সর্বশেষ

সারাদেশ

কুষ্টিয়ায় পদ্মার পানি বেড়ে অর্ধলক্ষ মানুষ পানিবন্দী, সাপের আতঙ্ক

আতিয়ার রহমান, দৌলতপুর, কুষ্টিয়া
আতিয়ার রহমান, দৌলতপুর, কুষ্টিয়া

শুক্রবার, ১১ সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ৪:৩৮ অপরাহ্ন

শেয়ার করুন:
কুষ্টিয়ার দৌলতপুরে পদ্মার পানি বৃদ্ধি পাওয়ায় তলিয়ে গেছে বিস্তীর্ণ নিম্নাঞ্চল। এতে প্রায় অর্ধলক্ষাধিক মানুষ পানিবন্দী হয়ে পড়েছেন, যার সাথে যুক্ত হয়েছে বিষধর সাপের উপদ্রব। চরম দুর্ভোগ ও আতঙ্কের মধ্যে দিন কাটাচ্ছেন চরাঞ্চলের দুর্গত বাসিন্দারা।

ভারী বর্ষণ ও ভারতের উজান থেকে নেমে আসা পাহাড়ি ঢলে কুষ্টিয়ার দৌলতপুর উপজেলায় পদ্মা নদীর পানি হু হু করে বাড়ছে। পাবনা ওয়াটার হাইড্রোলজি বিভাগের তথ্যমতে, হার্ডিঞ্জ ব্রিজ পয়েন্টে নদীর পানি বিপৎসীমার মাত্র শূন্য দশমিক ৭৮ সেন্টিমিটার নিচ দিয়ে প্রবাহিত হচ্ছে। প্রতিদিন গড়ে প্রায় ১০ সেন্টিমিটার করে পানি বৃদ্ধি পাওয়ায় আশপাশের এলাকায় বন্যা পরিস্থিতি দ্রুত অবনতির দিকে যাচ্ছে।

পদ্মার এই পানি বৃদ্ধির ফলে উপজেলার রামকৃষ্ণপুর ও চিলমারী ইউনিয়নের ১৭টিরও বেশি গ্রাম প্লাবিত হয়েছে। গ্রামীণ সড়ক, বসতবাড়ি ও ফসলি জমি তলিয়ে যাওয়ায় প্রায় ৩০ থেকে ৫০ হাজার মানুষ পুরোপুরি পানিবন্দী হয়ে পড়েছেন। চরাঞ্চলের বহু শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে পানি প্রবেশ করায় পাঠদান কার্যক্রম অনির্দিষ্টকালের জন্য বন্ধ ঘোষণা করা হয়েছে।

বন্যাদুর্গতদের জন্য নতুন বিপদ হিসেবে দেখা দিয়েছে বিষধর সাপের উপদ্রব। বসতভিটা ও ঘরের ভেতর সাপের আনাগোনা বাড়ায় চরম আতঙ্কে রাত কাটছে বানভাসিদের। স্থানীয় ইউপি চেয়ারম্যানদের মতে, বন্যাকবলিত পরিবারগুলো শুকনো খাবার ও বিশুদ্ধ পানির সংকটে ভুগছে। তার ওপর সাপের ভয় তাদের জীবনকে অতিষ্ঠ করে তুলেছে। দুর্গত এলাকাগুলোতে দ্রুত জরুরি ওষুধ ও অ্যান্টিভেনের সরবরাহের দাবি জানিয়েছেন ভুক্তভোগীরা।

পরিস্থিতি মোকাবেলায় স্থানীয় প্রশাসন ইতোমধ্যে বন্যাদুর্গত এলাকা পরিদর্শন করেছে। ক্ষতিগ্রস্ত কিছু পরিবারের মাঝে জরুরি শুকনো খাবার বিতরণ করা হলেও তা প্রয়োজনের তুলনায় অপ্রতুল বলে মনে করছেন স্থানীয়রা। উপজেলা প্রশাসন জানিয়েছে, বানভাসিদের তালিকা তৈরির কাজ চলছে এবং পরিস্থিতি আরও খারাপ হলে তাদের দ্রুত আশ্রয়কেন্দ্রে সরিয়ে নেওয়ার প্রস্তুতি রয়েছে।

১৪২ বার পড়া হয়েছে

শেয়ার করুন:

মন্তব্য

(0)

বিজ্ঞাপন
৩২০ x ৫০

বিজ্ঞাপন

৩০০ x ২৫০

এলাকার খবর

বিজ্ঞাপন

৩০০ x ২৫০















সর্বশেষ সব খবর
সারাদেশ নিয়ে আরও পড়ুন

বিজ্ঞাপন

২৫০ x ২৫০


বিজ্ঞাপন
৩২০ x ৫০