হুমায়ুন কবির সাহিত্য পুরস্কার পেলেন আজাদুর রহমানসহ তিন সাহিত্যিক
শনিবার, ২৯ আগস্ট, ২০২৬ ৮:২২ অপরাহ্ন
শেয়ার করুন:
বাংলা সাহিত্যের কবিতা, গবেষণা ও কথাসাহিত্যে গুরুত্বপূর্ণ অবদানের স্বীকৃতি হিসেবে ২০২৬ সালের হুমায়ুন কবির সাহিত্য পুরস্কার পেয়েছেন তিন সাহিত্যিক। কবিতায় আজাদুর রহমান, গবেষণায় ড. মোহাম্মদ হান্নান এবং কথাসাহিত্যে কিযী তাহনীন এ পুরস্কারে ভূষিত হয়েছেন।
বাংলা সাহিত্যের বিভিন্ন ক্ষেত্রে অবদানের স্বীকৃতি হিসেবে তিন গুণী সাহিত্যিককে ২০২৬ সালের হুমায়ুন কবির সাহিত্য পুরস্কার দিয়েছে ফরিদপুর সাহিত্য পরিষদ।
শুক্রবার বিকেলে রাজধানীর জাতীয় জাদুঘরের বেগম সুফিয়া কামাল মিলনায়তনে আয়োজিত এক অনুষ্ঠানে পুরস্কারপ্রাপ্তদের হাতে সম্মাননা তুলে দেওয়া হয়।
ফরিদপুর সাহিত্য পরিষদ আয়োজিত অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন জালাল আহমেদ। প্রধান আলোচক ছিলেন ফয়জুল লতিফ চৌধুরী। বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন কথাসাহিত্যিক আন্দালিব রাশদী ও ফরিদপুরের সাবেক জেলা প্রশাসক মোহাম্মদ কামরুল হাসান মোল্লা। শুভেচ্ছা বক্তব্য দেন গবেষক মফিজ ইমাম মিলন।
অনুষ্ঠানে হুমায়ুন কবিরের জীবন, সাহিত্য, চিন্তা ও কর্ম নিয়ে আলোচনা করেন বক্তারা। বাংলা সাহিত্যে তাঁর অবদানের পাশাপাশি বাংলাদেশের ইতিহাস ও বুদ্ধিবৃত্তিক চর্চায় তাঁর ভূমিকার বিষয়টিও আলোচনায় উঠে আসে।
প্রধান আলোচকের বক্তব্যে ফয়জুল লতিফ চৌধুরী বলেন, বাংলাদেশের ইতিহাসে হুমায়ুন কবির অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ একজন ব্যক্তি। জীবনানন্দ দাশ তাঁকে তিনটি চিঠি লিখেছিলেন বলেও উল্লেখ করেন তিনি। নতুন প্রজন্মের কাছে হুমায়ুন কবিরকে আরও পরিচিত করে তোলার প্রয়োজন রয়েছে বলে মন্তব্য করেন ফয়জুল লতিফ চৌধুরী।
পুরস্কার পাওয়ার পর নিজের অনুভূতি প্রকাশ করেন কথাসাহিত্যিক কিযী তাহনীন। তিনি বলেন, নারী হিসেবে নয়, একজন কথাসাহিত্যিক হিসেবে এ অর্জনে তিনি অত্যন্ত আনন্দিত। জীবনে এমন আনন্দের মুহূর্ত আরও আসুক—এ প্রত্যাশাও ব্যক্ত করেন তিনি।
আয়োজকেরা জানান, হুমায়ুন কবির ছিলেন বহুমাত্রিক প্রতিভার অধিকারী। সাহিত্য, গবেষণা ও চিন্তাচর্চায় তাঁর অবদান নতুন প্রজন্মের কাছে তুলে ধরা এবং সমকালীন সাহিত্যিকদের সৃজনশীল কাজকে উৎসাহিত করাই এ পুরস্কারের অন্যতম লক্ষ্য।
পুরস্কার প্রদান অনুষ্ঠানকে ঘিরে লেখক, গবেষক, সাহিত্যপ্রেমী ও সংস্কৃতিকর্মীদের অংশগ্রহণে প্রাণবন্ত পরিবেশ তৈরি হয়। বক্তারা বাংলা সাহিত্যের বিভিন্ন ক্ষেত্রে গুরুত্বপূর্ণ অবদান রাখা ব্যক্তিদের যথাযথভাবে মূল্যায়নের পাশাপাশি তাঁদের সাহিত্য ও কর্ম নিয়ে আরও গবেষণা ও পাঠচর্চার ওপর গুরুত্ব দেন।
১৪৯ বার পড়া হয়েছে