সর্বশেষ

সারাদেশ

মাদারীপুরে পরীক্ষা ছাড়াই সড়ক সংস্কারে এমপির ক্ষোভ প্রকাশ

নজরুল ইসলাম পলাশ, মাদারীপুর
নজরুল ইসলাম পলাশ, মাদারীপুর

রবিবার, ১৩ সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ১২:৪৭ পূর্বাহ্ন

শেয়ার করুন:
মাদারীপুর সদর থেকে মোস্তফাপুর পর্যন্ত সড়ক পুনঃনির্মাণ ও সংস্কার কাজে চরম অনিয়মের অভিযোগ উঠেছে। পরীক্ষা-নিয়ন্ত্রণ ও মান যাচাই ছাড়াই নিম্নমানের সামগ্রী দিয়ে কাজ করার অভিযোগে সরেজমিনে পরিদর্শন করেছেন স্থানীয় সংসদ সদস্য জাহানদার আলী মিয়া। কাজের গুণগত মান নিশ্চিত না হওয়া পর্যন্ত সড়ক নির্মাণ কাজ বন্ধ রাখার নির্দেশ দিয়েছেন তিনি।

শনিবার দুপুরে মাদারীপুর-শরীয়তপুর আঞ্চলিক মহাসড়কের খাগদি এলাকায় চলমান সড়ক সংস্কার কাজ পরিদর্শনে যান মাদারীপুর-২ আসনের সংসদ সদস্য জাহানদার আলী মিয়া। সেখানে তিনি সড়ক নির্মাণে ব্যবহৃত পাথরসহ বিভিন্ন মেটেরিয়াল নিজে পরীক্ষা করে একাধিক অসঙ্গতি দেখতে পান। পরে ত্রুটিযুক্ত মেটেরিয়াল পুনরায় পরীক্ষা করে শতভাগ গুণগত মান নিশ্চিত করার পরই কাজ শুরু করার নির্দেশ দেওয়া হয়।

পরিদর্শনকালে অভিযোগ ওঠে যে, যথাযথ ল্যাব টেস্ট ও প্রকৌশলগত তদারকি ছাড়াই সড়কের সংস্কার কাজ দ্রুত এগিয়ে নেওয়া হচ্ছিল। স্থানীয় বাসিন্দাদের আশঙ্কা, কোটি কোটি টাকা ব্যয়ে নির্মিত এই সড়কের স্থায়িত্ব নিয়ে চরম অনিশ্চয়তা তৈরি হয়েছে। যথাযথ মানদণ্ড না মেনে কাজ করলে উদ্বোধনের অল্প সময়ের মধ্যেই সড়কটি আবারও ক্ষতিগ্রস্ত হবে।

এদিকে অনিয়ম ও তদারকি ঘাটতির বিষয়ে মাদারীপুর সড়ক বিভাগের উপ-সহকারী প্রকৌশলী জাহাঙ্গীর আলমের কাছে জানতে চাওয়া হলে তিনি কোনো সন্তোষজনক সদুত্তর দিতে পারেননি। স্থানীয় বাসিন্দা কাজল খান ক্ষোভ প্রকাশ করে বলেন, সরকারি টাকায় রাস্তা তৈরি হচ্ছে, অথচ আমাদের চোখের সামনে নিম্নমানের সামগ্রী ব্যবহার করা হচ্ছে। এই অনিয়ম তদন্ত করে দায়ীদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া উচিত।

তবে অভিযোগের বিষয়টি অস্বীকার করেছেন ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠানের প্রতিনিধি অভি ইসলাম। তিনি দাবি করেন, কাজ অত্যন্ত মানসম্মত উপায়ে করা হচ্ছে এবং তাদের প্রতিষ্ঠানের আগের কাজের রেকর্ডও যথেষ্ট ভালো।

সংশ্লিষ্ট বিভাগ সূত্রে জানা গেছে, ২০২৫-২৬ অর্থবছরে প্রায় ২৫ কোটি ১০ লাখ ৮২ হাজার টাকা ব্যয়ে এই সড়কটির পুনঃনির্মাণ প্রকল্প অনুমোদন দেওয়া হয়। চলতি বছরের মার্চে কাজ শুরু হলেও মাত্র কয়েক মাসের মাথায় সড়কটির বিভিন্ন অংশে ফাটল, গর্ত এবং দেবে যাওয়ার মতো গুরুতর লক্ষণ দেখা দেওয়ায় এলাকাবাসীর মধ্যে তীব্র ক্ষোভের সৃষ্টি হয়েছে।

১০৭ বার পড়া হয়েছে

শেয়ার করুন:

মন্তব্য

(0)

বিজ্ঞাপন
৩২০ x ৫০

বিজ্ঞাপন

৩০০ x ২৫০

এলাকার খবর

বিজ্ঞাপন

৩০০ x ২৫০















সর্বশেষ সব খবর
সারাদেশ নিয়ে আরও পড়ুন

বিজ্ঞাপন

২৫০ x ২৫০


বিজ্ঞাপন
৩২০ x ৫০