পটুয়াখালীতে ৫ দিনের টানা বৃষ্টিতে জনজীবন বিপর্যস্ত, পায়রা বন্দরে ৩ নম্বর সতর্ক সংকেত
বুধবার, ৮ জুলাই, ২০২৬ ৬:৫০ অপরাহ্ন
শেয়ার করুন:
সক্রিয় মৌসুমী বায়ুর প্রভাবে পটুয়াখালীসহ উপকূলীয় এলাকায় টানা পাঁচ দিন ধরে চলছে ভারী বৃষ্টিপাত। এতে চরম ভোগান্তিতে পড়েছেন খেটে খাওয়া মানুষ এবং উত্তাল রয়েছে বঙ্গোপসাগর। পায়রাসহ দেশের সব সমুদ্র বন্দরে ৩ নম্বর স্থানীয় সতর্ক সংকেত বহাল রাখা হয়েছে।
পটুয়াখালীর কলাপাড়াসহ উপকূলীয় এলাকায় গত কয়েকদিন ধরে চলা এই বর্ষণে বিপাকে পড়েছেন দিনমজুর ও শ্রমজীবী মানুষ। আবহাওয়া অফিসের তথ্য অনুযায়ী, গত ২৪ ঘণ্টায় জেলায় ৭০ দশমিক ২ মিলিমিটার বৃষ্টিপাত রেকর্ড করা হয়েছে। অনবরত বৃষ্টির কারণে ব্যাহত হচ্ছে স্বাভাবিক কাজকর্ম, বিশেষ করে রিকশাচালক ও ভ্যানচালকরা তীব্র সংকটে পড়েছেন।
ভারী বর্ষণের ফলে উপকূলবর্তী নিচু এলাকা, খাল-বিল এবং ফসলি জমি পানির নিচে তলিয়ে গেছে। বেশ কিছু এলাকায় জলাবদ্ধতার সৃষ্টি হওয়ায় সাধারণ মানুষের চলাচলেও বিঘ্ন ঘটছে। কুয়াকাটা সংলগ্ন বঙ্গোপসাগর উত্তাল থাকায় এবং আকাশে ঘন মেঘের আনাগোনা বৃদ্ধি পাওয়ায় দুর্যোগপূর্ণ পরিস্থিতি বিরাজ করছে।
আবহাওয়া অধিদপ্তর জানিয়েছে, উপকূলীয় অঞ্চলে আরও মাঝারি থেকে ভারী বৃষ্টি অথবা বজ্রসহ বৃষ্টিপাত হতে পারে। সেই সঙ্গে দমকা হাওয়া বয়ে যাওয়ার আশঙ্কায় পায়রা, চট্টগ্রাম, মোংলা ও কক্সবাজার সমুদ্র বন্দরকে ৩ নম্বর স্থানীয় সতর্ক সংকেত দেখিয়ে যেতে বলা হয়েছে। সমুদ্রের উত্তাল পরিস্থিতির কারণে সব ধরনের মাছ ধরা ট্রলারকে নিরাপদে নোঙর করার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।
মহিপুর মৎস্য আড়ৎ সমবায় মালিক সমিতির সাবেক সভাপতি মো. দিদার উদ্দিন আহম্মেদ মাসুম জানান, বৈরী আবহাওয়ার কারণে সমুদ্রে অবস্থানরত অধিকাংশ মাছ ধরা ট্রলার ইতিমধ্যেই শিববাড়িয়া পোতাশ্রয়ে নিরাপদ আশ্রয় গ্রহণ করেছে। পরিস্থিতি স্বাভাবিক না হওয়া পর্যন্ত জেলেদের গভীর সমুদ্রে না যাওয়ার পরামর্শ দেওয়া হয়েছে।
১৭৭ বার পড়া হয়েছে