তিস্তার পানি বিপৎসীমার ১১ সেন্টিমিটার নিচে, স্বস্তিতে ১০ হাজার পরিবারে
বুধবার, ২৪ জুন, ২০২৬ ৪:২৪ অপরাহ্ন
শেয়ার করুন:
নীলফামারীর ডালিয়া পয়েন্টে তিস্তা নদীর পানি কমে বর্তমানে বিপৎসীমার ১১ সেন্টিমিটার নিচ দিয়ে প্রবাহিত হচ্ছে। মঙ্গলবার বিকেলে পানি বিপৎসীমার ১ সেন্টিমিটার ওপর দিয়ে প্রবাহিত হওয়ায় নদীতীরবর্তী এলাকায় উদ্বেগ দেখা দিলেও পানি কমতে শুরু করায় স্বস্তি ফিরেছে তিস্তাপাড়ের প্রায় ১০ হাজার পরিবারের মধ্যে।
নীলফামারীর ডালিয়া পয়েন্টে তিস্তা নদীর পানি কমে যাওয়ায় নদীতীরবর্তী নিম্নাঞ্চলের বাসিন্দাদের মধ্যে স্বস্তি ফিরে এসেছে। পানি উন্নয়ন বোর্ড (পাউবো) জানিয়েছে, বুধবার সকাল থেকে ডালিয়া পয়েন্টে তিস্তার পানি বিপৎসীমার ১১ সেন্টিমিটার নিচ দিয়ে প্রবাহিত হচ্ছে।
পাউবোর ডালিয়া ডিভিশনের নির্বাহী প্রকৌশলী অমিতাভ চৌধুরী জানান, মঙ্গলবার বিকেল ৩টায় ডালিয়া পয়েন্টে পানির উচ্চতা ছিল ৫২ দশমিক ১৬ মিটার, যা বিপৎসীমার ১ সেন্টিমিটার ওপরে ছিল। এই পয়েন্টে বিপৎসীমা নির্ধারণ করা হয়েছে ৫২ দশমিক ১৫ মিটার।
এদিকে ভারতের সেন্ট্রাল ওয়াটার কমিশনের তথ্য অনুযায়ী, তিস্তার উজানে দোমোহনী পয়েন্টে মঙ্গলবার দুপুর ২টায় পানির প্রবাহ স্থানীয় বিপৎসীমার ৩৭ সেন্টিমিটার নিচে ছিল। তবে একই সময়ে বাংলাদেশের ডালিয়া ব্যারেজ থেকে প্রায় ২৫ কিলোমিটার দূরে ভারতের মেখলিগঞ্জ পয়েন্টে তিস্তার পানি বিপৎসীমার ১০ সেন্টিমিটার ওপরে প্রবাহিত হয়েছে।
পানি কমে যাওয়ায় নীলফামারীর ডিমলা উপজেলার পূর্ব ছাতনাই, খগাখড়িবাড়ী, টেপাখড়িবাড়ী, খালিসা চাপানী, ঝুনাগাছ চাপানী ও গয়াবাড়ী ইউনিয়নসহ জলঢাকা উপজেলার গোলমুন্ডা, ডাউয়াবাড়ী ও শৌলমারী ইউনিয়নের নিম্নাঞ্চলের প্রায় ১০ হাজার পরিবার স্বস্তি পেয়েছে।
তবে পরিস্থিতি স্বাভাবিক হলেও নদীতীরবর্তী এলাকায় সতর্ক নজরদারি অব্যাহত রয়েছে বলে জানিয়েছে পানি উন্নয়ন বোর্ড। পাউবোর কর্মকর্তারা বলছেন, উজানের বৃষ্টিপাত ও পানির প্রবাহের ওপর সার্বক্ষণিক নজর রাখা হচ্ছে এবং স্থানীয় প্রশাসনের সঙ্গে সমন্বয় করে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে।
১৪১ বার পড়া হয়েছে