সর্বশেষ

সারাদেশ

কলাপাড়ায় ভেঙে পড়া মসজিদ সংস্কারে যুবদল নেতার উদ্যোগ

এ এম মিজানুর রহমান বুলেট, কলাপাড়া (পটুয়াখালী)
এ এম মিজানুর রহমান বুলেট, কলাপাড়া (পটুয়াখালী)

বুধবার, ২৯ জুলাই, ২০২৬ ৯:৩১ অপরাহ্ন

শেয়ার করুন:
পটুয়াখালীর কলাপাড়ায় মেঝে ভেঙে পড়া সেই ঐতিহাসিক বায়তুল মামুর জামে মসজিদের সংস্কার কাজ শুরু হয়েছে। স্থানীয় যুবদল নেতা গাজী মো. সুমনের ব্যক্তিগত অর্থায়নে মসজিদটির বালু ভরাট ও সংস্কারের উদ্যোগ নেওয়ায় স্বস্তি ফিরেছে মুসল্লিদের মাঝে। একই সাথে এলাকার অন্যান্য ধর্মীয় উপাসনালয়ের উন্নয়নেও ভূমিকা রেখে প্রশংসায় ভাসছেন এই সমাজসেবক।
মসজিদ সংস্কারে যুবদল নেতার উদ্যোগ

উপজেলার টিয়াখালী ইউনিয়নের পূর্ব রজপাড়া বায়তুল মামুর জামে মসজিদে সম্প্রতি ঘটে যাওয়া অনাকাঙ্ক্ষিত দুর্ঘটনার পর মুসল্লিরা চরম বিপাকে পড়েন। আছরের নামাজের সময় হঠাৎ মেঝে ধসে পড়ার কারণে দীর্ঘ দিন খোলা আকাশের নিচে বা কাঁচা সড়কে নামাজ আদায় করতে হচ্ছিল তাঁদের। এই চরম দুর্ভোগের চিত্র দেখে এগিয়ে আসেন কলাপাড়া উপজেলা যুবদলের যুগ্ম আহ্বায়ক এবং সম্ভাব্য ইউপি চেয়ারম্যান প্রার্থী গাজী মো. সুমন।

ঘটনাস্থল পরিদর্শন করে তিনি দ্রুততম সময়ের মধ্যে মসজিদটি পুনর্নির্মাণের আশ্বাস দেন। তাঁরই নিজস্ব আর্থিক সহায়তায় বর্তমানে ধসে যাওয়া স্থানে বালু ভরাটের কাজ পুরোদমে এগিয়ে চলছে। বালু ভরাট শেষ হওয়ার পর আধুনিক পদ্ধতিতে স্থায়ী মেঝে বা পাটাতন নির্মাণ করা হবে, যাতে ভবিষ্যতে কোনো ধরনের দুর্ঘটনার ঝুঁকি না থাকে।

একই ইউনিয়নের পশ্চিম টিয়াখালী গ্রামের সিকদার বাড়ি জামে মসজিদেও সুমনের মানবিক হাতের ছোঁয়া লেগেছে। স্থানীয়দের সহায়তায় মসজিদ ভবনের মূল অবকাঠামো গড়ে উঠলেও শুধু তহবিলের অভাবে দেয়ালের প্লাস্টার বা আস্তর করার কাজ আটকে ছিল। যুবদল নেতার ত্বরিত অনুদানে এখন সেই কাজও সমাপ্তির পথে। এতে এলাকার ধর্মপ্রাণ মানুষের মাঝে বাঁধভাঙা আনন্দের সৃষ্টি হয়েছে।

টিয়াখালী ইউনিয়নের বিভিন্ন সামাজিক ও ধর্মীয় প্রতিষ্ঠানে নিয়মতান্ত্রিক অনুদান দেওয়ার পাশাপাশি সুমনের মানবিকতা এখন মুখে মুখে। সাধারণ চাষী, প্রান্তিক দিনমজুর ও দুস্থ পরিবারগুলোর যে কোনো সংকটকালীন প্রয়োজনে তিনি সবার আগে সাড়া দেন। তাঁর এই জনহিতকর আচরণে স্থানীয় বাসিন্দারা মনে করেন, এলাকার সার্বিক উন্নয়নের জন্য তাঁর মতো সমাজসেবককে জনপ্রতিনিধি হিসেবে পাওয়া অত্যন্ত জরুরি।

নিজের এই মহতি উদ্যোগ প্রসঙ্গে গাজী মো. সুমন জানান, সাধারণ মুসল্লিদের এবাদত করার ক্ষেত্রে কোনো কষ্ট সহ্য করা যায় না। আল্লাহর ঘরের উন্নয়ন ও সাধারণ মানুষের পাশে দাঁড়ানোকে তিনি নিজের নৈতিক দায়িত্ব মনে করেন এবং ভবিষ্যতেও এই ধারা বজায় রাখার প্রত্যয় ব্যক্ত করেন।

১১৭ বার পড়া হয়েছে

শেয়ার করুন:

মন্তব্য

(0)

বিজ্ঞাপন
৩২০ x ৫০
বিজ্ঞাপন

বিজ্ঞাপন

৩০০ x ২৫০

বিজ্ঞাপন
এলাকার খবর

বিজ্ঞাপন

৩০০ x ২৫০

বিজ্ঞাপন














সর্বশেষ সব খবর
সারাদেশ নিয়ে আরও পড়ুন

বিজ্ঞাপন

২৫০ x ২৫০

বিজ্ঞাপন

বিজ্ঞাপন
৩২০ x ৫০
বিজ্ঞাপন