সর্বশেষ

আন্তর্জাতিক

সিডনি বিশ্ববিদ্যালয়ে শিক্ষকতা করবেন নিউজিল্যান্ডের সাবেক প্রধানমন্ত্রী

ডেস্ক রিপোর্ট
ডেস্ক রিপোর্ট

মঙ্গলবার, ২৭ অক্টোবর, ২০২৬ ১০:৫৯ অপরাহ্ন

শেয়ার করুন:
অস্ট্রেলিয়ার সিডনি বিশ্ববিদ্যালয়ে শিক্ষক ও পরামর্শক হিসেবে নতুন দায়িত্ব নিতে যাচ্ছেন নিউজিল্যান্ডের সাবেক প্রধানমন্ত্রী জেসিন্ডা আরডার্ন। সহমর্মিতাপূর্ণ নেতৃত্ব, সামাজিক সংহতি ও মানুষের আস্থা বাড়ানোর কৌশল নিয়ে কাজ করার পাশাপাশি বৈশ্বিক স্বাস্থ্য, সমতা ও অন্তর্ভুক্তির বিষয়েও যুক্ত থাকবেন তিনি।

নিউজিল্যান্ডের সাবেক প্রধানমন্ত্রী জেসিন্ডা আরডার্ন অস্ট্রেলিয়ার সিডনি বিশ্ববিদ্যালয়ে শিক্ষক ও পরামর্শক হিসেবে যোগ দিচ্ছেন। নতুন দায়িত্বে তিনি নেতৃত্বের ক্ষেত্রে সহমর্মিতার গুরুত্ব, সামাজিক সংহতি এবং মানুষের আস্থা অর্জনের উপায় নিয়ে কাজ করবেন।

দ্য গার্ডিয়ানের প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, বিশ্ববিদ্যালয়ের জনস্বাস্থ্য বিভাগের সঙ্গে যুক্ত হয়ে বৈশ্বিক স্বাস্থ্য চ্যালেঞ্জ, সমতা, অন্তর্ভুক্তি ও মানুষের সুস্থতা নিয়েও কাজ করবেন আরডার্ন। এ দায়িত্বের অংশ হিসেবে তিনি অতিথি বক্তৃতা দেবেন, বিশেষ ক্লাস নেবেন এবং শিক্ষার্থীদের পরামর্শ দেবেন। তবে এটি তাঁর পূর্ণকালীন চাকরি নয়।

নতুন দায়িত্ব সম্পর্কে আরডার্ন বলেন, বিশ্বজুড়ে বিভিন্ন চ্যালেঞ্জ মোকাবিলায় যে ধরনের নেতৃত্ব প্রয়োজন, তা কীভাবে আরও কার্যকরভাবে উৎসাহিত ও সহযোগিতা করা যায়, সেটি নিয়ে কাজ করতে চান তিনি।

সিডনি বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য মার্ক স্কট বলেন, নিউজিল্যান্ডকে বিভিন্ন সংকটের মধ্য দিয়ে নেতৃত্ব দেওয়ার সময় আরডার্ন দেখিয়েছেন, সহমর্মিতা ও দৃঢ়তা পরস্পরের বিরোধী নয়। বরং একটি গুণ অন্যটিকে আরও শক্তিশালী করতে পারে।

গত জুলাইয়ে অস্ট্রেলীয় সম্প্রচারমাধ্যম এবিসিকে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে আরডার্ন বলেছিলেন, বিশ্বের অনেক নেতা কর্তৃত্ববাদী নেতৃত্বের পথে হাঁটলেও মানুষ সহমর্মিতাপূর্ণ নেতৃত্ব প্রত্যাশা করে। প্রচলিত রাজনীতির প্রতি অসন্তুষ্টির কারণে অনেক ভোটার মূলধারার বাইরের রাজনৈতিক দলগুলোর দিকে ঝুঁকছেন বলেও মনে করেন তিনি।

২০২৩ সালের জানুয়ারিতে রাজনীতি থেকে সরে দাঁড়ানোর ঘোষণা দেওয়ার আগে পাঁচ বছরের বেশি সময় নিউজিল্যান্ডের প্রধানমন্ত্রী ও লেবার পার্টির নেতা হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন আরডার্ন। তাঁর প্রধানমন্ত্রিত্বের সময়ে দেশটি ক্রাইস্টচার্চে সন্ত্রাসী হামলা, হোয়াকারি আগ্নেয়গিরির অগ্ন্যুৎপাত এবং করোনাভাইরাস মহামারির মতো বড় সংকটের মুখোমুখি হয়।

২০১৭ সালে মাত্র ৩৭ বছর বয়সে নিউজিল্যান্ডের প্রধানমন্ত্রী হয়ে বিশ্বের সর্বকনিষ্ঠ নারী সরকারপ্রধানের স্বীকৃতি পান আরডার্ন। দায়িত্বে থাকা অবস্থায় সন্তান জন্ম দেওয়া বিশ্বের দ্বিতীয় সরকারপ্রধানও তিনি।

রাজনীতি ছাড়ার পর যুক্তরাষ্ট্রের হার্ভার্ড বিশ্ববিদ্যালয়ে জননেতৃত্ব ও প্রযুক্তি পরিচালনাব্যবস্থা নিয়ে ফেলোশিপ করেন তিনি। ২০২৫ সালে প্রকাশিত হয় তাঁর স্মৃতিকথা ‘এ ডিফারেন্ট কাইন্ড অব পাওয়ার’।

দ্য গার্ডিয়ানের তথ্য অনুযায়ী, চলতি বছরের শুরুতে স্বামী ক্লার্ক গেফোর্ড ও মেয়ে নেভেকে নিয়ে সিডনিতে বসবাস শুরু করেন আরডার্ন। সেখানে শহরের উত্তরাঞ্চলের সমুদ্রতীরবর্তী এলাকায় ৫৩ লাখ অস্ট্রেলীয় ডলারে একটি বাড়িও কিনেছেন তাঁরা।

১১১ বার পড়া হয়েছে

শেয়ার করুন:

মন্তব্য

(0)

বিজ্ঞাপন
৩২০ x ৫০

বিজ্ঞাপন

৩০০ x ২৫০

এলাকার খবর

বিজ্ঞাপন

৩০০ x ২৫০















সর্বশেষ সব খবর
আন্তর্জাতিক নিয়ে আরও পড়ুন

বিজ্ঞাপন

২৫০ x ২৫০


বিজ্ঞাপন
৩২০ x ৫০