সর্বশেষ

সারাদেশ

নাচোলে মাদরাসা সংস্কার অর্থ আত্মসাতের অভিযোগ, তদন্ত প্রতিবেদন দাখিল

আশরাফুল ইসলাম, চাঁপাইনবাবগঞ্জ
আশরাফুল ইসলাম, চাঁপাইনবাবগঞ্জ

মঙ্গলবার, ২৩ জুন, ২০২৬ ৯:১১ অপরাহ্ন

শেয়ার করুন:
চাঁপাইনবাবগঞ্জের নাচোল উপজেলায় একটি দাখিল মাদরাসার সংস্কার প্রকল্পকে কেন্দ্র করে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার (ইউএনও) কার্যালয়ের এক উপপ্রশাসনিক কর্মকর্তার বিরুদ্ধে অর্থ আত্মসাতের অভিযোগ উঠেছে। তবে অভিযুক্ত কর্মকর্তা অভিযোগকে সম্পূর্ণ মিথ্যা ও ভিত্তিহীন বলে দাবি করেছেন। এদিকে প্রকল্পের বাস্তবায়ন ও অর্থব্যয়ের বিষয়ে স্থানীয় প্রশাসন ও প্রকৌশল বিভাগ ভিন্ন ভিন্ন ব্যাখ্যা দিয়েছে।

আলীশাপুর দাখিল মাদরাসা

জানা যায়, ২০২৪-২০২৫ অর্থবছরে ফতেপুর ইউনিয়নের আলীশাপুর দাখিল মাদরাসার ঝড়ে ক্ষতিগ্রস্ত টিনের চালা সংস্কারের জন্য উপজেলা পরিষদের রাজস্ব খাত থেকে ২ লাখ টাকা বরাদ্দ দেওয়া হয়। প্রকল্পটি পিআইসি কমিটির মাধ্যমে বাস্তবায়ন করা হয় এবং কারিগরি তদারকির দায়িত্বে ছিলেন স্থানীয় এলজিইডির উপসহকারী প্রকৌশলী ফাহাদ আলী।

সংশ্লিষ্ট সূত্র অনুযায়ী, বরাদ্দকৃত অর্থ থেকে ১৫ শতাংশ ভ্যাট ও আয়কর কর্তনের পর প্রায় ১ লাখ ৭০ হাজার টাকা ব্যয়ে সংস্কার কাজ সম্পন্ন হয়। কাজ শেষ হওয়ার পর মাদরাসার সুপার মাওলানা রবিউল ইসলাম কাজ সন্তোষজনকভাবে সম্পন্ন হয়েছে বলে প্রত্যয়নপত্র প্রদান করেন।

তবে সম্প্রতি প্রকল্পের সভাপতি ও ফতেপুর ইউনিয়নের সংরক্ষিত নারী সদস্য মোছা. ইসমোতারা গণমাধ্যমে দেওয়া বক্তব্যে প্রকল্পের কাজ নিয়ে প্রশ্ন তোলেন। তিনি দাবি করেন, তাকে যথাযথভাবে অবহিত না করেই প্রকল্পের সভাপতি করা হয়েছে এবং কাজ সঠিকভাবে হয়নি। তবে তার বক্তব্যে ইউএনও কার্যালয়ের কোনো কর্মকর্তার নাম উল্লেখ করা হয়নি।

প্রশাসনিক ভবন, নাচোল, চাঁপাইনবাবগঞ্জ

এরই মধ্যে কয়েকটি গণমাধ্যমে ইউএনও কার্যালয়ের উপপ্রশাসনিক কর্মকর্তা রবিউল ইসলামের নাম জড়িয়ে প্রতিবেদন প্রকাশিত হলে বিষয়টি নিয়ে এলাকায় নতুন বিতর্কের সৃষ্টি হয়।

অভিযোগের বিষয়ে রবিউল ইসলাম বলেন, তিনি শুধু প্রকল্পের চেক রেজিস্টারে এন্ট্রি করে ফাইল নোটের মাধ্যমে ইউএনওর কাছে উপস্থাপন করেছেন। অর্থ লেনদেনের সঙ্গে তার কোনো সংশ্লিষ্টতা নেই বলেও দাবি করেন তিনি।

অন্যদিকে উপজেলা প্রকৌশলী (এলজিইডি) সাদেকুল ইসলাম জানান, বিধি অনুযায়ী ভ্যাট ও কর কর্তনের পর অবশিষ্ট অর্থে কাজ সম্পন্ন হয়েছে এবং প্রয়োজনীয় কাগজপত্রে প্রকল্প সভাপতি স্বাক্ষর করেছেন।

এদিকে জানা গেছে, অভিযোগের বিষয়ে তদন্ত করে জেলা প্রশাসকের কার্যালয়ের জেলা ভূমি অধিগ্রহণ কর্মকর্তা জাহিদ হাসান গত ২৭ এপ্রিল প্রতিবেদন জমা দিয়েছেন। জেলা প্রশাসক আবু ছালেহ মো. মুসা জঙ্গি জানান, প্রতিবেদন পর্যালোচনা করে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

১২১ বার পড়া হয়েছে

শেয়ার করুন:

মন্তব্য

(0)

বিজ্ঞাপন
৩২০ x ৫০
বিজ্ঞাপন

বিজ্ঞাপন

৩০০ x ২৫০

বিজ্ঞাপন
এলাকার খবর

বিজ্ঞাপন

৩০০ x ২৫০

বিজ্ঞাপন














সর্বশেষ সব খবর
সারাদেশ নিয়ে আরও পড়ুন

বিজ্ঞাপন

২৫০ x ২৫০

বিজ্ঞাপন

বিজ্ঞাপন
৩২০ x ৫০
বিজ্ঞাপন