১১ মাসে যা করেছি, ঢাবির ১০৫ বছরেও কেউ পারেনি: সাদিক কায়েম
শনিবার, ২২ আগস্ট, ২০২৬ ১২:৩৮ পূর্বাহ্ন
শেয়ার করুন:
ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় ক্যাম্পাসকে নিরাপদ ও কল্যাণমুখী করতে বিগত ১১ মাসে অভূতপূর্ব উন্নয়ন করা হয়েছে বলে দাবি করেছেন ডাকসুর সহসভাপতি (ভিপি) সাদিক কায়েম। পটুয়াখালীতে এক সংবর্ধনা অনুষ্ঠানে তিনি বলেন, বিশ্ববিদ্যালয়ের ১০৫ বছরের ইতিহাসে এত দ্রুত সময়ে এমন ইতিবাচক পরিবর্তন আর কখনো হয়নি।
গত শুক্রবার পটুয়াখালী জেলা শিল্পকলা একাডেমিতে আয়োজিত এক কৃতী শিক্ষার্থী সংবর্ধনা অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে ডাকসু ভিপি সাদিক কায়েম এসব কথা বলেন। পটুয়াখালী ওয়েলফেয়ার ফাউন্ডেশনের উদ্যোগে আয়োজিত এই অনুষ্ঠানে সদর উপজেলার ৩০০ জন মেধাবী শিক্ষার্থীকে সংবর্ধনা দেওয়া হয়।
সাদিক কায়েম বলেন, দায়িত্ব গ্রহণের পর থেকে বর্তমান নেতৃত্ব শিক্ষার্থীদের সার্বিক অধিকার নিশ্চিত করতে নিরলসভাবে কাজ করে যাচ্ছে। সাধারণ শিক্ষার্থীদের মতামতের ওপর ভিত্তি করে পরিচালিত একাধিক জরিপের তথ্য উল্লেখ করে তিনি জানান, প্রায় ৯৩ শতাংশ শিক্ষার্থী এখন মনে করেন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় ক্যাম্পাস অতীতের যেকোনো সময়ের চেয়ে নিরাপদ ও শান্তিপূর্ণ রয়েছে।
ক্যাম্পাসের সার্বিক পরিবেশের আমূল পরিবর্তনের চিত্র তুলে ধরে তিনি দাবি করেন, গত ১১ মাসে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে মারামারি, সংঘর্ষ, চাঁদাবাজি এবং টেন্ডারবাজির মতো নেতিবাচক কর্মকাণ্ড প্রায় শূন্যের কোঠায় নেমে এসেছে। শিক্ষার সুষ্ঠু পরিবেশ এবং শিক্ষার্থীদের গবেষণামুখী চিন্তা প্রসারের লক্ষ্যে একাডেমিক পরিবেশ নিশ্চিত করতে তারা সফল হয়েছেন।
তরুণ ও ছাত্রসমাজের সম্ভাবনা বিকাশে বিগত সরকারগুলোর উদাসীনতার সমালোচনা করে ডাকসু ভিপি বলেন, গত ৫৫ বছরে দেশের নীতিনির্ধারকেরা তরুণ প্রজন্মকে নিয়ে সুদূরপ্রসারী কোনো পরিকল্পনা করেননি। মেধার সঠিক মূল্যায়ন না হওয়ায় দেশের মেধাবী তরুণরা বিদেশে পাড়ি জমাচ্ছেন এবং সেখানে নিজেদের যোগ্যতার স্বাক্ষর রাখছেন। দেশের ভেতরেই এই মেধা বিকাশের সুযোগ সৃষ্টি করা এখন সময়ের দাবি।
পটুয়াখালী ওয়েলফেয়ার ফাউন্ডেশনের চেয়ারম্যান আবদুল্লাহ আল নাহিয়ানের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত এই সভাটি স্থানীয় তরুণ ও শিক্ষার্থীদের মাঝে ব্যাপক উদ্দীপনার সৃষ্টি করে। দেশের প্রশাসনিক ও নীতিগত সংস্কারে তরুণদের নেতৃত্ব দেওয়ার আহ্বান জানিয়ে অনুষ্ঠানটি শেষ হয়।
১০৭ বার পড়া হয়েছে