সর্বশেষ

জাতীয়

তুরাগ থেকে ৩ লাশ উদ্ধার: ফেসবুকের গুজব নিয়ে পুলিশের সতর্কতা

স্টাফ রিপোর্টার
স্টাফ রিপোর্টার

রবিবার, ২৮ জুন, ২০২৬ ৫:৩২ অপরাহ্ন

শেয়ার করুন:
ঢাকার তুরাগ নদ থেকে দুই দিনের ব্যবধানে তিনজনের মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ। নিহতদের মধ্যে রয়েছেন মো. সুমন (১৮), আরিফ হাসান রাকিব (২০) ও রনি মোল্লা (৩৫)। পৃথক ঘটনায় সংশ্লিষ্ট থানায় অপমৃত্যুর মামলা হয়েছে। এদিকে সামাজিক মাধ্যমে আওয়ামী লীগের কয়েকজন নেতাকর্মীর নিখোঁজ ও মরদেহ উদ্ধারের দাবি ছড়িয়ে পড়লেও পুলিশ সদর দপ্তর এ ধরনের তথ্যকে ভিত্তিহীন বলে জানিয়েছে।

মো. সুমন (১৮)

ঢাকার তুরাগ নদ থেকে দুই দিনের ব্যবধানে তিনজনের মরদেহ উদ্ধারের ঘটনায় এলাকায় চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়েছে। নিহতদের মধ্যে মো. সুমন (১৮) ও আরিফ হাসান রাকিব (২০) রাজধানীর তুরাগের রানাভোলা এলাকার বাসিন্দা। অপরজন রনি মোল্লা (৩৫), যিনি মনিপুর এলাকার বাসিন্দা এবং দিয়াবাড়ীর একটি রেস্টুরেন্টে কর্মরত ছিলেন।

পুলিশ জানায়, গত শুক্রবার আশুলিয়া বাজারসংলগ্ন তুরাগ নদ থেকে মো. সুমনের অর্ধগলিত মরদেহ উদ্ধার করা হয়। পরিবারের সদস্যরা ঘটনাস্থলে গিয়ে মরদেহটি শনাক্ত করেন। তিনি গত ২২ জুন বাসা থেকে বের হওয়ার পর নিখোঁজ ছিলেন। এ ঘটনায় তাঁর ভাই আশুলিয়া থানায় একটি অপমৃত্যুর মামলা করেছেন। সুমন স্থানীয় একটি আড়তে কাঁচামালের ব্যবসা করতেন।

এর আগে বুধবার তুরাগ নদ থেকে আরিফ হাসান রাকিবের মরদেহ উদ্ধার করে নৌ পুলিশ। পরিবার সূত্রে জানা যায়, তিনিও ২২ জুন বাসা থেকে বের হওয়ার পর থেকে নিখোঁজ ছিলেন। ওই দিন বিকেলে মায়ের সঙ্গে সর্বশেষ মোবাইল ফোনে কথা হয়েছিল তাঁর। পরে নদী থেকে মরদেহ উদ্ধারের পর তাঁর চাচা মো. আরশাদুল ইসলাম বাদী হয়ে অপমৃত্যুর মামলা করেন।

একই দিনে দিয়াবাড়ী ঘাট এলাকা থেকে রনি মোল্লার মরদেহ উদ্ধার করা হয়। তাঁর বাবা কফিল উদ্দিন মোল্লা জানান, রনি দিয়াবাড়ীর একটি রেস্টুরেন্টে কাজ করতেন। পরিবারের ধারণা, বাসায় ফেরার পথে পরিচিত এক ব্যক্তির সঙ্গে গোসল করতে নেমে তিনি দুর্ঘটনার শিকার হতে পারেন। তাঁর মৃত্যু নিয়েও সাভার মডেল থানায় অপমৃত্যুর মামলা হয়েছে।

এদিকে সুমনের পরিবারের সদস্যরা জানান, তাঁর একটি ফেসবুক অ্যাকাউন্টে বিভিন্ন সময় রাজনৈতিক কর্মসূচির ভিডিও প্রকাশ করা হয়েছিল। সুমনের মরদেহ উদ্ধারের পর সামাজিক মাধ্যমে কয়েকটি পোস্টে দাবি করা হয়, একটি রাজনৈতিক কর্মসূচির পর কয়েকজন নেতাকর্মী নিখোঁজ হয়েছেন এবং তাঁদের মধ্যে কয়েকজনের মরদেহ তুরাগ নদ থেকে উদ্ধার করা হয়েছে।

তবে এ বিষয়ে পুলিশ সদর দপ্তর এক বিবৃতিতে জানিয়েছে, তুরাগ নদে নির্দিষ্ট কোনো রাজনৈতিক দলের সাত নেতাকর্মীর মরদেহ ভাসছে—এমন দাবি সম্পূর্ণ ভিত্তিহীন। সামাজিক মাধ্যমে প্রচারিত এ ধরনের অপপ্রচারে বিভ্রান্ত না হওয়ার জন্য সবাইকে আহ্বান জানিয়েছে পুলিশ।

আশুলিয়া থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মোহাম্মদ তরিকুল ইসলাম বলেন, খবর পেয়ে পুলিশ নদী থেকে মরদেহ উদ্ধার করে এবং পরে পরিবারের সদস্যরা সেটিকে সুমনের মরদেহ হিসেবে শনাক্ত করেন।

পুলিশ জানিয়েছে, তিনটি মৃত্যুর ঘটনাই পৃথকভাবে তদন্তাধীন রয়েছে। মৃত্যুর প্রকৃত কারণ জানতে আইনগত প্রক্রিয়া অব্যাহত আছে।

১১৫ বার পড়া হয়েছে

শেয়ার করুন:

মন্তব্য

(0)

বিজ্ঞাপন
৩২০ x ৫০
বিজ্ঞাপন

বিজ্ঞাপন

৩০০ x ২৫০

বিজ্ঞাপন
এলাকার খবর

বিজ্ঞাপন

৩০০ x ২৫০

বিজ্ঞাপন














সর্বশেষ সব খবর
জাতীয় নিয়ে আরও পড়ুন

বিজ্ঞাপন

২৫০ x ২৫০

বিজ্ঞাপন

বিজ্ঞাপন
৩২০ x ৫০
বিজ্ঞাপন