রাষ্ট্রপতি নির্বাচনে কাকে ভোট দিলেন রুমিন
শুক্রবার, ২১ আগস্ট, ২০২৬ ১২:১১ পূর্বাহ্ন
শেয়ার করুন:
দীর্ঘ ৩৫ বছর পর প্রতিদ্বন্দ্বিতাপূর্ণ রাষ্ট্রপতি নির্বাচনে জাতীয় সংসদে ভোটগ্রহণ শেষ হয়েছে। বৃহস্পতিবার দুপুর ২টার পর সংসদ ভবনের সংসদ কক্ষে ভোট শুরু হয়ে বিকেল ৫টায় শেষ হয়। নির্বাচনে বিএনপির প্রার্থী মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীরের সঙ্গে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন জামায়াতে ইসলামীর নেতৃত্বাধীন ১১ দলীয় জোটের প্রার্থী ও লিবারেল ডেমোক্রেটিক পার্টির চেয়ারম্যান কর্নেল (অব.) অলি আহমদ।
দেশের ২৩তম রাষ্ট্রপতি নির্বাচনে বৃহস্পতিবার জাতীয় সংসদে ভোট দিয়েছেন সংসদ সদস্যরা। নির্বাচন পরিচালনা করছেন প্রধান নির্বাচন কমিশনার (সিইসি) ও নির্বাচনি কর্তা এ এম এম নাসির উদ্দিন। তাঁকে সহায়তার জন্য নির্বাচন কমিশন ২০ জন কর্মকর্তাকে সহায়ক কর্মকর্তা হিসেবে নিয়োগ দিয়েছে।
ভোটগ্রহণ শুরুর পর প্রথমে ভোট দেন ভারপ্রাপ্ত রাষ্ট্রপতি হাফিজ উদ্দিন আহমদ (বীর বিক্রম)। এরপর ভারপ্রাপ্ত স্পিকার ব্যারিস্টার কায়সার কামাল এবং প্রধানমন্ত্রী ও সংসদ নেতা তারেক রহমান ভোট দেন। পরে বিএনপির প্রার্থী মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর ভোট দেন।
এবারের নির্বাচনে মোট ভোটার ৩৪৯ জন সংসদ সদস্য। এর মধ্যে বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য মির্জা আব্বাস অসুস্থতার কারণে দেশের বাইরে থাকায় ভোট দিতে পারেননি। রাষ্ট্রপতি নির্বাচনে জয়ী হতে একজন প্রার্থীকে কমপক্ষে ১৭৫ ভোট পেতে হবে।
নির্বাচনকে ঘিরে বিশেষ কৌতূহল তৈরি হয়েছে স্বতন্ত্র সংসদ সদস্য রুমিন ফারহানাকে নিয়ে। ব্রাহ্মণবাড়িয়া-২ আসনের এই সংসদ সদস্য বিএনপির মনোনয়ন না পেয়ে পরে দল থেকে বহিষ্কৃত হন। বিকেল ৪টা পর্যন্ত তাঁকে ভোটকেন্দ্রে উপস্থিত হয়ে ভোট দিতে দেখা যায়নি। একই সময়ে ভোটকেন্দ্রে দেখা যায়নি জামায়াত থেকে বহিষ্কৃত সাতক্ষীরা-৪ আসনের সংসদ সদস্য গাজী নজরুল ইসলামকেও।
সংবিধানের ৭০ অনুচ্ছেদ অনুযায়ী, দলীয় সংসদ সদস্যরা দলের সিদ্ধান্তের বাইরে গিয়ে ভোট দিতে পারেন না। তবে স্বতন্ত্র সংসদ সদস্যদের ক্ষেত্রে এ বাধ্যবাধকতা নেই। ফলে রুমিন ফারহানা ও গাজী নজরুল ইসলাম দুই প্রার্থীর যেকোনো একজনকে ভোট দেওয়ার সুযোগ রাখেন।
দীর্ঘ বিরতির পর এবারই আবার প্রতিদ্বন্দ্বিতাপূর্ণ রাষ্ট্রপতি নির্বাচন অনুষ্ঠিত হচ্ছে। এর ফলে সংসদে দুই প্রার্থীর মধ্যে কে সংখ্যাগরিষ্ঠ ভোট পেয়ে দেশের পরবর্তী রাষ্ট্রপতি নির্বাচিত হন, তা নিয়ে রাজনৈতিক অঙ্গনে আগ্রহ তৈরি হয়েছে।
১১৭ বার পড়া হয়েছে