সর্বশেষ

সারাদেশ

মেঘনা নদী থেকে আরও এক যুবকের মরদেহ উদ্ধার, নিহত ৩

মো: শামীম মিয়া, নরসিংদী
মো: শামীম মিয়া, নরসিংদী

শুক্রবার, ১৯ জুন, ২০২৬ ৬:২২ অপরাহ্ন

শেয়ার করুন:
নরসিংদীর রায়পুরা উপজেলার নিলক্ষা ইউনিয়নে আধিপত্য বিস্তারকে কেন্দ্র করে দুই পক্ষের সংঘর্ষের ঘটনায় লতিফ মোল্লা (৩২) নামে আরও এক ব্যক্তির মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ। মেঘনা নদী থেকে বৃহস্পতিবার তাঁর মরদেহ উদ্ধার করা হয়। এ নিয়ে সংঘর্ষে নিহতের সংখ্যা বেড়ে দাঁড়িয়েছে তিনজনে। ঘটনার ঘটনায় ইতোমধ্যে ৩০ জনের নাম উল্লেখ করে মামলা হয়েছে।

নরসিংদীর রায়পুরা উপজেলার নিলক্ষা ইউনিয়নে আধিপত্য বিস্তারকে কেন্দ্র করে দুই পক্ষের সংঘর্ষের ঘটনায় লতিফ মোল্লা (৩২) নামে আরও এক ব্যক্তির মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ। বৃহস্পতিবার (১৮ জুন) দুপুরে ইউনিয়নের হরিপুর গ্রামসংলগ্ন মেঘনা নদী থেকে তাঁর মরদেহ উদ্ধার করা হয়।

নিহত লতিফ মোল্লা উপজেলার বীরগাঁও গ্রামের কান্দাপাড়া এলাকার শহীদ মিয়ার ছেলে। তিনি মালয়েশিয়া প্রবাসী ছিলেন এবং গত সপ্তাহে দেশে ফেরেন। তাঁর পরিবারে ১০ মাসের অন্তঃসত্ত্বা স্ত্রী ও দুই কন্যাসন্তান রয়েছে। গত মঙ্গলবার সংঘর্ষের পর থেকে তিনি নিখোঁজ ছিলেন।

পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, দীর্ঘদিন ধরে নিলক্ষা ইউনিয়নে আধিপত্য বিস্তারকে কেন্দ্র করে নাজিম উদ্দিন ও আলাল মুন্সি গ্রুপের মধ্যে বিরোধ চলছিল। এর জেরে মঙ্গলবার ভোরে হরিপুর ও দড়িগাঁও গ্রামের সমর্থকদের মধ্যে সংঘর্ষ শুরু হয়। কয়েক ঘণ্টাব্যাপী সংঘর্ষে দেশীয় অস্ত্র ও আগ্নেয়াস্ত্র ব্যবহারের পাশাপাশি কয়েকটি বাড়িঘরে ভাঙচুর ও অগ্নিসংযোগের ঘটনাও ঘটে।

সংঘর্ষে অন্তত ১০ জন আহত হন। গুরুতর আহতদের মধ্যে অনিক মিয়া (২০), রাজু (২৮) ও মোবারক হোসেনকে প্রথমে নরসিংদী সদর হাসপাতালে নেওয়া হয়। পরে উন্নত চিকিৎসার জন্য ঢাকায় পাঠানো হলে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় অনিকের মৃত্যু হয়।

পরদিন বুধবার সদর উপজেলার চরদীঘলদী ইউনিয়নের জিৎরামপুর এলাকায় নিখোঁজ কাওসার আহমেদ (৩৭)-এর মরদেহ ভেসে ওঠে। পরে মাধবদী থানা পুলিশ মরদেহ উদ্ধার করে রায়পুরা থানা পুলিশের কাছে হস্তান্তর করে।

বৃহস্পতিবার দুপুরে হরিপুর এলাকায় মেঘনা নদীতে একটি মরদেহ ভাসতে দেখে স্থানীয় লোকজন সেটি তীরে নিয়ে আসেন। পরে পরিবারের সদস্যরা মরদেহটি লতিফ মোল্লার বলে শনাক্ত করেন। খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে মরদেহ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য নরসিংদী সদর হাসপাতালের মর্গে পাঠায়।

রায়পুরা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. মজিবুর রহমান জানান, সংঘর্ষের ঘটনায় এখন পর্যন্ত তিনজনের মরদেহ উদ্ধার করা হয়েছে। নিহত অনিকের মা নাসিমা খাতুন বাদী হয়ে ৩০ জনের নাম উল্লেখসহ অজ্ঞাতনামা কয়েকজনকে আসামি করে মামলা করেছেন। তবে এ ঘটনায় এখন পর্যন্ত কাউকে আটক করা সম্ভব হয়নি। জড়িতদের গ্রেপ্তারে পুলিশের অভিযান অব্যাহত রয়েছে।

১১৭ বার পড়া হয়েছে

শেয়ার করুন:

মন্তব্য

(0)

বিজ্ঞাপন
৩২০ x ৫০
বিজ্ঞাপন

বিজ্ঞাপন

৩০০ x ২৫০

বিজ্ঞাপন
এলাকার খবর

বিজ্ঞাপন

৩০০ x ২৫০

বিজ্ঞাপন














সর্বশেষ সব খবর
সারাদেশ নিয়ে আরও পড়ুন

বিজ্ঞাপন

২৫০ x ২৫০

বিজ্ঞাপন

বিজ্ঞাপন
৩২০ x ৫০
বিজ্ঞাপন