কলাপাড়ায় স্কুল কমিটির সহ-সভাপতির আপত্তিকর ভিডিও ভাইরাল
বৃহস্পতিবার, ১৩ আগস্ট, ২০২৬ ১২:৪৮ পূর্বাহ্ন
শেয়ার করুন:
পটুয়াখালীর কলাপাড়ায় একটি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের ম্যানেজিং কমিটির সহ-সভাপতির আপত্তিকর ভিডিও সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ছড়িয়ে পড়ার পর ব্যাপক চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়েছে। অভিযুক্ত বশির মৃধার বিরুদ্ধে এর আগেও ধর্ষণ চেষ্টার মামলা থাকার খবর পাওয়া গেছে। ঘটনাটি নিয়ে এলাকায় তীব্র সমালোচনা শুরু হলে তদন্ত সাপেক্ষে ব্যবস্থা নেওয়ার কথা জানিয়েছে শিক্ষা প্রশাসন।
পটুয়াখালীর কলাপাড়া উপজেলার পক্ষিয়াপাড়া সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের ম্যানেজিং কমিটির সহ-সভাপতি বশির মৃধার একটি আপত্তিকর ভিডিও সম্প্রতি ফেসবুকে ছড়িয়ে পড়েছে। সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে এই ভিডিওটি প্রকাশ পাওয়ার পর থেকেই স্থানীয়দের মধ্যে তীব্র ক্ষোভ ও সমালোচনার সৃষ্টি হয়েছে। অভিযুক্ত বশির মৃধা উপজেলার বালিয়াতলী ইউনিয়নের ৬ নম্বর ওয়ার্ডের রহম আলী মৃধার ছেলে।
স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, বশির মৃধার বিরুদ্ধে এর আগেও ২০২৩ সালে এক গৃহবধূকে ধর্ষণের চেষ্টা চালানোর অভিযোগ উঠেছিল। ওই ঘটনায় ভুক্তভোগী গৃহবধূর স্বামীর দায়ের করা একটি মামলা বর্তমানে আদালতে বিচারাধীন রয়েছে। নতুন করে এই ভিডিওটি ভাইরাল হওয়ার পর তার নৈতিকতা নিয়ে নতুন করে প্রশ্ন উঠেছে।
ভাইরাল হওয়া ওই ভিডিওতে দেখা যায়, অভিযুক্ত ব্যক্তি ভিডিও কলে এক নারীর সঙ্গে আপত্তিকর অঙ্গভঙ্গি করছেন। তবে অপরপ্রান্তে থাকা নারীর পরিচয় এখনও জানা সম্ভব হয়নি। এই বিষয়ে বশির মৃধার সাথে যোগাযোগ করা হলে তিনি দাবি করেন, তাকে ফোন করে ২০ হাজার টাকা চাঁদা দাবি করা হয়েছিল। টাকা না দেওয়ায় এই ভিডিও ছড়ানো হয়েছে বলে তিনি অভিযোগ করেন, তবে ভিডিওর সত্যতা অস্বীকার করেছেন তিনি।
বিদ্যালয়ের ম্যানেজিং কমিটির সভাপতি খাদিজা আক্তার শারমিন জানিয়েছেন, ঘটনাটি অত্যন্ত দুঃখজনক এবং সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ছড়িয়ে পড়া ভিডিওটির সত্যতা যাচাইয়ের জন্য তদন্ত করা হবে। অভিযোগ প্রমাণিত হলে অভিযুক্তের বিরুদ্ধে দ্রুত প্রাতিষ্ঠানিক ও আইনি ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
এদিকে কলাপাড়া উপজেলা প্রাথমিক শিক্ষা কর্মকর্তা মোসা. সাহিদা বেগম স্পষ্ট জানিয়ে দিয়েছেন যে, এ ধরনের চারিত্রিক স্খলনজনিত অভিযোগে অভিযুক্ত কোনো ব্যক্তি বিদ্যালয়ের ম্যানেজিং কমিটিতে থাকার যোগ্যতা রাখেন না। বিষয়টি খতিয়ে দেখে উপজেলা পরিষদের সিদ্ধান্ত অনুযায়ী কঠোর ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।
১০৮ বার পড়া হয়েছে