সর্বশেষ

সারাদেশ

হরমুজ উত্তেজনার মধ্যেও চট্টগ্রাম বন্দরে ভিড়েছে গ্যাসবাহী জাহাজ

চট্টগ্রাম প্রতিনিধি
চট্টগ্রাম প্রতিনিধি

রবিবার, ৮ মার্চ, ২০২৬ ৮:২৬ পূর্বাহ্ন

শেয়ার করুন:
মধ্যপ্রাচ্যে চলমান যুদ্ধ পরিস্থিতির কারণে বৈশ্বিক জ্বালানি সরবরাহে অনিশ্চয়তা তৈরি হলেও দেশের জ্বালানি চাহিদা মেটাতে গ্যাসবাহী বেশ কয়েকটি জাহাজ ইতোমধ্যে চট্টগ্রাম বন্দরে পৌঁছেছে।

এতে আপাতত দেশের জ্বালানি সরবরাহ পরিস্থিতিতে কিছুটা স্বস্তি ফিরেছে বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্টরা।

চট্টগ্রাম বন্দর সূত্রে জানা গেছে, হরমুজ প্রণালি অতিক্রম করে আসা আটটি জাহাজের মধ্যে চারটি ইতোমধ্যে বন্দরে পৌঁছেছে। এছাড়া রোববার (৮ মার্চ) দুপুর ২টায় ওমানের সোহার বন্দর থেকে ২২ হাজার ১৭২ মেট্রিক টন তরল পেট্রোলিয়াম গ্যাস (এলপিজি) নিয়ে ‘এলপিজি সেভেন’ নামের একটি জাহাজ চট্টগ্রাম বন্দরে পৌঁছানোর কথা রয়েছে। বাকি তিনটি জাহাজ বাংলাদেশ অভিমুখে রয়েছে।

এর আগে কাতারের রাস লাফান বন্দর থেকে তরল প্রাকৃতিক গ্যাস (এলএনজি) বহনকারী ‘আল জোরা’ জাহাজটি ৬৩ হাজার ৩৮৩ মেট্রিক টন এলএনজি নিয়ে ৩ মার্চ সকাল সাড়ে ৯টায় চট্টগ্রাম বন্দরে পৌঁছায়। একই বন্দর থেকে আসা ‘আল জাসাসিয়া’ নামের আরেকটি জাহাজ ৬৩ হাজার ৭৫ মেট্রিক টন এলএনজি নিয়ে ৫ মার্চ সকাল সাড়ে ১০টায় বন্দরে ভিড়ে।

এছাড়া কাতারের রাস লাফান বন্দর থেকে রওনা হওয়া আরও তিনটি এলএনজি জাহাজ পর্যায়ক্রমে চট্টগ্রাম বন্দরে পৌঁছানোর কথা রয়েছে। এর মধ্যে ‘লুসাইল’ জাহাজটি ৬২ হাজার ৯৮৭ মেট্রিক টন এলএনজি নিয়ে ৯ মার্চ বন্দরে পৌঁছাবে। একই বন্দর থেকে আসা ‘আল গালায়েল’ জাহাজ ১১ মার্চ ৫৭ হাজার ৬৬৫ মেট্রিক টন এলএনজি নিয়ে এবং ‘লেব্রেথাহ’ জাহাজ ১৪ মার্চ ৬২ হাজার মেট্রিক টন এলএনজি নিয়ে বন্দরে পৌঁছানোর কথা রয়েছে।

অন্যদিকে ওমানের সোহার বন্দর থেকে আসা ‘জি-ওয়াইএমএন’ নামের একটি এলপিজি জাহাজ ১৯ হাজার ৩১৬ মেট্রিক টন কার্গো নিয়ে গত ২৬ ফেব্রুয়ারি ভোর ৫টা ৩০ মিনিটে চট্টগ্রাম বন্দরে পৌঁছায়।

এছাড়া সংযুক্ত আরব আমিরাতের ফুজাইরাহ বন্দর থেকে মেরিন ইথানল গ্যাস (এমইজি) বহনকারী ‘বে-ইয়াসু’ জাহাজটি ৫ হাজার ১৯ মেট্রিক টন কার্গো নিয়ে ৫ মার্চ সকাল ১০টা ৪০ মিনিটে বন্দরে পৌঁছেছে।

চট্টগ্রাম বন্দর কর্তৃপক্ষের কর্মকর্তা সৈয়দ রেফায়েত হামিম জানান, হরমুজ প্রণালি অতিক্রম করা আটটি জাহাজের মধ্যে চারটি ইতোমধ্যে বন্দরে পৌঁছেছে। একটি আজ আসবে এবং বাকি তিনটি পথে রয়েছে।

উল্লেখ্য, গত ২৮ ফেব্রুয়ারি ইরানের ওপর যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের হামলা এবং এর পাল্টা প্রতিক্রিয়াকে কেন্দ্র করে হরমুজ প্রণালিতে উত্তেজনা তৈরি হয়েছে। মধ্যপ্রাচ্যের দেশগুলো থেকে বাংলাদেশের উল্লেখযোগ্য অংশের জ্বালানি আমদানি এই প্রণালি দিয়েই হওয়ায় পরিস্থিতি দীর্ঘস্থায়ী হলে ভবিষ্যতে জ্বালানি সরবরাহে অনিশ্চয়তা তৈরি হতে পারে।

১৮২ বার পড়া হয়েছে

শেয়ার করুন:

মন্তব্য

(0)

বিজ্ঞাপন
৩২০ x ৫০
বিজ্ঞাপন

বিজ্ঞাপন

৩০০ x ২৫০

বিজ্ঞাপন
এলাকার খবর

বিজ্ঞাপন

৩০০ x ২৫০

বিজ্ঞাপন














সর্বশেষ সব খবর
সারাদেশ নিয়ে আরও পড়ুন

বিজ্ঞাপন

বিজ্ঞাপন
৩২০ x ৫০
বিজ্ঞাপন