নরসিংদীতে স্টার্টআপ, বিজ্ঞান প্রকল্প ও উদ্ভাবনী ধারণা প্রদর্শন প্রতিযোগিতা: গোবিন্দপুর উচ্চ বিদ্যালয়ের প্রকল্প চ্যাম্পিয়ন
সোমবার, ১৫ জুন, ২০২৬ ৫:০৬ পূর্বাহ্ন
শেয়ার করুন:
নরসিংদী জেলায় শিক্ষার্থীদের সৃজনশীলতা, বিজ্ঞানমনস্কতা ও উদ্ভাবনী চিন্তাকে উৎসাহিত করতে জেলা পর্যায়ে অনুষ্ঠিত হয়েছে “স্টার্টআপ, বিজ্ঞান প্রকল্প এবং উদ্ভাবনী ধারণা প্রদর্শন কর্মসূচি” প্রতিযোগিতা। এতে “কলা গাছের কাণ্ড থেকে পরিবেশবান্ধব প্লাস্টিক তৈরি” প্রকল্প প্রথম স্থান অর্জন করেছে।
“মেধা-বিজ্ঞান-উদ্ভাবনের দেশ, সবার আগে বাংলাদেশ” প্রতিপাদ্যকে সামনে রেখে মাধ্যমিক ও উচ্চ শিক্ষা বিভাগের অধীন সেকেন্ডারি এডুকেশন ডেভেলপমেন্ট প্রোগ্রাম (এসইডিপি)-এর আওতায় আয়োজিত এ প্রতিযোগিতা অনুষ্ঠিত হয় নরসিংদী সদর উপজেলার অমৃতসাগর মিলনায়তনে।
দিনব্যাপী আয়োজিত এই অনুষ্ঠানে জেলার বিভিন্ন উপজেলার বিজয়ী শিক্ষার্থীরা তাদের উদ্ভাবনী প্রকল্প উপস্থাপন করে। গত ১২ জুন ছয়টি উপজেলায় অনুষ্ঠিত প্রাথমিক পর্যায়ের প্রতিযোগিতা থেকে বিজয়ী দলগুলো জেলা পর্যায়ে অংশগ্রহণ করে।
প্রতিযোগিতায় অংশ নেয়—
“ভূ-তাপীয় বিদ্যুৎ কেন্দ্র” প্রকল্প (সদর উপজেলা)
“স্মার্ট কিউআর কৃষি” প্রকল্প (পলাশ উপজেলা)
“পরবর্তী প্রজন্মের পরিবেশবান্ধব স্মার্ট শহর” প্রকল্প (শিবপুর উপজেলা)
“নারী নিরাপত্তা ব্রেসলেট” প্রকল্প (বেলাব উপজেলা)
“ইন্টারনেট অব থিংস ভিত্তিক বিদ্যুৎ চুরি শনাক্তকরণ ব্যবস্থা” প্রকল্প (মনোহরদী উপজেলা)
“কলা গাছের কাণ্ড থেকে পরিবেশবান্ধব প্লাস্টিক তৈরি” প্রকল্প (রায়পুরা উপজেলা)
বিচারকদের মূল্যায়নে প্রথম স্থান অর্জন করে রায়পুরা উপজেলার গোবিন্দপুর উচ্চ বিদ্যালয়ের “কলা গাছের কাণ্ড থেকে সহজেই পরিবেশবান্ধব প্লাস্টিক তৈরি” প্রকল্প। পরিবেশ সুরক্ষা ও টেকসই উন্নয়নের দৃষ্টিভঙ্গির কারণে প্রকল্পটি বিশেষ প্রশংসা পায়।
দ্বিতীয় স্থান অর্জন করে মনোহরদী উপজেলার “ইন্টারনেট অব থিংস ভিত্তিক বিদ্যুৎ চুরি শনাক্তকরণ ব্যবস্থা” প্রকল্প এবং তৃতীয় স্থান অর্জন করে সদর উপজেলার “ভূ-তাপীয় বিদ্যুৎ কেন্দ্র” প্রকল্প।
অনুষ্ঠানে বিচারক হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন শিক্ষা ও কল্যাণ শাখার সহকারী কমিশনার ও নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট মো. খালিদ হোসেন শিমুল, নরসিংদী সরকারি কলেজের সহকারী অধ্যাপক মাইন উদ্দিন, জেলা শিক্ষা কর্মকর্তা এ.এস.এম আব্দুল খালেকসহ অন্যান্য শিক্ষাবিদরা।
সমাপনী অনুষ্ঠানে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) আসমা জাহান সরকার বিজয়ীদের মাঝে সনদপত্র ও ক্রেস্ট বিতরণ করেন। উদ্বোধনী পর্বে উপস্থিত ছিলেন জেলা সিভিল সার্জন ডা. বুলবুল কবীর এবং অতিরিক্ত জেলা ম্যাজিস্ট্রেট এম. সাজ্জাদুল হাসান।
আয়োজকরা জানান, শিক্ষার্থীদের উদ্ভাবনী দক্ষতা, সমস্যা সমাধান ক্ষমতা ও উদ্যোক্তা মনোভাব বিকাশে এ ধরনের আয়োজন ভবিষ্যতেও অব্যাহত থাকবে।
১১৪ বার পড়া হয়েছে