থাইল্যান্ড সফর শেষে দেশে ফিরেছেন স্পিকার
শুক্রবার, ২৪ জুলাই, ২০২৬ ৭:০১ অপরাহ্ন
শেয়ার করুন:
চিকিৎসার জন্য থাইল্যান্ড সফরে থাকা জাতীয় সংসদের স্পিকার হাফিজ উদ্দিন আহমদ নির্ধারিত সময়ের দুই দিন আগেই দেশে ফিরেছেন। এদিকে রাষ্ট্রপতি মোহাম্মদ সাহাবুদ্দিনের সম্ভাব্য পদত্যাগ নিয়ে বিভিন্ন মহলে আলোচনা চলার মধ্যে স্পিকারের আগাম প্রত্যাবর্তন নতুন করে জল্পনার জন্ম দিয়েছে। তবে রাষ্ট্রপতির পদত্যাগ বিষয়ে সরকারিভাবে এখনো কোনো নিশ্চিত তথ্য পাওয়া যায়নি।
চিকিৎসার উদ্দেশ্যে গত ১৯ জুলাই থাইল্যান্ডের রাজধানী ব্যাংককে যান জাতীয় সংসদের স্পিকার হাফিজ উদ্দিন আহমদ। পূর্বনির্ধারিত সূচি অনুযায়ী তাঁর ২৬ জুলাই দেশে ফেরার কথা থাকলেও তিনি শুক্রবার (২৪ জুলাই) দুপুর সোয়া ১২টার দিকে থাই এয়ারওয়েজের একটি ফ্লাইটে ঢাকার হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে পৌঁছান।
স্পিকারের নির্ধারিত সময়ের আগেই দেশে ফেরাকে ঘিরে রাজনৈতিক অঙ্গনে নতুন আলোচনা শুরু হয়েছে। সম্প্রতি রাষ্ট্রপতি মোহাম্মদ সাহাবুদ্দিন পদত্যাগ করতে পারেন—এমন গুঞ্জন বিভিন্ন মাধ্যমে ছড়িয়ে পড়ার পর এই আগাম প্রত্যাবর্তনকে কেন্দ্র করে জল্পনা আরও বেড়েছে।
বাংলাদেশের সংবিধান অনুযায়ী, রাষ্ট্রপতি পদত্যাগ করতে চাইলে তিনি জাতীয় সংসদের স্পিকারের কাছে পদত্যাগপত্র জমা দেন। একই সঙ্গে নতুন রাষ্ট্রপতি নির্বাচিত না হওয়া পর্যন্ত স্পিকার ভারপ্রাপ্ত রাষ্ট্রপতির দায়িত্ব পালন করেন।
মোহাম্মদ সাহাবুদ্দিন ২০২৩ সালে আওয়ামী লীগের মনোনয়নে বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় পাঁচ বছরের জন্য রাষ্ট্রপতি নির্বাচিত হন।
রাষ্ট্রপতির পদত্যাগের গুঞ্জন প্রসঙ্গে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদ সাংবাদিকদের বলেন, সংবিধান অনুযায়ী রাষ্ট্রপতি স্বাস্থ্যগত বা অন্য যেকোনো কারণে পদত্যাগ করতে পারেন। তবে এ ধরনের কোনো সিদ্ধান্ত বা পদত্যাগের বিষয়ে সরকারের কাছে নিশ্চিত তথ্য নেই।
সরকার এ বিষয়ে কোনো পদক্ষেপ নিচ্ছে কি না—এমন প্রশ্নের জবাবে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, সরকারের পক্ষ থেকে এ বিষয়ে কোনো পদক্ষেপ নেই। গণমাধ্যমে পদত্যাগের গুঞ্জনের কথা প্রকাশিত হলেও সরকারিভাবে এ বিষয়ে কিছু জানা নেই।
এখন পর্যন্ত রাষ্ট্রপতির পদত্যাগ নিয়ে সরকার বা রাষ্ট্রপতির কার্যালয় থেকে আনুষ্ঠানিক কোনো ঘোষণা দেওয়া হয়নি। ফলে বিষয়টি নিয়ে যে আলোচনা চলছে, তা এখনো নিশ্চিত তথ্যের ভিত্তিতে নয়।
১৩৮ বার পড়া হয়েছে