খুলনায় জাঁকজমকপূর্ণ আয়োজনে শ্রীকৃষ্ণের জন্মাষ্টমী উদযাপিত
শনিবার, ৫ সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ৬:২৯ পূর্বাহ্ন
শেয়ার করুন:
খুলনায় অত্যন্ত উৎসবমুখর ও ধর্মীয় ভাবগাম্ভীর্যের মধ্য দিয়ে মহাবতার ভগবান শ্রীকৃষ্ণের শুভ জন্মাষ্টমী উদযাপিত হয়েছে। খুলনা মহানগর ও জেলা পূজা উদযাপন পরিষদের উদ্যোগে পৃথক পৃথক আয়োজনে বর্ণাঢ্য শোভাযাত্রা, আলোচনা সভা ও মহাপ্রসাদ বিতরণের মধ্য দিয়ে এই উৎসব সম্পন্ন হয়। শুক্রবার (৪ সেপ্টেম্বর) অনুষ্ঠিত এই আয়োজনে হাজার হাজার ভক্ত ও বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষ অংশ নেন।
মহানগর পূজা উদযাপন পরিষদের আয়োজনে নগরীর গোলকমণি শিশু পার্কে জন্মাষ্টমীর মূল অনুষ্ঠানমালার উদ্বোধন করা হয়। খুলনা মহানগর বিএনপির সভাপতি ও খুলনা উন্নয়ন কর্তৃপক্ষের (কেডিএ) চেয়ারম্যান অ্যাডভোকেট শফিকুল আলম মনা প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত থেকে এই উৎসবের শুভ উদ্বোধন ঘোষণা করেন। অনুষ্ঠানে বিশেষ সম্মানিত অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন মহানগর বিএনপির সাধারণ সম্পাদক ও বিসিবির পরিচালক শফিকুল আলম তুহিন এবং বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন খুলনার অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক বিতান কুমার মন্ডল।
মহানগর পূজা পরিষদের সভাপতি শ্যামল হালদারের সভাপতিত্বে এবং সাধারণ সম্পাদক প্রশান্ত কুমার কুণ্ডুর সঞ্চালনায় আলোচনা সভা শেষে একটি বর্ণাঢ্য শোভাযাত্রা বের হয়। ঢাক-ঢোল ও বিভিন্ন বাদ্যযন্ত্র সহকারে হাজার হাজার ভক্তের অংশগ্রহণে শোভাযাত্রাটি নগরীর গুরুত্বপূর্ণ সড়ক প্রদক্ষিণ করে গোলকমণি পার্কে ফিরে আসে। এরপর সমবেত ভক্তদের মাঝে মহাপ্রসাদ বিতরণ করা হয়।
অন্যদিকে, জেলা পূজা উদযাপন পরিষদের উদ্যোগে নগরীর শ্রীশ্রী শীতলা বাড়ি ঠাকুরানীর মন্দিরে পৃথক জন্মাষ্টমী উৎসবের আয়োজন করা হয়। এই উৎসবের উদ্বোধন করেন খুলনা সেবাশ্রম সঙ্ঘের স্বামী বিপ্রানন্দজী মহারাজ এবং খুলনা মহানগর বিএনপির সভাপতি অ্যাডভোকেট শফিকুল আলম মনা। অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন হিন্দু ধর্মীয় কল্যাণ ট্রাস্টের ট্রাস্টি সত্যানন্দ দত্ত এবং বিশেষ অতিথি ছিলেন হিন্দু বৌদ্ধ খ্রিস্টান ঐক্য পরিষদের কেন্দ্রীয় সভাপতি শ্রী বিজয় ঘোষ।
জেলা পূজা পরিষদের সহসভাপতি রতন কুমার মিত্রের সভাপতিত্বে ও সাধারণ সম্পাদক বিমান সাহার সঞ্চালনায় এই আয়োজনে অন্যান্যের মধ্যে বক্তব্য রাখেন বাংলাদেশ মতুয়া মহাসঙ্ঘের কেন্দ্রীয় মহাসচিব সাগর সাধু এবং খুলনা শিশু হাসপাতালের পরিচালক ড. প্রদীপ দেবনাথ। আলোচনা সভা শেষে বর্ণাঢ্য শোভাযাত্রাটি আর্য্য ধর্মসভা মন্দিরে গিয়ে শেষ হয় এবং পরবর্তীতে গভীর রাতে শ্রীকৃষ্ণের পূজা অর্চনা অনুষ্ঠিত হয়।
১৩২ বার পড়া হয়েছে