উঠানের পানি নিষ্কাশন নিয়ে সংঘর্ষে একজন নিহত, আহত ৩, গ্রেফতার ৬
বুধবার, ৩ জুন, ২০২৬ ৪:২৮ অপরাহ্ন
শেয়ার করুন:
পটুয়াখালীর বাউফল উপজেলায় বাড়ির উঠানে জমে থাকা বৃষ্টির পানি নিষ্কাশন নিয়ে তুচ্ছ বিরোধকে কেন্দ্র করে এক ব্যক্তিকে পিটিয়ে হত্যার ঘটনা ঘটেছে। এ ঘটনায় নিহতের স্ত্রী ও দুই ছেলে গুরুতর আহত হয়েছেন। পরে পুলিশ অভিযান চালিয়ে ঘটনায় জড়িত থাকার অভিযোগে ৬ জনকে গ্রেফতার করেছে।
বুধবার (৩ জুন) সকাল সাড়ে ৭টার দিকে উপজেলার কালাইয়া ইউনিয়নের উত্তর কালাইয়া গ্রামের লঞ্চঘাট এলাকায় এ ঘটনা ঘটে। নিহত ব্যক্তির নাম রবিন হাওলাদার (৫০)। আহতরা হলেন তার স্ত্রী ঠাকুর রানী হাওলাদার (৪৫), ছেলে রনি হাওলাদার (২২) ও হৃদয় হাওলাদার (২৪)।
স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, বর্ষা মৌসুমে বাড়ির উঠানে দীর্ঘদিন ধরে বৃষ্টির পানি জমে থাকায় তা নিষ্কাশনের জন্য একই বাড়ির সাতটি পরিবার মিলে একটি প্লাস্টিকের পাইপ স্থাপনের সিদ্ধান্ত নেয়। তবে ব্যয় ভাগাভাগি নিয়ে একই পরিবারের আনন্দ ব্যাপারী পক্ষ আপত্তি জানালে বিরোধের সূত্রপাত হয়।
এরই জেরে বুধবার সকালে রবিন হাওলাদার ও আনন্দ ব্যাপারী পরিবারের মধ্যে কথা কাটাকাটি হয়। একপর্যায়ে রতন ব্যাপারীর নেতৃত্বে ৮–১০ জনের একটি দল লাঠিসোঁটা ও দেশীয় অস্ত্র নিয়ে রবিন হাওলাদারের ওপর হামলা চালায় বলে অভিযোগ পাওয়া গেছে।
হামলাকারীদের আক্রমণ থেকে স্বামীকে রক্ষা করতে গেলে তার স্ত্রী ও দুই ছেলেও মারধরের শিকার হন। গুরুতর আহত অবস্থায় স্থানীয়রা তাদের উদ্ধার করে বাউফল উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে গেলে কর্তব্যরত চিকিৎসক রবিন হাওলাদারকে মৃত ঘোষণা করেন।
ঘটনার পর এলাকায় উত্তেজনা ছড়িয়ে পড়ে। পরে পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে অভিযান চালিয়ে ৬ জনকে গ্রেফতার করে।
বাউফল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. সিরাজুল ইসলাম ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে জানান, নিহতের মরদেহ ময়নাতদন্তের জন্য পটুয়াখালী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে। এ ঘটনায় নিহতের ছেলে হৃদয় হাওলাদার বাদী হয়ে হত্যা মামলা দায়ের করেছেন।
১৩১ বার পড়া হয়েছে