সর্বশেষ

জাতীয়

বঙ্গভবনে অতিথিদের ভিড়, প্রবেশ করেছেন ৩ বাহিনীর প্রধানও 

স্টাফ রিপোর্টার
স্টাফ রিপোর্টার

শনিবার, ২২ আগস্ট, ২০২৬ ১:৩৬ পূর্বাহ্ন

শেয়ার করুন:
নবনির্বাচিত রাষ্ট্রপতি মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীরের শপথ গ্রহণ অনুষ্ঠানকে কেন্দ্র করে বঙ্গভবনে আমন্ত্রিত অতিথিদের প্রবেশ শুরু হয়েছে। শুক্রবার সন্ধ্যা সাড়ে ৭টায় বঙ্গভবনের ঐতিহাসিক দরবার হলে দেশের ২৩তম রাষ্ট্রপতি হিসেবে তাঁর শপথ নেওয়ার কথা রয়েছে।

শুক্রবার (২১ আগস্ট) সন্ধ্যা ৬টা ২৫ মিনিটের দিকে সেনাবাহিনী, নৌবাহিনী ও বিমান বাহিনীর প্রধানেরা শপথ অনুষ্ঠানে যোগ দিতে বঙ্গভবনে প্রবেশ করেন। সেনাবাহিনী প্রধান জেনারেল ওয়াকার-উজ-জামান, নৌবাহিনী প্রধান ভাইস অ্যাডমিরাল খোন্দকার মিসবাহ উল আজীম এবং বিমান বাহিনী প্রধান এয়ার চিফ মার্শাল হাসান মাহমুদ খাঁন অনুষ্ঠানে উপস্থিত হন।

এরপর একে একে মন্ত্রী, সংসদ সদস্য, কূটনীতিক, রাজনৈতিক নেতা, সামরিক ও বেসামরিক কর্মকর্তা এবং বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার বিশিষ্ট ব্যক্তিরা বঙ্গভবনে প্রবেশ করতে থাকেন। আমন্ত্রিত অতিথিদের পরিচয় ও আমন্ত্রণপত্র যাচাই করে অনুষ্ঠানস্থলে প্রবেশের অনুমতি দেওয়া হচ্ছে।

শপথ অনুষ্ঠানকে কেন্দ্র করে বঙ্গভবন ও আশপাশের এলাকায় নিরাপত্তাব্যবস্থা জোরদার করা হয়েছে। বঙ্গভবনের প্রধান ফটক, সামনের সড়কসহ গুরুত্বপূর্ণ বিভিন্ন পয়েন্টে অতিরিক্ত আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সদস্য মোতায়েন করা হয়েছে। যান চলাচল স্বাভাবিক রাখতে বিশেষ ট্রাফিক ব্যবস্থাও নেওয়া হয়েছে।

মন্ত্রিপরিষদ বিভাগের তথ্য অনুযায়ী, রাষ্ট্রপতির শপথ অনুষ্ঠানে ১ হাজার ২০০-এর বেশি অতিথিকে আমন্ত্রণ জানানো হয়েছে। বঙ্গভবনের দরবার হলের প্রস্তুতিও ইতিমধ্যে সম্পন্ন হয়েছে। রাষ্ট্রপতির প্রেস সচিব মো. সরওয়ার আলম জানিয়েছেন, শপথ অনুষ্ঠানের সব আয়োজন শেষ হয়েছে।

অনুষ্ঠান পরিচালনা করবেন মন্ত্রিপরিষদ সচিব নাসিমুল গনি। নবনির্বাচিত রাষ্ট্রপতি মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীরকে শপথবাক্য পাঠ করাবেন জাতীয় সংসদের ভারপ্রাপ্ত স্পিকার কায়সার কামাল।

এর আগে শুক্রবার জুমার নামাজের পর রাজধানীর শেরেবাংলা নগরের চন্দ্রিমা উদ্যানে বিএনপির প্রতিষ্ঠাতা ও সাবেক রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান এবং সাবেক প্রধানমন্ত্রী খালেদা জিয়ার সমাধিতে শ্রদ্ধা জানান মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর। পরে তিনি রাষ্ট্রপতির শপথ নেওয়ার জন্য বঙ্গভবনের উদ্দেশে রওনা হন।

এর আগে বৃহস্পতিবার জাতীয় সংসদের বিশেষ অধিবেশনে রাষ্ট্রপতি নির্বাচনের ভোট গ্রহণ অনুষ্ঠিত হয়। দুপুর ২টা থেকে বিকেল ৫টা পর্যন্ত ভোট গ্রহণ করা হয়। নির্বাচনে মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর ২৫৫ ভোট পেয়ে নির্বাচিত হন। তাঁর প্রতিদ্বন্দ্বী জামায়াতে ইসলামী নেতৃত্বাধীন ১১-দলীয় ঐক্য সমর্থিত প্রার্থী কর্নেল (অব.) অলি আহমদ পান ৮৮ ভোট। দুই প্রার্থীর মধ্যে ভোটের ব্যবধান ছিল ১৬৭ ভোট।

নির্বাচন কমিশনের ভোটার তালিকায় মোট ভোটার ছিলেন ৩৪৯ জন সংসদ সদস্য। তাঁদের মধ্যে ৩৪৩ জন ভোট দেন। বিভিন্ন কারণে ছয়জন সংসদ সদস্য ভোট দিতে পারেননি বলে জানান প্রধান নির্বাচন কমিশনার ও রাষ্ট্রপতি নির্বাচনের নির্বাচনী কর্মকর্তা এ এম এম নাসির উদ্দিন।

ভোটের ফলাফলের পর নির্বাচন কমিশন মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীরকে বাংলাদেশের ২৩তম রাষ্ট্রপতি হিসেবে নির্বাচিত ঘোষণা করে প্রজ্ঞাপন জারি করে। বৃহস্পতিবার সন্ধ্যায় ইসির সিনিয়র সচিব আখতার আহমেদ স্বাক্ষরিত ওই প্রজ্ঞাপন প্রকাশ করা হয়।

শপথ গ্রহণের মধ্য দিয়ে মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর আনুষ্ঠানিকভাবে রাষ্ট্রপতির দায়িত্ব গ্রহণ করবেন। সংবিধান অনুযায়ী, রাষ্ট্রপতি একই সঙ্গে বাংলাদেশের সশস্ত্র বাহিনীর সর্বাধিনায়ক হিসেবেও দায়িত্ব পালন করেন।

১১১ বার পড়া হয়েছে

শেয়ার করুন:

মন্তব্য

(0)

বিজ্ঞাপন
৩২০ x ৫০
বিজ্ঞাপন

বিজ্ঞাপন

৩০০ x ২৫০

বিজ্ঞাপন
এলাকার খবর

বিজ্ঞাপন

৩০০ x ২৫০

বিজ্ঞাপন














সর্বশেষ সব খবর
জাতীয় নিয়ে আরও পড়ুন

বিজ্ঞাপন

২৫০ x ২৫০

বিজ্ঞাপন

বিজ্ঞাপন
৩২০ x ৫০
বিজ্ঞাপন