সর্বশেষ

সারাদেশ

মাদারীপুর-মস্তফাপুর ফোরলেন সড়ক পুনর্নির্মাণ নিয়ে প্রশ্ন, স্থানীয়দের ক্ষোভ

নজরুল ইসলাম পলাশ, মাদারীপুর
নজরুল ইসলাম পলাশ, মাদারীপুর

সোমবার, ৩০ মার্চ, ২০২৬ ৮:৪০ অপরাহ্ন

শেয়ার করুন:
বিগত সরকারের আমলে নির্মিত মাদারীপুর-মস্তফাপুর ফোরলেন সড়কটি শুরু থেকেই নিম্নমানের কাজের অভিযোগে সমালোচিত হয়ে আসছে।

একাধিক ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠানের মাধ্যমে নির্মিত এই সড়কটি কাজ শেষ হওয়ার পর থেকেই বিভিন্ন স্থানে ডেবে যাওয়া, ফুলে ওঠা এবং পিচ উঠে গর্ত তৈরি হওয়ার মতো সমস্যার সৃষ্টি হয়। ফলে সড়কটিতে যানবাহন চলাচল ব্যাহত হয় এবং নিয়মিত দুর্ঘটনার ঝুঁকি তৈরি হয়।

স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, ২০১৮ সালে নির্মাণ কাজ শেষ হওয়ার পর থেকেই প্রায় প্রতি বছর দুই থেকে তিনবার সড়কটি মেরামত করতে হয়েছে। এতে বিপুল পরিমাণ অর্থ ব্যয় হলেও সমস্যার স্থায়ী সমাধান হয়নি। ফলে সড়ক ও জনপদ বিভাগের কার্যক্রম নিয়ে সাধারণ মানুষের মধ্যে প্রশ্ন দেখা দিয়েছে।

এবার মেরামতের পরিবর্তে পুরো সড়ক পুনর্নির্মাণের উদ্যোগ নিয়েছে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ। পুরনো পিচ তুলে নতুন করে পিচ ঢালার কাজ ইতোমধ্যে শুরু হয়েছে। তবে স্থানীয়দের অভিযোগ, সড়কের যেসব স্থানে মূলত সমস্যা রয়েছে, সেগুলোর ভিত্তি মজবুত না করে শুধুমাত্র ওপরের স্তর পরিবর্তন করলে আগের সমস্যাই পুনরায় দেখা দেবে।

সড়ক ও জনপদ বিভাগ সূত্রে জানা যায়, ২০১৭ সালে প্রায় ৭ কিলোমিটার দীর্ঘ এই সড়কটি ৭৭ কোটি ৩৩ লাখ টাকা ব্যয়ে ফোরলেন হিসেবে নির্মাণ করা হয়। পরবর্তীতে ২০২৫-২৬ অর্থবছরে প্রায় ২৫ কোটি ১০ লাখ ৮২ হাজার টাকা ব্যয়ে সড়কটি পুনর্নির্মাণের জন্য নতুন প্রকল্প অনুমোদন দেওয়া হয়েছে। জেলা প্রকৌশল অধিদপ্তরের তত্ত্বাবধানে প্রকল্পটির কাজ বাস্তবায়ন করছে অরিয়েন্ট ট্রেডিং অ্যান্ড বিল্ডার্স লিমিটেড।

স্থানীয় বাসিন্দারা বলছেন, পুরো সড়কের পরিবর্তে শুধু ক্ষতিগ্রস্ত অংশগুলো মেরামত করলেই যথেষ্ট হতো। তাদের মতে, অল্প কয়েকটি সমস্যাযুক্ত স্থানের জন্য পুরো সড়কের কাজ করা অপ্রয়োজনীয় এবং এটি সরকারি অর্থের অপচয়।

এ বিষয়ে আলিম মাতুব্বর, সোহেল মাতুব্বর ও ইমাম হাওলাদারসহ স্থানীয় কয়েকজন অভিযোগ করে বলেন, “সড়ক বিভাগ ও ঠিকাদারদের যোগসাজশে এই প্রকল্প নেওয়া হয়েছে। এতে জনগণের উপকারের চেয়ে সরকারি অর্থের অপচয়ই বেশি হবে।”

তবে এ বিষয়ে বক্তব্য জানতে মাদারীপুর সড়ক ও জনপদ বিভাগের নির্বাহী প্রকৌশলীর সঙ্গে একাধিকবার যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও তাকে পাওয়া যায়নি। এমনকি তার মুঠোফোনও বন্ধ পাওয়া গেছে। অফিসের অন্যান্য কর্মকর্তারাও এ বিষয়ে কথা বলতে অনীহা প্রকাশ করেছেন।

স্থানীয়দের দাবি, দ্রুত বিষয়টি তদন্ত করে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করতে হবে এবং জনগণের ভোগান্তি কমাতে দ্রুত কাজ শেষ করতে হবে।

১৯১ বার পড়া হয়েছে

শেয়ার করুন:

মন্তব্য

(0)

বিজ্ঞাপন
৩২০ x ৫০
বিজ্ঞাপন

বিজ্ঞাপন

৩০০ x ২৫০

বিজ্ঞাপন
এলাকার খবর

বিজ্ঞাপন

৩০০ x ২৫০

বিজ্ঞাপন














সর্বশেষ সব খবর
সারাদেশ নিয়ে আরও পড়ুন

বিজ্ঞাপন

২৫০ x ২৫০

বিজ্ঞাপন

বিজ্ঞাপন
৩২০ x ৫০
বিজ্ঞাপন