মার্কিন নির্বাচনের পর ফিলিস্তিনিদের মনে নতুন আশা
বৃহস্পতিবার, ৫ নভেম্বর, ২০২৬ ৫:৩৭ অপরাহ্ন
শেয়ার করুন:
যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যবর্তী নির্বাচনের ফলাফলের পর নতুন আশার কথা জানাচ্ছেন অধিকৃত পশ্চিম তীরের ফিলিস্তিনিরা। তাঁদের প্রত্যাশা, নির্বাচনের ফল দেশটির ফিলিস্তিনবিষয়ক নীতি ও ইসরায়েলের প্রতি সমর্থনে পরিবর্তনের পথ তৈরি করবে।
বুধবার (৪ নভেম্বর) আল জাজিরার সরাসরি সম্প্রচারে এ তথ্য জানানো হয়।
পশ্চিম তীরের রামাল্লার ৭১ বছর বয়সী বাসিন্দা হানি লাহরৌব মনে করেন, প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের প্রশাসনের অধীনে যুক্তরাষ্ট্রের নীতি ‘আমেরিকা ফার্স্ট’ নয়, বরং ‘ইসরায়েল ফার্স্ট’ ছিল। তাঁর আশা, মধ্যবর্তী নির্বাচনের ফলাফলের পর এই নীতিতে পরিবর্তন আসতে পারে।
অ্যাসোসিয়েটেড প্রেসকে দেওয়া সাক্ষাৎকারে হানি লাহরৌব বলেন, ‘ফিলিস্তিনি ইস্যুটি নির্বাচনকে প্রভাবিত করার মতো অন্যতম প্রধান বিষয়ে পরিণত হয়েছে।’
পিএলওর কূটনৈতিক কার্যক্রম পুনরুদ্ধারের প্রত্যাশা
রামাল্লার ৮০ বছর বয়সী বাসিন্দা সুলেইমান মালিসহ অন্য ফিলিস্তিনিরা আশা করছেন, নতুন কংগ্রেস ফিলিস্তিনের আন্তর্জাতিকভাবে স্বীকৃত প্রতিনিধি ফিলিস্তিন লিবারেশন অর্গানাইজেশনের (পিএলও) কূটনৈতিক অবস্থান পুনরুদ্ধারে ভূমিকা রাখবে।
সুলেইমান মালির প্রত্যাশা, পিএলওর কূটনীতিকেরা আবারও যুক্তরাষ্ট্রে ফিরে যাওয়ার সুযোগ পাবেন। ট্রাম্প প্রশাসন ফিলিস্তিনি কূটনীতিকদের ওপর ভিসা নিষেধাজ্ঞা আরোপ করেছিল। একই সঙ্গে ওয়াশিংটনে তাঁদের কার্যালয়ও বন্ধ করে দেওয়া হয়েছিল।
অ্যাসোসিয়েটেড প্রেসকে দেওয়া সাক্ষাৎকারে সুলেইমান মালি বলেন, ‘আমরা এমন এক জাতি যারা বেঁচে থাকতে চায়।’
ইসরায়েলকে মার্কিন সমর্থন নিয়ে ভোটারদের মতামত
অ্যাসোসিয়েটেড প্রেসের ‘ভোটার পোল’ জরিপেও ইসরায়েলের প্রতি যুক্তরাষ্ট্রের সমর্থন নিয়ে ভোটারদের মনোভাবের বিষয়টি উঠে এসেছে।
জরিপ অনুযায়ী, প্রতিনিধি পরিষদ নির্বাচনে ডেমোক্র্যাট প্রার্থীকে সমর্থন করা প্রতি ১০ জন ভোটারের মধ্যে প্রায় ৭ জন মনে করেন, ইসরায়েলের প্রতি যুক্তরাষ্ট্রের সমর্থন ‘অতিরিক্ত বেশি’।
নির্বাচনের ফলাফলের পর ফিলিস্তিনিদের এই প্রত্যাশা এখন কতটা বাস্তবে রূপ নেয়, তা নির্ভর করছে যুক্তরাষ্ট্রের নতুন রাজনৈতিক পরিস্থিতি ও নীতিগত সিদ্ধান্তের ওপর।
১৩৪ বার পড়া হয়েছে