সর্বশেষ

জাতীয়

মার্কিন ভিসা বন্ড তালিকায় বাংলাদেশ, ভিজিটরদের দিতে হবে বড় জামানত

মনজুর এহসান চৌধুরী
মনজুর এহসান চৌধুরী

বুধবার, ৭ জানুয়ারী, ২০২৬ ৫:০৪ অপরাহ্ন

শেয়ার করুন:
বাংলাদেশকে যুক্তরাষ্ট্রের ভিসা বন্ড তালিকায় অন্তর্ভুক্ত করেছে মার্কিন পররাষ্ট্র দফতর। ২০২৬ সালের ৫ জানুয়ারি প্রকাশিত হালনাগাদ তালিকা অনুযায়ী, বাংলাদেশি পাসপোর্টধারীদের জন্য বি-১/বি-২ (ব্যবসা ও পর্যটন) ভিজিটর ভিসায় এখন থেকে জামানত বা ভিসা বন্ড বাধ্যতামূলক হবে।

এই নীতি কার্যকর হচ্ছে ২১ জানুয়ারি ২০২৬ থেকে, অর্থাৎ ওই তারিখের পর অনুমোদিত নতুন বি-১/বি-২ ভিসার ক্ষেত্রে বন্ড শর্ত প্রযোজ্য হবে।

মার্কিন সরকারের এক বছর মেয়াদি ‘ভিসা বন্ড পাইলট প্রোগ্রাম’ মূলত এমন দেশগুলোর জন্য চালু করা হয়েছে, যাদের নাগরিকদের মধ্যে ভিসা মেয়াদোত্তীর্ণ অবস্থায় থেকে যাওয়ার বা ওভারস্টের হার তুলনামূলক বেশি। ২০২৫ সালের ৫ আগস্ট ফেডারেল রেজিস্টারে প্রকাশিত সাময়িক চূড়ান্ত বিধিমালার মাধ্যমে এই পাইলট চালুর ঘোষণা দেওয়া হয়, যা ২০ আগস্ট ২০২৫ থেকে কার্যকর হয় এবং প্রাথমিকভাবে ৫ আগস্ট ২০২৬ পর্যন্ত চলবে।

নীতিমালা অনুযায়ী, তালিকাভুক্ত যে কোনো দেশের পাসপোর্টধারী যদি অন্য সব দিক থেকে বি-১/বি-২ ভিসার জন্য “অন্যথায় উপযুক্ত” বলে বিবেচিত হন, তাহলে কনস্যুলার অফিসার ভিসা ইস্যুর আগে তাঁর ক্ষেত্রে ৫ হাজার, ১০ হাজার অথবা ১৫ হাজার মার্কিন ডলারের একটি ইমিগ্রেশন বন্ড আরোপ করতে পারেন। ঠিক কত ডলার বন্ড দিতে হবে, তা নির্ভর করবে আবেদনকারীর ঝুঁকি প্রোফাইল, আয়, পেশা, ভ্রমণের উদ্দেশ্য এবং সংশ্লিষ্ট দেশের ওভারস্টে পরিসংখ্যানের ওপর।

বাংলাদেশের ক্ষেত্রে এই বন্ড কেবল বি-১/বি-২ ভিজিটর ভিসার জন্য প্রযোজ্য; ছাত্র (F), কর্মভিত্তিক (H, L প্রভৃতি), এক্সচেঞ্জ (J) ও ইমিগ্র্যান্ট ভিসা এই পাইলটের বাইরে থাকবে। ড্রপবক্স বা ইন্টারভিউ ওয়েভার ব্যবস্থার মাধ্যমে ভিসা নবায়নের ক্ষেত্রেও যদি আবেদনকারী তালিকাভুক্ত দেশের নাগরিক হন এবং তাঁর কেসে বন্ড নির্ধারিত হয়, তাহলে বন্ড দেওয়ার বাধ্যবাধকতা থাকবে।

বন্ড প্রদানের ক্ষেত্রে প্রথমে স্বরাষ্ট্র বিভাগের ইমিগ্রেশন বন্ড ফর্ম I‑352 পূরণ করতে হবে এবং পরে মার্কিন ট্রেজারির অনলাইন প্ল্যাটফর্ম Pay.gov–এর মাধ্যমে নির্ধারিত অঙ্ক জমা দিতে হবে; কনস্যুলার অফিসার নির্দেশ না দিলে নিজ উদ্যোগে বন্ড পাঠালে তা গ্রহণযোগ্য হবে না। শর্ত মানা হলে বন্ডের পুরো অর্থ ফেরত দেওয়া হবে, তবে কোনো সুদ বা অতিরিক্ত মুনাফা পাওয়া যাবে না।

নীতিটির সমর্থনে যুক্তরাষ্ট্র বলছে, এ ব্যবস্থার লক্ষ্য ভিসার শর্ত মানতে উৎসাহ দেওয়া এবং উচ্চ ওভারস্টে–হারের দেশগুলোর নাগরিকদের মাধ্যমে ভিসা অপব্যবহার কমানো। তবে ভ্রমণ ও অভিবাসনবিশেষজ্ঞদের মতামত, ৫–১৫ হাজার ডলারের অতিরিক্ত জামানত সাধারণ ব্যবসায়ী ও পর্যটকদের জন্য বড় আর্থিক বাধা হয়ে দাঁড়াতে পারে এবং যুক্তরাষ্ট্রগামী বৈধ ভ্রমণও এতে নিরুৎসাহিত হবে।

৪৬৪ বার পড়া হয়েছে

শেয়ার করুন:

মন্তব্য

(0)

বিজ্ঞাপন
৩২০ x ৫০
বিজ্ঞাপন

বিজ্ঞাপন

৩০০ x ২৫০

বিজ্ঞাপন
এলাকার খবর

বিজ্ঞাপন

৩০০ x ২৫০

বিজ্ঞাপন














সর্বশেষ সব খবর
জাতীয় নিয়ে আরও পড়ুন

বিজ্ঞাপন

২৫০ x ২৫০

বিজ্ঞাপন

বিজ্ঞাপন
৩২০ x ৫০
বিজ্ঞাপন