ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলা পরিষদের নব-প্রশাসক আলহাজ্ব সিরাজুল ইসলামকে গণসংবর্ধনা
বুধবার, ১৫ এপ্রিল, ২০২৬ ২:৫৬ অপরাহ্ন
শেয়ার করুন:
ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলা পরিষদের নবনিযুক্ত প্রশাসক এবং জেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক আলহাজ্ব সিরাজুল ইসলাম সিরাজকে গণসংবর্ধনা দিয়েছে এলাকাবাসী।
শহরের শিমরাইলকান্দি ও পাওয়ার হাউজ রোড এলাকার সর্বস্তরের মানুষের উদ্যোগে বুধবার (১৫ এপ্রিল) বিকেলে শিমরাইলকান্দি চাষী ভবনে আয়োজিত এই সংবর্ধনা অনুষ্ঠানটি এক মিলনমেলায় পরিণত হয়।
অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন জেলা বিএনপির উপদেষ্টা মোঃ আব্দুর রহিম। শুরুতে পবিত্র কোরআন তেলাওয়াতের মাধ্যমে অনুষ্ঠানটি উদ্বোধন করা হয়। এরপর স্বাগত বক্তব্যে আশরাফুল আলম মাহফুজ নবনিযুক্ত প্রশাসককে অভিনন্দন জানিয়ে বলেন, “সিরাজুল ইসলাম সিরাজ দীর্ঘদিন ধরে এই অঞ্চলের মানুষের পাশে থেকে কাজ করে আসছেন। তার নেতৃত্বে ব্রাহ্মণবাড়িয়ার উন্নয়ন কার্যক্রম আরও বেগবান হবে বলে আমরা আশাবাদী।”
জেলা যুবদলের সিনিয়র সহ-সভাপতি তাজুল ইসলামের প্রাণবন্ত সঞ্চালনায় অনুষ্ঠানে একে একে বক্তব্য রাখেন জেলা বিএনপির সহ-সভাপতি অ্যাডভোকেট শফিকুল ইসলাম, সহ-সভাপতি এবিএম মমিনুল হক, সিনিয়র যুগ্ম সম্পাদক আলী আজম, সাংগঠনিক সম্পাদক আসাদুজ্জামান শাহীন, ব্রাহ্মণবাড়িয়া প্রেসক্লাবের সাধারণ সম্পাদক বাহারুল ইসলাম মোল্লা, যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক মনির হোসেন মনির, জেলা কৃষক দলের সদস্য সচিব জিল্লুর রহমান, জেলা যুবদলের সিনিয়র সহ-সভাপতি অ্যাডভোকেট আব্দুর রহিম গোলাপ এবং জেলা ছাত্রদলের সদস্য সচিব সমীর চক্রবর্তীসহ অন্যান্য নেতৃবৃন্দ।
বক্তারা তাদের বক্তব্যে আলহাজ্ব সিরাজুল ইসলাম সিরাজের রাজনৈতিক প্রজ্ঞা, সাংগঠনিক দক্ষতা এবং জনসম্পৃক্ততার প্রশংসা করেন। তারা বলেন, তৃণমূল থেকে উঠে আসা এই নেতা দীর্ঘদিন ধরে দলের জন্য নিবেদিতভাবে কাজ করে যাচ্ছেন এবং সাধারণ মানুষের আস্থা অর্জন করতে সক্ষম হয়েছেন। জেলা পরিষদের প্রশাসক হিসেবে তার দায়িত্ব পালন ব্রাহ্মণবাড়িয়ার উন্নয়নে নতুন গতি সঞ্চার করবে বলেও তারা আশা প্রকাশ করেন।
গণসংবর্ধনার জবাবে আলহাজ্ব সিরাজুল ইসলাম সিরাজ আবেগঘন কণ্ঠে বলেন, “এই সম্মান শুধু আমার ব্যক্তিগত অর্জন নয়, এটি আপনাদের সবার ভালোবাসার বহিঃপ্রকাশ। আমি সবসময় চেষ্টা করেছি মানুষের পাশে থাকতে, আগামীতেও সেই ধারা অব্যাহত রাখবো। আপনাদের আস্থা ও সহযোগিতা নিয়ে ব্রাহ্মণবাড়িয়াকে একটি উন্নত ও আধুনিক জেলায় রূপান্তর করতে চাই।”
তিনি আরও বলেন, “রাজনীতি মানুষের কল্যাণের জন্য। তাই বিভেদ ভুলে সবাইকে ঐক্যবদ্ধ হয়ে এলাকার সার্বিক উন্নয়নে কাজ করতে হবে। শিক্ষা, স্বাস্থ্য, অবকাঠামোসহ প্রতিটি খাতে উন্নয়ন নিশ্চিত করতে আমি সর্বোচ্চ চেষ্টা করবো।”
অনুষ্ঠানে স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তি, রাজনৈতিক নেতৃবৃন্দ, শিক্ষক, সাংবাদিকসহ বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষের ব্যাপক উপস্থিতি লক্ষ্য করা যায়। পুরো আয়োজনজুড়ে উৎসবমুখর পরিবেশ বিরাজ করে, যেখানে নেতাকর্মী ও সাধারণ মানুষের অংশগ্রহণে সংবর্ধনা অনুষ্ঠানটি প্রাণবন্ত হয়ে ওঠে।
১৪৭ বার পড়া হয়েছে