জয়পুরহাটে তফসিল ঘোষণার আগেই নির্বাচনী হাওয়া, মাঠে প্রার্থীরা
শনিবার, ১৫ আগস্ট, ২০২৬ ১১:৩০ অপরাহ্ন
শেয়ার করুন:
দেশে আগামী অক্টোবর মাসে স্থানীয় সরকার নির্বাচন অনুষ্ঠিত হতে পারে—এমন গুঞ্জনে সরগরম হয়ে উঠেছে জয়পুরহাটের রাজনীতির মাঠ। তফসিল ঘোষণা না হলেও ৫টি পৌরসভা ও ৩২টি ইউনিয়নে ব্যানার-ফেস্টুন আর কর্মী সমাবেশের মাধ্যমে প্রার্থিতার জানান দিচ্ছেন সম্ভাব্য প্রার্থীরা।
জয়পুরহাট জেলার ৫টি উপজেলা, ৫টি পৌরসভা এবং ৩২টি ইউনিয়নে বর্তমানে নির্বাচিত জনপ্রতিনিধি না থাকায় সেবাগ্রহীতারা চরম ভোগান্তির শিকার হচ্ছেন। এই স্থবিরতা কাটাতে এবং স্থানীয় প্রশাসনকে গতিশীল করতে সরকারের পক্ষ থেকে নির্বাচনের সম্ভাব্য সময় ঘোষণা করা হয়েছে। সে অনুযায়ী আগামী অক্টোবর মাসে স্থানীয় সরকার নির্বাচন অনুষ্ঠিত হতে পারে।
নির্বাচনের এই খবরের পর থেকেই পুরো জেলার শহর ও গ্রামে শুরু হয়েছে উৎসবমুখর নির্বাচনী আমেজ। বিভিন্ন হাটবাজার ও গুরুত্বপূর্ণ মোড়ে সম্ভাব্য প্রার্থীদের পোস্টার, ফেস্টুন ও বিলবোর্ড শোভা পাচ্ছে। বিশেষ করে ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচন ঘিরে প্রার্থীদের গণসংযোগ ও কর্মী সভা এখন প্রতিদিনের চিত্র হয়ে দাঁড়িয়েছে।
দলীয়ভাবে নির্বাচনী মাঠে তৎপরতাও বেশ জোরালো। বিএনপি থেকে প্রতিটি ইউনিয়নে একাধিক প্রার্থী মাঠে নেমেছেন এবং দলীয় কর্মী সমাবেশের মাধ্যমে নিজেদের প্রার্থিতার জানান দিচ্ছেন। অন্যদিকে, জামায়াতে ইসলামীর পক্ষ থেকে প্রতিটি ইউনিয়নে একক প্রার্থীর নাম ঘোষণা করায় তারা তুলনামূলক সুবিধাজনক অবস্থায় প্রচারণা চালাচ্ছেন।
নির্বাচনী তৎপরতার অংশ হিসেবে অতি সম্প্রতি জেলার কালাই উপজেলার জিন্দারপুর ইউনিয়নে বিএনপি এক বিশাল কর্মী সমাবেশের আয়োজন করে। বাখড়া মন্ডলপাড়া ঈদগাহ মাঠে আয়োজিত এই সমাবেশে তৃণমূলের নেতাকর্মী ও স্থানীয় বাসিন্দাদের ব্যাপক উপস্থিতি লক্ষ করা যায়। সমাবেশে বক্তারা ভোটের প্রস্তুতির পাশাপাশি সরকারের উন্নয়নমূলক কর্মকাণ্ডে সম্পৃক্ত হওয়ার আহ্বান জানান।
কালাইয়ের পাশাপাশি ক্ষেতলাল ও আক্কেলপুর উপজেলার বিভিন্ন ইউনিয়নেও একইভাবে নির্বাচনী প্রচারণা জমজমাট রূপ নিয়েছে। নির্বাচন ঘনিয়ে আসার সাথে সাথে জয়পুরহাটের রাজনীতির মাঠ আরও উষ্ণ হয়ে উঠবে বলে মনে করছেন স্থানীয় রাজনৈতিক সচেতন নাগরিকেরা।
১১৯ বার পড়া হয়েছে