সর্বশেষ

জাতীয়

সিকিমে একের পর এক ভূমিকম্প, কেঁপে উঠল বাংলাদেশের উত্তরাঞ্চল

স্টাফ রিপোর্টার
স্টাফ রিপোর্টার

শুক্রবার, ৬ ফেব্রুয়ারী, ২০২৬ ৪:২৩ অপরাহ্ন

শেয়ার করুন:
ভারতের উত্তর-পূর্বাঞ্চলীয় রাজ্য সিকিমে গত কয়েক ঘণ্টায় একের পর এক ভূমিকম্পে আতঙ্ক ছড়িয়েছে। বারবার কম্পনের প্রভাবে শুধু সিকিম নয়, এর প্রভাব অনুভূত হয়েছে প্রতিবেশী বাংলাদেশেও। বিশেষ করে রংপুর বিভাগের বিভিন্ন জেলায় শক্ত কম্পনে মানুষজন আতঙ্কিত হয়ে পড়েন।

ভারতের ন্যাশনাল সেন্টার ফর সিসমোলজি (এনসিএস) এবং যুক্তরাষ্ট্রের ভূতাত্ত্বিক জরিপ সংস্থা (ইউএসজিএস)-এর তথ্য অনুযায়ী, ভূমিকম্পগুলোর উৎপত্তিস্থল ছিল সিকিমের নামচি ও মাঙ্গান এলাকা। গ্যাংটক, নামচি ও মাঙ্গান অঞ্চলে অন্তত আট থেকে ১০ বার কম্পন অনুভূত হয়েছে।

বাংলাদেশ সময় বৃহস্পতিবার রাত ১টা ৩৯ মিনিটে প্রথম উল্লেখযোগ্য ভূমিকম্পটি রেকর্ড করা হয়, যার মাত্রা ছিল রিখটার স্কেলে ৪ দশমিক ৬। এর পর রাত ২টা ৫০ মিনিটে ৪ দশমিক ৪ মাত্রা এবং ভোর ৩টা ৩১ মিনিটে ৪ দশমিক ০ মাত্রার আরও দুটি কম্পন অনুভূত হয়। ভোর ৬টা পর্যন্ত অন্তত পাঁচ থেকে ছয়টি ছোট আকারের আফটারশক শনাক্ত করা হয়েছে।

ভূমিকম্পগুলোর গভীরতা ছিল ভূপৃষ্ঠের মাত্র ৫ থেকে ১০ কিলোমিটার নিচে। ভূতাত্ত্বিকদের মতে, এত অগভীর ভূমিকম্প হওয়ায় কম্পন তুলনামূলকভাবে বেশি অনুভূত হয়েছে।

বাংলাদেশের নীলফামারীর এক বাসিন্দা জানান, “আমি তখন বিছানায় শুয়ে ছিলাম। হঠাৎ মনে হলো পুরো ঘরটা দুলছে। খুব ভয় লাগছিল। পরে জানতে পারি ভূমিকম্প হয়েছে।”

বিশেষজ্ঞরা বলছেন, সিকিম ও সংলগ্ন হিমালয় অঞ্চল একটি সক্রিয় ভূমিকম্পপ্রবণ ফল্ট লাইনের ওপর অবস্থিত। ফলে বড় কম্পনের পর পরই একাধিক আফটারশক হওয়াটা স্বাভাবিক ঘটনা।

এর আগে মঙ্গলবার (৩ ফেব্রুয়ারি) মিয়ানমারে ৫ দশমিক ৯ মাত্রার ভূমিকম্পে ঢাকা, চট্টগ্রামসহ দেশের বিভিন্ন এলাকায় কম্পন অনুভূত হয়। একই দিন ভোরে সাতক্ষীরার কলারোয়া এলাকায় ৪ দশমিক ১ মাত্রার আরেকটি ভূমিকম্প রেকর্ড করা হয়েছিল।

২৬২ বার পড়া হয়েছে

শেয়ার করুন:

মন্তব্য

(0)

বিজ্ঞাপন
৩২০ x ৫০
বিজ্ঞাপন

বিজ্ঞাপন

৩০০ x ২৫০

বিজ্ঞাপন
এলাকার খবর

বিজ্ঞাপন

৩০০ x ২৫০

বিজ্ঞাপন














সর্বশেষ সব খবর
জাতীয় নিয়ে আরও পড়ুন

বিজ্ঞাপন

২৫০ x ২৫০

বিজ্ঞাপন

বিজ্ঞাপন
৩২০ x ৫০
বিজ্ঞাপন