ইরান ও তাইওয়ান: ট্রাম্প-সি চিন পিং সাক্ষাতের রাজনীতি ও কৌশল
শুক্রবার, ১৫ মে, ২০২৬ ৩:৩৭ পূর্বাহ্ন
শেয়ার করুন:
চীনের প্রেসিডেন্ট সি চিন পিং এবার মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পকে বেইজিংয়ে আতিথ্য দিচ্ছেন এমন সময়, যখন তার হাতে আছে গুরুত্বপূর্ণ কূটনৈতিক ও অর্থনৈতিক প্রভাবের কার্ড। গত বছরের সাক্ষাতের মতো এবারও চীন গুরুত্বপূর্ণ খনিজ ও জ্বালানি সম্পদের নিয়ন্ত্রণকে হাতিয়ার হিসেবে ব্যবহার করছে।
বিশেষভাবে ইরান যুদ্ধ সি চিন পিংকে অতিরিক্ত আত্মবিশ্বাস যোগ করছে। চীন তেহরানের সঙ্গে যুক্তরাষ্ট্রের সংলাপে ভূমিকা রাখতে আগ্রহী, যদিও সরাসরি যুদ্ধের অংশ হতে চায় না। হরমুজ প্রণালিতে জ্বালানি সরবরাহ নিশ্চিত করতে চীন যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে সমন্বয় করতে পারে।
এদিকে, তাইওয়ান ইস্যুতে চীনের অবস্থানও স্পষ্ট। ট্রাম্প প্রশাসন ইতিমধ্যে তাইওয়ানে ১ হাজার ৩০০ কোটি ডলারের অস্ত্র বিক্রয় স্থগিত করেছে, যা সি চিন পিংয়ের জন্য বড় কূটনৈতিক সাফল্য হতে পারে। বিশেষজ্ঞরা বলছেন, মার্কিন সামরিক সম্পদের সীমাবদ্ধতা চীনের এই চাপ আরও শক্তিশালী করছে।
এই সাক্ষাতের মাধ্যমে বেইজিং কেবল নির্দিষ্ট ছাড় না চেয়ে, দুই দেশের মধ্যে সম্পর্কের নতুন সংজ্ঞা স্থাপনের সুযোগ খুঁজছে। চীন স্থিতিশীলতা এবং বাণিজ্যসংক্রান্ত বিরতির ধারাবাহিকতা চায়, যাতে রপ্তানি নিয়ন্ত্রণ, শুল্ক বা নিষেধাজ্ঞা আরোপ না হয়। এদিকে চীনা প্রতিষ্ঠানগুলো নিজেদের প্রযুক্তিগত ও অর্থনৈতিক স্বনির্ভরতা বাড়াচ্ছে।
বিশ্লেষকরা বলছেন, সি চিন পিং বিশ্বের দ্বিতীয় বৃহত্তম অর্থনীতির প্রতিনিধিত্ব করে এবং ট্রাম্পের সঙ্গে এই সাক্ষাত চীনের রাজনৈতিক ও কূটনৈতিক শক্তিকে প্রমাণের সুযোগ হিসেবে ব্যবহৃত হচ্ছে।
১২০ বার পড়া হয়েছে