সর্বশেষ

সারাদেশ

ঈশ্বরদীতে বিএনপি নেতার বিরুদ্ধে সংবর্ধনা পণ্ডের অভিযোগ

কলিট তালুকদার, পাবনা
কলিট তালুকদার, পাবনা

বৃহস্পতিবার, ২ জুলাই, ২০২৬ ৪:৫৫ পূর্বাহ্ন

শেয়ার করুন:
পাবনার ঈশ্বরদীতে একটি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের ভারপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষকের অবসরজনিত বিদায় সংবর্ধনা অনুষ্ঠান ভাঙচুর করে পণ্ড করার অভিযোগ উঠেছে। এ ঘটনায় বিদ্যালয়ের ম্যানেজিং কমিটি সংবাদ সম্মেলন করে প্রতিবাদ জানিয়েছে। তবে অভিযোগ অস্বীকার করে জেলা বিএনপির আহ্বায়ক হাবিবুর রহমান হাবিব বলেছেন, ঘটনার সঙ্গে তাঁর কোনো সম্পৃক্ততা নেই।
সংবর্ধনা পণ্ডের অভিযোগে সংবাদ সম্মেলন

পাবনার ঈশ্বরদী উপজেলার জগন্নাথপুর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের অবসরপ্রাপ্ত ভারপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষক জহুরুল ইসলামের বিদায় সংবর্ধনা অনুষ্ঠান পণ্ড করার অভিযোগে বুধবার (১ জুলাই) দুপুরে ঈশ্বরদী প্রেসক্লাবে সংবাদ সম্মেলন করেছে বিদ্যালয়ের ম্যানেজিং কমিটি।

সংবাদ সম্মেলনে লিখিত বক্তব্য পাঠ করেন বিদ্যালয় পরিচালনা কমিটির সভাপতি ফজলুর রহমান। তিনি অভিযোগ করেন, মঙ্গলবার (৩০ জুন) বিদ্যালয়ের পক্ষ থেকে দীর্ঘ শিক্ষকতা জীবনের সমাপ্তি উপলক্ষে জহুরুল ইসলামের বিদায় সংবর্ধনার আয়োজন করা হয়েছিল। অনুষ্ঠানে জেলা বিএনপির আহ্বায়ক হাবিবুর রহমান হাবিবকে অতিথি হিসেবে আমন্ত্রণ না জানানোকে কেন্দ্র করে একদল ব্যক্তি ক্ষুব্ধ হয়ে অনুষ্ঠানে বাধা দেন।

সংবর্ধনা পণ্ড

লিখিত বক্তব্যে আরও অভিযোগ করা হয়, অনুষ্ঠান শুরুর আগে ১২ থেকে ১৫ জন লাঠিসোঁটা নিয়ে মঞ্চে হামলা চালান। এ সময় চেয়ার-টেবিল ভাঙচুর, ব্যানার ছিঁড়ে ফেলা এবং শিক্ষার্থীদের জন্য প্রস্তুত করা খাবার নষ্ট করা হয়। এতে অনুষ্ঠানটি আর আয়োজন করা সম্ভব হয়নি।

সংবাদ সম্মেলনে আবেগাপ্লুত হয়ে সদ্য অবসরপ্রাপ্ত শিক্ষক জহুরুল ইসলাম বলেন, বিদ্যালয় প্রতিষ্ঠার পর থেকেই তিনি সেখানে শিক্ষকতা করেছেন। অবসরের শেষ দিনে সহকর্মী, শিক্ষার্থী, অভিভাবক ও পরিচালনা কমিটির সদস্যরা তাঁকে বিদায় জানানোর জন্য আয়োজন করেছিলেন। কিন্তু সেই অনুষ্ঠান ভণ্ডুল হয়ে যাওয়ায় শিক্ষার্থীদের হাতে খাবার তুলে দিতে পারেননি। তাঁকে দেওয়ার জন্য আনা উপহারও বিদ্যালয়ে পড়ে রয়েছে। এ ঘটনার কষ্ট তিনি সারাজীবন বয়ে বেড়াবেন বলে জানান।

সংবর্ধনা অনুষ্ঠানে পণ্ড

এ বিষয়ে জেলা বিএনপির আহ্বায়ক হাবিবুর রহমান হাবিব মুঠোফোনে বলেন, একটি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষকের বিদায় অনুষ্ঠানে তাঁর যাওয়ার প্রশ্নই ওঠে না। তিনি দাবি করেন, অনুষ্ঠানে এমন কিছু ব্যক্তিকে অতিথি করা হয়েছিল, যাঁরা অতীতে দাড়িপাল্লা প্রতীকে নির্বাচন করেছিলেন। এ কারণে স্থানীয় লোকজন ক্ষুব্ধ হয়ে থাকতে পারেন। তবে হামলা বা ভাঙচুরের ঘটনা নিন্দনীয় উল্লেখ করে তিনি বলেন, এ ঘটনার সঙ্গে তাঁর কোনো সম্পৃক্ততা বা দায় নেই।

ঘটনার বিষয়ে প্রশাসনের পক্ষ থেকে তাৎক্ষণিক কোনো বক্তব্য পাওয়া যায়নি।

১২৪ বার পড়া হয়েছে

শেয়ার করুন:

মন্তব্য

(0)

বিজ্ঞাপন
৩২০ x ৫০
বিজ্ঞাপন

বিজ্ঞাপন

৩০০ x ২৫০

বিজ্ঞাপন
এলাকার খবর

বিজ্ঞাপন

৩০০ x ২৫০

বিজ্ঞাপন














সর্বশেষ সব খবর
সারাদেশ নিয়ে আরও পড়ুন

বিজ্ঞাপন

২৫০ x ২৫০

বিজ্ঞাপন

বিজ্ঞাপন
৩২০ x ৫০
বিজ্ঞাপন