সর্বশেষ

সারাদেশ

মোংলায় কোস্ট গার্ডের ভাসমান স্টেশনে হামলা, মামলা ৩ শতাধিকের বিরুদ্ধে; আটক ৬

মাসুদ রানা, মোংলা
মাসুদ রানা, মোংলা

শনিবার, ১৩ জুন, ২০২৬ ৪:১৯ পূর্বাহ্ন

শেয়ার করুন:
মোংলার সুন্দরবনসংলগ্ন এলাকায় নিরাপত্তা ও চোরাচালান দমন কার্যক্রমে নিয়োজিত বাংলাদেশ কোস্ট গার্ডের একটি ভাসমান স্টেশনে হামলা, ভাঙচুর ও সংঘর্ষের ঘটনায় মামলা দায়ের করা হয়েছে। ঘটনায় ৪৪ জনের নাম উল্লেখসহ অজ্ঞাতনামা আরও প্রায় ৩০০ জনকে আসামি করা হয়েছে। এ ঘটনায় যৌথ বাহিনীর অভিযানে এখন পর্যন্ত ৬ জনকে আটক করা হয়েছে।

বৃহস্পতিবার (১১ জুন) দুপুরে মোংলার চিলা ইউনিয়নের জয়মনিরঘোল এলাকায় সুন্দরবনসংলগ্ন শ্যালার খালে স্থাপিত ভাসমান কোস্ট গার্ড স্টেশনে এ সংঘর্ষের ঘটনা ঘটে। অভিযোগ অনুযায়ী, লাঠিসোঁটা ও দেশীয় অস্ত্র নিয়ে একদল লোক স্টেশনে অতর্কিত হামলা চালিয়ে সরকারি সম্পত্তি ভাঙচুর করে এবং কোস্ট গার্ড সদস্যদের সঙ্গে সংঘর্ষে জড়িয়ে পড়ে। এতে কোস্ট গার্ডের অন্তত তিনজন সদস্য আহত হন।

ঘটনার পর ওই এলাকায় যৌথ বাহিনী অভিযান চালায় এবং রাতভর চিরুনি তল্লাশিতে ৬ জনকে আটক করে। পরে শুক্রবার (১২ জুন) তাদের আদালতের মাধ্যমে কারাগারে পাঠানো হয়।

আটক ব্যক্তিদের মধ্যে রয়েছেন জয়মনি এলাকার স্থানীয় কয়েকজন বাসিন্দা ও একটি রাজনৈতিক সংগঠনের স্থানীয় নেতা-সমর্থক। পুলিশ জানিয়েছে, তাদের বিরুদ্ধে মামলার এজাহারভুক্ত আসামি হিসেবে আইনি প্রক্রিয়া চলমান রয়েছে।

কোস্ট গার্ডের পক্ষ থেকে জানানো হয়, জয়মনিরঘোল অঞ্চলটি দীর্ঘদিন ধরে বনদস্যুতা, চোরাচালান, অবৈধভাবে মাছ আহরণ ও বন্যপ্রাণী পাচারের রুট হিসেবে ব্যবহৃত হয়ে আসছিল। ওই এলাকায় ভাসমান স্টেশন স্থাপনের পর থেকে এসব অপরাধমূলক কর্মকাণ্ড কমে যায় বলে দাবি তাদের। তাদের মতে, কার্যক্রম বাধাগ্রস্ত করতেই পরিকল্পিতভাবে এই হামলা চালানো হয়েছে।

অন্যদিকে স্থানীয়দের একটি অংশের দাবি, সংঘর্ষের সূত্রপাত হয় নিখোঁজ ‘মিরাজ শেখ’ নামের এক যুবকের খোঁজ নিতে কোস্ট গার্ড স্টেশনে গেলে। তাদের অভিযোগ, কথাবার্তার এক পর্যায়ে উত্তেজনা সৃষ্টি হয়ে পরিস্থিতি সংঘর্ষে রূপ নেয় এবং পরে হামলা ও ভাঙচুরের ঘটনা ঘটে।

এদিকে ঘটনার পর পুরো জয়মনি এলাকায় উত্তেজনা ও আতঙ্ক বিরাজ করছে। গ্রেফতার আতঙ্কে অনেক পুরুষ এলাকা ছেড়ে চলে গেছে এবং কিছু পরিবার পাশের এলাকায় আশ্রয় নিয়েছে বলে জানা গেছে।

মোংলা উপজেলা থানার পুলিশ জানায়, পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে রাখতে এলাকায় অতিরিক্ত নজরদারি ও অভিযান অব্যাহত রয়েছে। ভিডিও ফুটেজ ও স্থানীয় তথ্যের ভিত্তিতে জড়িতদের শনাক্ত করে গ্রেফতারের চেষ্টা চলছে।

১০৭ বার পড়া হয়েছে

শেয়ার করুন:

মন্তব্য

(0)

বিজ্ঞাপন
৩২০ x ৫০
বিজ্ঞাপন

বিজ্ঞাপন

৩০০ x ২৫০

বিজ্ঞাপন
এলাকার খবর

বিজ্ঞাপন

৩০০ x ২৫০

বিজ্ঞাপন














সর্বশেষ সব খবর
সারাদেশ নিয়ে আরও পড়ুন

বিজ্ঞাপন

২৫০ x ২৫০

বিজ্ঞাপন

বিজ্ঞাপন
৩২০ x ৫০
বিজ্ঞাপন