সর্বশেষ

জাতীয়

মঙ্গলবার শেষ শ্রদ্ধার জন্য নেয়া হবে বিটিভি, শহীদ মিনার ও চারুকলায়

স্টাফ রিপোর্টার
স্টাফ রিপোর্টার

সোমবার, ২৯ জুন, ২০২৬ ১১:১৩ অপরাহ্ন

শেয়ার করুন:
বরেণ্য চিত্রশিল্পী, শিল্পশিক্ষক ও সাংস্কৃতিক ব্যক্তিত্ব মুস্তাফা মনোয়ারের দাফন সম্পন্ন হবে মঙ্গলবার বিকেলে রাজধানীর বনানী কবরস্থানে। এর আগে বাংলাদেশ টেলিভিশন (বিটিভি), কেন্দ্রীয় শহীদ মিনার এবং ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের চারুকলা অনুষদে সর্বস্তরের মানুষের শ্রদ্ধা নিবেদনের জন্য তাঁর মরদেহ রাখা হবে।

মঙ্গলবার মুস্তাফা মনোয়ার শেষ শ্রদ্ধা দেয়া হবে বিটিভি, শহীদ মিনার ও চারুকলায়

দেশের বিশিষ্ট চিত্রশিল্পী ও সাংস্কৃতিক ব্যক্তিত্ব মুস্তাফা মনোয়ারকে মঙ্গলবার বিকেলে রাজধানীর বনানী কবরস্থানে দাফন করা হবে। পরিবারের সদস্য ও স্বজনদের সঙ্গে আলোচনা করে তাঁর শেষ বিদায়ের কর্মসূচি চূড়ান্ত করা হয়েছে।

চিত্রশিল্পী মনিরুজ্জামান জানান, মঙ্গলবার সকাল ৯টায় মুস্তাফা মনোয়ারের মরদেহ প্রথমে বাংলাদেশ টেলিভিশন (বিটিভি) প্রাঙ্গণে নেওয়া হবে। দীর্ঘ কর্মজীবনে বিটিভির সঙ্গে যুক্ত থাকার কারণে সেখানে তাঁর প্রথম জানাজা অনুষ্ঠিত হবে।

এরপর সকাল সাড়ে ১০টায় মরদেহ নেওয়া হবে কেন্দ্রীয় শহীদ মিনারে। দুপুর সাড়ে ১২টা পর্যন্ত সেখানে সর্বস্তরের মানুষের শ্রদ্ধা নিবেদনের জন্য রাখা হবে।

শহীদ মিনারে শ্রদ্ধা নিবেদন শেষে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের কেন্দ্রীয় মসজিদে দ্বিতীয় জানাজা অনুষ্ঠিত হবে। পরে মরদেহ নেওয়া হবে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের চারুকলা অনুষদে। দীর্ঘদিন শিক্ষকতা করা এই প্রতিষ্ঠানে সহকর্মী, বর্তমান ও সাবেক শিক্ষার্থীরা তাঁদের প্রিয় শিক্ষককে শেষ শ্রদ্ধা জানাবেন।

চারুকলা অনুষদের আনুষ্ঠানিকতা শেষে মঙ্গলবার বিকেলে বনানী কবরস্থানে তাঁকে দাফন করা হবে। বিভিন্ন সাংস্কৃতিক সংগঠন, শিল্পী, সাহিত্যিক, শিক্ষার্থী এবং সর্বস্তরের মানুষ এসব কর্মসূচিতে অংশ নিয়ে শ্রদ্ধা জানাবেন।

সোমবার দুপুরে রাজধানীর ধানমন্ডির তাকওয়া মসজিদে গোসল সম্পন্ন হওয়ার পর মুস্তাফা মনোয়ারের মরদেহ তাঁর ধানমন্ডির বাসভবনে নেওয়া হয়। সেখানে পরিবারের সদস্য, আত্মীয়স্বজন, সহকর্মী, শুভানুধ্যায়ী ও গুণগ্রাহীরা শেষ শ্রদ্ধা জানান। পরে মরদেহ সংরক্ষণের জন্য স্কয়ার হাসপাতালের হিমঘরে রাখা হয়।

চিত্রশিল্পী মনিরুজ্জামান বলেন, দেশের মানুষের শ্রদ্ধা জানানোর সুযোগ করে দিতেই ধাপে ধাপে এসব কর্মসূচি নির্ধারণ করা হয়েছে। পাশাপাশি বাংলাদেশ টেলিভিশন ও চারুকলা অনুষদের সঙ্গে মুস্তাফা মনোয়ারের দীর্ঘ কর্মজীবনের প্রতি সম্মান জানিয়ে সেখানে মরদেহ নেওয়ার সিদ্ধান্ত হয়েছে।

সোমবার সকালে রাজধানীর একটি হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় মুস্তাফা মনোয়ার মারা যান। ১৯৩৫ সালের ১ সেপ্টেম্বর মাগুরা জেলার নাকোল গ্রামে তাঁর জন্ম। তাঁর পৈতৃক বাড়ি ঝিনাইদহের শৈলকূপা উপজেলার মনোহরপুর গ্রামে। তিনি প্রখ্যাত কবি গোলাম মোস্তফার সন্তান।

দীর্ঘ কর্মজীবনে চিত্রকলা, শিশুতোষ অনুষ্ঠান নির্মাণ, টেলিভিশন এবং দেশের সাংস্কৃতিক অঙ্গনে গুরুত্বপূর্ণ অবদান রাখেন মুস্তাফা মনোয়ার। শিল্প ও সংস্কৃতিতে অসামান্য অবদানের স্বীকৃতিস্বরূপ তিনি ২০০৪ সালে একুশে পদকে ভূষিত হন।

মুস্তাফা মনোয়ারের মৃত্যুতে দেশের শিল্প, সংস্কৃতি ও গণমাধ্যম অঙ্গনে গভীর শোকের ছায়া নেমে এসেছে। তাঁর কর্ম ও সৃজনশীল অবদান ভবিষ্যৎ প্রজন্মের জন্য অনুপ্রেরণা হয়ে থাকবে।

১১৯ বার পড়া হয়েছে

শেয়ার করুন:

মন্তব্য

(0)

বিজ্ঞাপন
৩২০ x ৫০
বিজ্ঞাপন

বিজ্ঞাপন

৩০০ x ২৫০

বিজ্ঞাপন
এলাকার খবর

বিজ্ঞাপন

৩০০ x ২৫০

বিজ্ঞাপন














সর্বশেষ সব খবর
জাতীয় নিয়ে আরও পড়ুন

বিজ্ঞাপন

২৫০ x ২৫০

বিজ্ঞাপন

বিজ্ঞাপন
৩২০ x ৫০
বিজ্ঞাপন