সর্বশেষ

সারাদেশ

চট্টগ্রামে শিশু আয়নী ধর্ষণচেষ্টার পর হত্যা: রুবেলের মৃত্যুদণ্ড

হাসান ফেরদৌস, চট্টগ্রাম
হাসান ফেরদৌস, চট্টগ্রাম

সোমবার, ২০ জুলাই, ২০২৬ ১০:০২ অপরাহ্ন

শেয়ার করুন:
চট্টগ্রামের পাহাড়তলীতে নয় বছরের শিশু আয়নীকে ধর্ষণের চেষ্টা, পরে হত্যা এবং লাশ গুমের ঘটনায় দায়ের করা মামলায় মো. রুবেলকে মৃত্যুদণ্ড দিয়েছেন আদালত। একই সঙ্গে তাকে পৃথক ধারায় যাবজ্জীবন কারাদণ্ড, ১০ বছরের সশ্রম কারাদণ্ড এবং অর্থদণ্ডও দেওয়া হয়েছে।
আসামি মো. রুবেল

চট্টগ্রামের নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনাল-২ শিশু আয়নী হত্যা মামলায় আসামি মো. রুবেলের বিরুদ্ধে মৃত্যুদণ্ডের রায় দিয়েছেন। সোমবার (২০ জুলাই) ট্রাইব্যুনালের বিচারক মোহাম্মদ সাইফুর রহমান এই রায় ঘোষণা করেন।

রাষ্ট্রপক্ষের আইনজীবী মাহমুদ-উল আলম চৌধুরী মারুফ বলেন, মামলায় ২৪ জন সাক্ষীর সাক্ষ্য ও উপস্থাপিত প্রমাণে ধর্ষণের চেষ্টা ব্যর্থ হওয়ার পর শিশুটিকে হত্যার অভিযোগ সন্দেহাতীতভাবে প্রমাণিত হয়েছে। আদালত দণ্ডবিধির ৩০২ ধারায় রুবেলকে মৃত্যুদণ্ড দেন।

এ ছাড়া আদালত পৃথক ধারায় তাকে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড এবং আরও একটি ধারায় ১০ বছরের সশ্রম কারাদণ্ডের পাশাপাশি ৫ হাজার টাকা অর্থদণ্ডের আদেশ দেন। রায় ঘোষণার সময় আসামি আদালতে উপস্থিত ছিলেন।

মামলার তথ্য অনুযায়ী, ২০২৩ সালের ২১ মার্চ চতুর্থ শ্রেণির শিক্ষার্থী আয়নী নিখোঁজ হয়। পরিবারের পক্ষ থেকে দীর্ঘ সময় খোঁজাখুঁজির পরও তার সন্ধান না মেলায় শিশুটির মা পাহাড়তলী থানায় একটি সাধারণ ডায়েরি (জিডি) করেন।

তদন্তের একপর্যায়ে স্থানীয় সবজি বিক্রেতা মো. রুবেলের সম্পৃক্ততার তথ্য পেয়ে তাকে গ্রেপ্তার করে পুলিশ। পরে তার দেওয়া তথ্যের ভিত্তিতে নিখোঁজের নয় দিন পর পাহাড়তলীর মুরগি ফার্ম এলাকার একটি ডোবা থেকে আয়নীর গলিত মরদেহ উদ্ধার করা হয়। ঘটনাস্থল থেকে শিশুটির ব্যবহৃত পোশাক ও স্যান্ডেলও উদ্ধার করা হয়।

গ্রেপ্তারের পর রুবেল ফৌজদারি কার্যবিধির ১৬৪ ধারায় আদালতে স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি দেন।

তদন্ত শেষে পুলিশ রুবেলের বিরুদ্ধে অপহরণ, ধর্ষণের চেষ্টা, হত্যা এবং লাশ গুমের অভিযোগে আদালতে অভিযোগপত্র দাখিল করে। অভিযোগপত্র গ্রহণের পর আদালতে বিচার কার্যক্রম শুরু হয়।

আদালত-সংশ্লিষ্ট সূত্র জানায়, পূর্বপরিচয়ের সুযোগ নিয়ে বিড়ালছানা দেওয়ার কথা বলে রুবেল শিশুটিকে একটি খালি বাসায় নিয়ে যান। সেখানে ধর্ষণের চেষ্টা ব্যর্থ হলে শ্বাসরোধে তাকে হত্যা করা হয়। পরে মরদেহ বস্তাবন্দি করে সবজিবাহী ভ্যানে করে একটি ডোবায় ফেলে দেওয়া হয়।

গ্রেপ্তারের পর থেকে আসামি মো. রুবেল কারাগারে রয়েছেন।

১৬৬ বার পড়া হয়েছে

শেয়ার করুন:

মন্তব্য

(0)

বিজ্ঞাপন
৩২০ x ৫০
বিজ্ঞাপন

বিজ্ঞাপন

৩০০ x ২৫০

বিজ্ঞাপন
এলাকার খবর

বিজ্ঞাপন

৩০০ x ২৫০

বিজ্ঞাপন














সর্বশেষ সব খবর
সারাদেশ নিয়ে আরও পড়ুন

বিজ্ঞাপন

২৫০ x ২৫০

বিজ্ঞাপন

বিজ্ঞাপন
৩২০ x ৫০
বিজ্ঞাপন