সর্বশেষ

সারাদেশ

গোয়াইনঘাটে সেতু থাকলেও নেই সংযোগ সড়ক; বাঁশ দিয়ে ঝুঁকিপূর্ণ পারাপার

রাজু বিশ্বাস, গোয়াইনঘাট, সিলেট
রাজু বিশ্বাস, গোয়াইনঘাট, সিলেট

শনিবার, ১৫ আগস্ট, ২০২৬ ৪:১০ পূর্বাহ্ন

শেয়ার করুন:
সিলেটের গোয়াইনঘাট উপজেলার পূর্ব জাফলং ইউনিয়নের তামাখালি আম স্বপ্ন হেলালের বাড়ির সামনে দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা ও ত্রাণ মন্ত্রণালয়ের অর্থায়নে সড়ক যোগাযোগব্যবস্থার উন্নয়নে দুটি সেতুর নির্মাণকাজ চলছে। এর মধ্যে একটি সেতুর নির্মাণকাজ শেষ হলেও মূল সড়কের সঙ্গে সংযোগ সড়ক না থাকায় সেটি ব্যবহার করতে পারছেন না স্থানীয় বাসিন্দারা। বাধ্য হয়ে সেতুর দুই পাশে বাঁশের সিঁড়ি তৈরি করে ঝুঁকি নিয়ে পারাপার করছেন তাঁরা। এতে প্রতিদিন শত শত মানুষ ও শিক্ষার্থী দুর্ভোগের শিকার হচ্ছেন।

সিলেটের গোয়াইনঘাট উপজেলার ৩ নম্বর পূর্ব জাফলং ইউনিয়নের তামাখালি আম স্বপ্ন হেলালের বাড়ির সামনে সড়ক যোগাযোগব্যবস্থার উন্নয়নে দুটি সেতুর নির্মাণকাজ চলছে। স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা ও ত্রাণ মন্ত্রণালয়ের আওতাধীন প্রকল্পটির একটি সেতুর নির্মাণকাজ ইতিমধ্যে শেষ হয়েছে। তবে সেতুটির সঙ্গে মূল সড়কের সংযোগ তৈরি না হওয়ায় সেটি স্বাভাবিকভাবে ব্যবহার করা যাচ্ছে না।

স্থানীয় বাসিন্দাদের অভিযোগ, সেতুটি মূল সড়কের তুলনায় বেশ উঁচু করে নির্মাণ করা হয়েছে। কিন্তু প্রয়োজনীয় অ্যাপ্রোচ সড়ক বা সংযোগ সড়ক তৈরি না করায় সেতুতে ওঠানামার স্বাভাবিক পথ নেই। ফলে স্থানীয় লোকজন নিজেদের উদ্যোগে সেতুর দুই পাশে লম্বা বাঁশের সিঁড়ি তৈরি করেছেন। প্রতিদিন ওই সিঁড়ি ব্যবহার করেই তাঁদের চলাচল করতে হচ্ছে।

এলাকাবাসী জানান, আম স্বপ্ন গ্রামসহ আশপাশের এলাকার মানুষ, শিক্ষার্থী, শিশু ও বয়স্ক ব্যক্তিরা নিয়মিত এই পথ ব্যবহার করেন। স্থানীয় স্কুল-কলেজের শিক্ষার্থীদেরও প্রতিদিন ঝুঁকি নিয়ে বাঁশের সিঁড়ি দিয়ে সেতু পার হতে হচ্ছে। বৃষ্টি হলে সিঁড়ি আরও পিচ্ছিল হয়ে যায়। এতে যেকোনো সময় দুর্ঘটনা ঘটতে পারে বলে আশঙ্কা করছেন স্থানীয় বাসিন্দারা।

বিশেষ করে শিশু, বয়স্ক ব্যক্তি ও অসুস্থ রোগীদের পারাপারে দুর্ভোগ বেশি হচ্ছে। স্থানীয়দের দাবি, দ্রুত সেতুটির দুই পাশে প্রয়োজনীয় সংযোগ সড়ক নির্মাণ করে নিরাপদ চলাচলের ব্যবস্থা করা হোক। পাশাপাশি প্রকল্পের আওতাধীন অপর সেতুটির নির্মাণকাজও দ্রুত শেষ করার দাবি জানিয়েছেন তাঁরা।

এ বিষয়ে বিস্তারিত জানতে দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা ও ত্রাণ মন্ত্রণালয়, গোয়াইনঘাট উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা, উপজেলা প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তা এবং সংশ্লিষ্ট ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যানের সঙ্গে যোগাযোগের চেষ্টা করা হচ্ছে।

স্থানীয় সাংবাদিক রাজু বিশ্বাস দুর্জয় বলেন, বর্ষাকাল ও প্রতিকূল আবহাওয়ার কারণে প্রকল্প বাস্তবায়নের কাজে কিছুটা বিঘ্ন ঘটতে পারে। তাঁর ধারণা, আগামী তিন থেকে ছয় মাসের মধ্যে অপর সেতুটির নির্মাণকাজ সম্পন্ন হতে পারে।

তবে স্থানীয় বাসিন্দারা বলছেন, নির্মাণকাজ শেষ হওয়ার অপেক্ষায় ঝুঁকিপূর্ণ বাঁশের সিঁড়ি ব্যবহার করে তাঁদের চলাচল করতে হচ্ছে। তাই দুর্ঘটনা এড়াতে দ্রুত সংযোগ সড়ক নির্মাণ ও নিরাপদ চলাচলের ব্যবস্থা করার দাবি তাঁদের।

১২৩ বার পড়া হয়েছে

শেয়ার করুন:

মন্তব্য

(0)

বিজ্ঞাপন
৩২০ x ৫০
বিজ্ঞাপন

বিজ্ঞাপন

৩০০ x ২৫০

বিজ্ঞাপন
এলাকার খবর

বিজ্ঞাপন

৩০০ x ২৫০

বিজ্ঞাপন














সর্বশেষ সব খবর
সারাদেশ নিয়ে আরও পড়ুন

বিজ্ঞাপন

২৫০ x ২৫০

বিজ্ঞাপন

বিজ্ঞাপন
৩২০ x ৫০
বিজ্ঞাপন