সর্বশেষ

সারাদেশ

মেঘনা নদীতে ড্রেজিংয়ের প্রতিবাদে আশুগঞ্জে মহাসড়ক অবরোধ

মনিরুজ্জামান পলাশ, ব্রাহ্মণবাড়িয়া
মনিরুজ্জামান পলাশ, ব্রাহ্মণবাড়িয়া

মঙ্গলবার, ৩০ জুন, ২০২৬ ১১:১৫ অপরাহ্ন

শেয়ার করুন:
ব্রাহ্মণবাড়িয়ার আশুগঞ্জ উপজেলার চর সোনারমপুর এলাকায় মেঘনা নদীতে ড্রেজার দিয়ে মাটি কাটার অভিযোগে স্থানীয় বাসিন্দারা প্রায় দুই ঘণ্টা ঢাকা-সিলেট মহাসড়ক অবরোধ করেন। এতে মহাসড়কের উভয় পাশে দীর্ঘ যানজটের সৃষ্টি হয় এবং শত শত যাত্রী দুর্ভোগে পড়েন। পরে উপজেলা প্রশাসনের আশ্বাসে অবরোধ প্রত্যাহার করা হলে যান চলাচল স্বাভাবিক হতে শুরু করে।
সড়ক অবরোধ

ব্রাহ্মণবাড়িয়ার আশুগঞ্জ উপজেলার চর সোনারমপুর এলাকায় মেঘনা নদীতে ড্রেজার দিয়ে অবৈধভাবে মাটি কাটার অভিযোগ তুলে মঙ্গলবার বিক্ষোভ করেন স্থানীয় বাসিন্দারা।

প্রথমে নদীর তীরে মানববন্ধন কর্মসূচি পালন করেন তারা। পরে চর সোনারমপুর থেকে আশুগঞ্জ বাজার হয়ে আশুগঞ্জ গোলচত্বর পর্যন্ত একটি বিক্ষোভ মিছিল বের করা হয়। মিছিল শেষে আন্দোলনকারীরা ঢাকা-সিলেট মহাসড়কের আশুগঞ্জ গোলচত্বরে অবস্থান নিয়ে অবরোধ কর্মসূচি পালন করেন।

অবরোধের কারণে প্রায় দুই ঘণ্টা মহাসড়কে যান চলাচল বন্ধ থাকে। এতে মহাসড়কের উভয় পাশে কয়েক কিলোমিটার দীর্ঘ যানজটের সৃষ্টি হয়। দূরপাল্লা ও স্থানীয় রুটের শত শত যাত্রী এবং বিভিন্ন যানবাহনের চালক দীর্ঘ সময় আটকা পড়ে ভোগান্তিতে পড়েন।

বিক্ষোভকারীদের অভিযোগ, ভৈরবের ইজারাভুক্ত একটি ড্রেজার দিয়ে রাতের আঁধারে চর সোনারমপুর এলাকায় নদীর তীর কেটে মাটি উত্তোলন করা হচ্ছে। তাদের দাবি, এতে নদীভাঙনের ঝুঁকি বেড়েছে এবং স্থানীয় বসতভিটা, ফসলি জমিসহ আশপাশের গুরুত্বপূর্ণ স্থাপনা হুমকির মুখে পড়তে পারে।

আন্দোলনকারীদের ভাষ্য অনুযায়ী, মাটি কাটার কারণে ২৩২ কেভি জাতীয় গ্রিড লাইন, আশুগঞ্জ বন্দর, আশুগঞ্জ বাজার, আশুগঞ্জ বিদ্যুৎকেন্দ্র, আশুগঞ্জ ধানের মোকাম, আশুগঞ্জ সারকারখানা, মিডল্যান্ড পাওয়ার পয়েন্ট, সৈয়দ নজরুল ইসলাম সেতু, দুটি রেলসেতু, চরচারতলা গ্রাম এবং পানিশ্বর গ্রাম ঝুঁকির মধ্যে রয়েছে।

বিক্ষোভকারীরা জানান, চর সোনারমপুর এলাকা থেকে ড্রেজার সরিয়ে অন্যত্র নেওয়া না হলে তারা আন্দোলন চালিয়ে যাবেন। প্রয়োজনে আরও কঠোর কর্মসূচি ঘোষণারও হুঁশিয়ারি দেন তারা।

পরে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার আশ্বাসের পর দুপুর আড়াইটার দিকে অবরোধ প্রত্যাহার করা হয়। এরপর ধীরে ধীরে ঢাকা-সিলেট মহাসড়কে যান চলাচল স্বাভাবিক হয়ে আসে।

এ বিষয়ে আশুগঞ্জ উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা রাফে মোহাম্মদ ছড়া বলেন, খবর পেয়ে প্রশাসন তাৎক্ষণিকভাবে মেঘনা নদীতে অভিযান পরিচালনা করে। তবে প্রশাসনের উপস্থিতি টের পেয়ে সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিরা সরে যান। আশুগঞ্জ অংশে কোনো ড্রেজার পাওয়া না যাওয়ায় কাউকে আটক করা সম্ভব হয়নি। তিনি জানান, মেঘনা নদীতে নিয়মিত অভিযান পরিচালনা করা হচ্ছে এবং এ কার্যক্রম অব্যাহত থাকবে।

১১৬ বার পড়া হয়েছে

শেয়ার করুন:

মন্তব্য

(0)

বিজ্ঞাপন
৩২০ x ৫০
বিজ্ঞাপন

বিজ্ঞাপন

৩০০ x ২৫০

বিজ্ঞাপন
এলাকার খবর

বিজ্ঞাপন

৩০০ x ২৫০

বিজ্ঞাপন














সর্বশেষ সব খবর
সারাদেশ নিয়ে আরও পড়ুন

বিজ্ঞাপন

২৫০ x ২৫০

বিজ্ঞাপন

বিজ্ঞাপন
৩২০ x ৫০
বিজ্ঞাপন