফল্য দেশের তরুণদের রোবটিক্স, কোডিং ও প্রযুক্তিভিত্তিক উদ্ভাবনে আগ্রহী হতে উৎসাহিত করবে বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্টরা।
টাঙ্গাইলের এই তরুণের অর্জন বাংলাদেশের তরুণদের আন্তর্জাতিক প্রযুক্তি প্রতিযোগিতায় অংশগ্রহণ এবং নিজেদের দক্ষতা তুলে ধরার সম্ভাবনাকেও সামনে এনেছে।
১৪৬ বার পড়া হয়েছে