সর্বশেষ

সারাদেশ

ইঞ্জিনিয়ার মোশাররফ হোসেনকে স্লোগানে স্লোগানে শেষ বিদায় 

স্পেশাল করেসপনডেন্ট, চট্টগ্রাম
স্পেশাল করেসপনডেন্ট, চট্টগ্রাম

বৃহস্পতিবার , ১৪ মে, ২০২৬ ৭:৫৮ পূর্বাহ্ন

শেয়ার করুন:
চট্টগ্রামে স্লোগানে স্লোগানে শেষ বিদায় জানানো হয়েছে বর্ষীয়ান রাজনীতিক ও মুক্তিযোদ্ধা ইঞ্জিনিয়ার মোশাররফ হোসেনকে। বৃহস্পতিবার বেলা সোয়া ১১টায় নগরীর জমিয়তুল ফালাহ মসজিদ মাঠে তার জানাজা অনুষ্ঠিত হয়।

জানাজার আগে সকাল ১০টা থেকেই বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষ মাঠে জড়ো হতে থাকেন। জানাজা শেষে তার মরদেহ অ্যাম্বুলেন্সে তোলা হলে মাঠজুড়ে আবেগঘন পরিবেশ সৃষ্টি হয়। হাজারো সহযোদ্ধা, রাজনৈতিক সহচর ও অনুসারী অ্যাম্বুলেন্স ঘিরে নানা স্লোগান দেন।

এ সময় উপস্থিত নেতাকর্মীরা ‘বীর চট্টলার মোশাররফ ভাই, আমরা তোমায় ভুলি নাই’, ‘জয় বাংলা, জয় বঙ্গবন্ধু’ এবং ‘শেখ হাসিনা আসবে, বাংলাদেশ হাসবে’ স্লোগান দিতে থাকেন। পরে মরদেহবাহী গাড়ির সঙ্গে নেতাকর্মীরা জমিয়তুল ফালাহ মসজিদ মাঠ থেকে বের হয়ে আসেন। এ সময় মাঠের মূল ফটকে পুলিশ সদস্যদের অবস্থান করতে দেখা যায়।

পরে মরদেহ মীরসরাই উপজেলার ধুম গ্রামের উদ্দেশে রওনা হয়।

জানাজায় চট্টগ্রাম সিটি করপোরেশনের মেয়র ডা. শাহাদাত হোসেন, জামায়াত নেতা ডা. ফজলুল হক, সাবেক মেয়র মাহমুদুল ইসলাম, সিপিবির সাবেক সভাপতি মোহাম্মদ শাহ আলমসহ বিভিন্ন রাজনৈতিক দলের নেতাকর্মী ও বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষ উপস্থিত ছিলেন। এছাড়া নিষিদ্ধ সংগঠন আওয়ামী লীগের বিপুল সংখ্যক নেতাকর্মীকেও সেখানে দেখা যায়।

চট্টগ্রাম সিটির মেয়র ও বিএনপি নেতা ডা. শাহাদাত হোসেন বর্ষীয়ান এই রাজনীতিকের মৃত্যুতে নগরবাসীর পক্ষ থেকে শোক প্রকাশ করেন।

১৯৪৩ সালের ১২ জানুয়ারি চট্টগ্রামের মীরসরাই উপজেলার ধুম গ্রামে জন্মগ্রহণ করেন ইঞ্জিনিয়ার মোশাররফ হোসেন। তার বাবা এস. রহমান ষাটের দশকে প্রাদেশিক পরিষদের সদস্য ছিলেন। দেশভাগের পর তিনি কলকাতা থেকে চট্টগ্রামে এসে ‘ওরিয়েন্ট বিল্ডার্স কর্পোরেশন’ নামে একটি প্রতিষ্ঠান গড়ে তোলেন।

মোশাররফ হোসেন চট্টগ্রাম কলেজিয়েট স্কুল থেকে ম্যাট্রিক এবং স্যার আশুতোষ সরকারি কলেজ থেকে ইন্টারমিডিয়েট সম্পন্ন করেন। পরে লাহোরে ইঞ্জিনিয়ারিং পড়ার সময় তিনি ছয় দফা আন্দোলনে যুক্ত হন। সে সময় পূর্ব পাকিস্তান ছাত্র পরিষদের সভাপতির দায়িত্বও পালন করেন তিনি।

লাহোর থেকে দেশে ফিরে তিনি আওয়ামী লীগের রাজনীতিতে যোগ দেন এবং ১৯৭০ সালে পূর্ব পাকিস্তান প্রাদেশিক পরিষদের সদস্য নির্বাচিত হন। মহান মুক্তিযুদ্ধে তিনি ১ নম্বর সেক্টরের সাব-সেক্টর কমান্ডার হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন এবং যুদ্ধকালীন বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ অপারেশনের নেতৃত্ব দেন।

১২৩ বার পড়া হয়েছে

শেয়ার করুন:

মন্তব্য

(0)

বিজ্ঞাপন
৩২০ x ৫০
বিজ্ঞাপন

বিজ্ঞাপন

৩০০ x ২৫০

বিজ্ঞাপন
এলাকার খবর

বিজ্ঞাপন

৩০০ x ২৫০

বিজ্ঞাপন














সর্বশেষ সব খবর
সারাদেশ নিয়ে আরও পড়ুন

বিজ্ঞাপন

বিজ্ঞাপন
৩২০ x ৫০
বিজ্ঞাপন