নড়াইলে স্টার্টআপ ও ইনোভেশন শোকেসিং প্রোগ্রামে জেলা চ্যাম্পিয়ন নড়াইল সরকারি বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়
সোমবার, ১৫ জুন, ২০২৬ ৪:৫৫ পূর্বাহ্ন
শেয়ার করুন:
নড়াইলে অনুষ্ঠিত “স্টার্টআপ, সায়েন্স প্রজেক্ট অ্যান্ড ইনোভেশন আইডিয়া শোকেসিং প্রোগ্রাম”-এ কৃষি বিষয়ক অ্যাপ “কৃষি বন্ধু” উদ্ভাবনের মাধ্যমে জেলা পর্যায়ে চ্যাম্পিয়ন হয়েছে নড়াইল সরকারি বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়। শিক্ষার্থীদের এই উদ্ভাবনী প্রকল্পটি এখন জাতীয় পর্যায়ের প্রতিযোগিতায় অংশ নেবে।
শিক্ষার্থীদের বিজ্ঞানচর্চা, উদ্ভাবনী চিন্তা ও উদ্যোক্তা মনোভাব বিকাশের লক্ষ্যে মাধ্যমিক ও উচ্চ শিক্ষা অধিদপ্তরের এডুকেশনাল এক্সিলেন্স সাপোর্ট স্কিম (ইইএসএস)-এর উদ্যোগে নড়াইলে আয়োজন করা হয় “স্টার্টআপ, সায়েন্স প্রজেক্ট অ্যান্ড ইনোভেশন আইডিয়া শোকেসিং প্রোগ্রাম”।
রবিবার (১৪ জুন) সকাল থেকে দুপুর পর্যন্ত নড়াইল সদর উপজেলা পরিষদ মিলনায়তনে অনুষ্ঠিত এই প্রতিযোগিতায় তিনটি উপজেলার বিজয়ী শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান অংশগ্রহণ করে। বিচারকদের মূল্যায়নে নড়াইল সরকারি বালিকা উচ্চ বিদ্যালয় জেলা পর্যায়ে চ্যাম্পিয়ন হওয়ার গৌরব অর্জন করে। একই প্রতিযোগিতায় লোহাগড়া উপজেলার মরিচপাশা মাধ্যমিক বিদ্যালয় দ্বিতীয় স্থান লাভ করে।
চ্যাম্পিয়ন হওয়া নড়াইল সরকারি বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়ের দলটি কৃষি বিষয়ক মোবাইল অ্যাপ “কৃষি বন্ধু” উদ্ভাবন করে, যা কৃষকদের দৈনন্দিন কাজে সহায়তা ও কৃষি ব্যবস্থাপনায় প্রযুক্তির ব্যবহারকে সহজ করবে বলে আশা করা হচ্ছে।
বিজয়ী দলের নেতৃত্ব দেন বিদ্যালয়ের গণিত বিভাগের সহকারী শিক্ষক সুব্রত চক্রবর্তী। দলে আরও ছিলেন সহকারী শিক্ষক নূর এ আলম জাহিদ এবং শিক্ষার্থী নাজিফা জান্নাত, অণু বিশ্বাস ও অন্বেষা মিত্র।
সমাপনী ও পুরস্কার বিতরণী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি ছিলেন নড়াইল-২ আসনের সংসদ সদস্য মো. আতাউর রহমান। অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন নড়াইলের অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক শারমিনা সাত্তার। স্বাগত বক্তব্য দেন জেলা শিক্ষা কর্মকর্তা মো. জামাল উদ্দিন। বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন জেলা বিএনপির সাংগঠনিক সম্পাদক মাহবুব মোরশেদ জাপল, অবসরপ্রাপ্ত অধ্যক্ষ মো. মনিরুজ্জামান মল্লিক এবং নড়াইল প্রেসক্লাবের সাধারণ সম্পাদক মাহবুবুর রশিদ লাবলু।
বক্তারা তরুণ প্রজন্মের উদ্ভাবনী শক্তির প্রশংসা করে বলেন, এ ধরনের আয়োজন স্মার্ট বাংলাদেশ গঠনে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে।
অনুষ্ঠান শেষে বিজয়ী দলের হাতে পুরস্কার, সম্মাননা স্মারক ও সনদপত্র তুলে দেওয়া হয়।
১৩০ বার পড়া হয়েছে