মানবতা
ক্ষমতার ক্ষুধা ও বিপন্ন মানবতা
ইতিহাসের পাতা ওল্টালে একটি নির্মম সত্য বারবার উন্মোচিত হয়—সাম্রাজ্যের নাম বদলায়, শাসকের মুখোশ বদলায়, কিন্তু আধিপত্যের আদিম ও নিষ্ঠুর চরিত্রটি কখনো বদলায় না। খ্রিস্টপূর্ব হাজার বছর আগের ফারাওদের প্রাচীন মিশরীয় সাম্রাজ্য, পারস্য, ইউরোপ-এশিয়া কাঁপানো রোমান সাম্রাজ্য, মধ্যযুগের বাইজেন্টাইন সাম্রাজ্য, মঙ্গোলীয় সাম্রাজ্য এবং আধুনিক যুগের অটোম্যান সাম্রাজ্য ও ঔপনিবেশিক যুগের ‘সূর্য অস্ত না যাওয়া’ ব্রিটিশ রাজত্ব, কিংবা আজকের আধুনিক যুগের নব্য-সাম্রাজ্যবাদী পরাশক্তি—সবারই মূল চালিকাশক্তি ছিল প্রায় এক। সীমাহীন লোভ এবং ক্ষমতার অপপ্রয়োগ। শক্তির এই মদমত্ততায় যুগে যুগে পিষ্ট হয়েছে সাধারণ মানুষ। ক্ষমতার বাগিচা সম্প্রসারণের এই রক্তাক্ত মহড়ায় আজ বিশ্বজুড়ে কোটি কোটি মানুষের দীর্ঘশ্বাস, ক্ষুধা, মঙ্গা ও মৃত্যুর এক অন্তহীন মিছিল তৈরি হয়েছে।
গাজায় যুদ্ধবিরতি চুক্তি: মানুষের আশা, দ্বন্দ্বের সমাপ্তি ও মানবতার জয়
বিশ্বজুড়ে দীর্ঘশ্বাস ফেলে মানুষের অপেক্ষা, অবশেষে বহুল কাঙ্ক্ষিত গাজা যুদ্ধবিরতি চুক্তিতে সম্মত হয়েছে ইসরায়েল ও হামাস।
মানবতার আলোয় দীপ্ত সাধক শাহসুফী খাজা ফয়েজ উদ্দিন (রহ:)
বাংলার আধ্যাত্মিক ইতিহাসে শাহসুফী খাজা ফয়েজ উদ্দিন (রহ:) এমন এক অনন্য নাম, যার জীবনধারা, শিক্ষা ও কর্মধারা যুগে যুগে মানবতার আলোকবর্তিকা হয়ে উঠেছে।
রক্তের এক ফোঁটায় জীবন, মানবতার বন্ধনে ‘রক্তিম বন্ধন’
দক্ষিণাঞ্চলের হাসপাতালে যখন এক ব্যাগ রক্তের অভাবে থমকে যায় অপারেশন থিয়েটার, চোখের সামনে নিঃশ্বাস বন্ধ হয়ে আসে একজন মায়ের, শিশুর কিংবা আহত দুর্ঘটনার শিকার রোগীরা—ঠিক তখনই জীবনরক্ষার লড়াইয়ে নামে একদল তরুণ।
গাজা: মানবতার সামনে এক নির্মম প্রশ্ন
গাজা উপত্যকা আজ এক হৃদয়বিদারক মৃত্যুকূপ। এখানে শিশুরা ক্ষুধায় কাঁদে, মায়েরা চোখের জল ফেলে আর কিছুই করতে পারে না।