সর্বশেষ

সারাদেশ

নড়াইলে বিদেশ পাঠানোর নামে প্রতারণার অভিযোগ: সৌদিতে কর্মহীন যুবক

স্টাফ রিপোর্টার, নড়াইল
স্টাফ রিপোর্টার, নড়াইল

মঙ্গলবার, ৯ জুন, ২০২৬ ২:৪৩ অপরাহ্ন

শেয়ার করুন:
নড়াইলে এক যুবককে সৌদি আরবে ভালো বেতনের চাকরির আশ্বাস দিয়ে বিদেশ পাঠানোর পর প্রতারণার শিকার করার অভিযোগ উঠেছে এক আদম ব্যাপারীর বিরুদ্ধে।

অভিযোগ অনুযায়ী, ভিন্ন ভিসায় পাঠিয়ে তাকে কর্মহীন অবস্থায় ফেলে রাখা হয়েছে বলে ভুক্তভোগী পরিবার দাবি করছে।

ভুক্তভোগী পরিবারের পক্ষ থেকে এ ঘটনায় নড়াইল সদর আমলী আদালতে একটি মামলা দায়ের করা হয়েছে। আদালত মামলাটি তদন্তের জন্য জেলা গোয়েন্দা পুলিশকে (ডিবি) দায়িত্ব দিয়েছে।

ভুক্তভোগী মঞ্জুরুল হকের পরিবার জানায়, নড়াইল পৌরসভার মহিষখোলার বাসিন্দা মঞ্জুরুল হককে সৌদি আরবে ইনডোর ক্লিনার পদে দেড় হাজার সৌদি রিয়াল বেতনে চাকরির আশ্বাস দেন আদম ব্যাপারী আমিনুর রহমান পিয়াস।

এই আশ্বাসে বিদেশ পাঠানোর খরচ বাবদ ধাপে ধাপে প্রায় সাড়ে ৭ লাখ টাকা গ্রহণ করা হয় বলে অভিযোগ করা হয়। পরবর্তীতে কাগজপত্র সম্পন্ন করার অজুহাতে আরও ২ লাখ টাকা দাবি করা হয় বলেও অভিযোগে উল্লেখ রয়েছে।

পরবর্তীতে ২০২৫ সালের ২৮ অক্টোবর মঞ্জুরুল হককে সৌদি আরবে পাঠানো হয়।

ভুক্তভোগী মঞ্জুরুল হক অভিযোগ করেন, সৌদি আরবে পৌঁছানোর পর তাকে একটি অস্বাস্থ্যকর আবাসনে রাখা হয় এবং কয়েকদিন কোনো কাজের ব্যবস্থা করা হয়নি। পরে তিনি জানতে পারেন তাকে প্রতিশ্রুত ইনডোর ক্লিনার ভিসার পরিবর্তে ভিন্ন ধরনের ৯০ দিনের ওয়ার্ক ভিসায় পাঠানো হয়েছে।

বর্তমানে কাজ না থাকায় তাকে পরিবার থেকে অর্থ পাঠিয়ে জীবনযাপন করতে হচ্ছে বলেও তিনি জানান।

ভুক্তভোগীর স্ত্রী পারভিন বেগম জানান, বিষয়টি জানার পর তারা আদম ব্যাপারী পিয়াসের সঙ্গে যোগাযোগ করলে তিনি অতিরিক্ত ২ লাখ টাকা দাবি করেন। এ নিয়ে বাকবিতণ্ডার পর তাদের বাসা থেকে বের করে দেওয়া হয় বলেও অভিযোগ করা হয়।

পরবর্তীতে ভুক্তভোগী পরিবার ন্যায়বিচারের আশায় আদালতের শরণাপন্ন হয় এবং মামলা দায়ের করে।

মামলার বাদীপক্ষের আইনজীবী জানান, আদালত মামলাটি আমলে নিয়ে নড়াইল জেলা গোয়েন্দা পুলিশকে (ডিবি) তদন্তের দায়িত্ব দিয়েছে। তদন্ত শেষে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে বলে আশা প্রকাশ করেন তিনি।

অভিযুক্ত আমিনুর রহমান পিয়াস অভিযোগ অস্বীকার করে বলেন, তিনি বৈধভাবে কোম্পানির মাধ্যমে সৌদি আরবে পাঠিয়েছেন এবং পরবর্তীতে ভিসার শর্ত অনুযায়ী কাজ করার কথা ছিল। তবে ভুক্তভোগী নির্ধারিত কোম্পানিতে না গিয়ে অন্যত্র চলে যাওয়ায় সমস্যা তৈরি হয়েছে বলে তিনি দাবি করেন।

স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, আমিনুর রহমান পিয়াসের বিরুদ্ধে এর আগেও বিদেশ পাঠানোর নামে প্রতারণার একাধিক অভিযোগ ও মামলা রয়েছে। এতে অনেক পরিবার আর্থিকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে বলেও অভিযোগ উঠেছে।

১২০ বার পড়া হয়েছে

শেয়ার করুন:

মন্তব্য

(0)

বিজ্ঞাপন
৩২০ x ৫০
বিজ্ঞাপন

বিজ্ঞাপন

৩০০ x ২৫০

বিজ্ঞাপন
এলাকার খবর

বিজ্ঞাপন

৩০০ x ২৫০

বিজ্ঞাপন














সর্বশেষ সব খবর
সারাদেশ নিয়ে আরও পড়ুন

বিজ্ঞাপন

২৫০ x ২৫০

বিজ্ঞাপন

বিজ্ঞাপন
৩২০ x ৫০
বিজ্ঞাপন