তোফায়েল আহমেদের গ্রামের বাড়িতে দাফন প্রস্তুতি, বাদ জোহর জানাজা
মঙ্গলবার, ২ জুন, ২০২৬ ৬:৪৩ অপরাহ্ন
শেয়ার করুন:
ভোলার কৃতী সন্তান ও বর্ষীয়ান রাজনীতিবিদ তোফায়েল আহমেদের মৃত্যুতে তার নিজ গ্রাম ভোলা সদর উপজেলার দক্ষিণ দিঘলদী ইউনিয়নের কোড়ালিয়া গ্রামে শোকের ছায়া নেমে এসেছে।
তার মৃত্যুতে স্থানীয় বাসিন্দা, আত্মীয়-স্বজন এবং শুভানুধ্যায়ীরা গভীর শোক প্রকাশ করেছেন। গ্রামের বাড়িতে এরই মধ্যে দাফনের প্রস্তুতি শুরু হয়েছে এবং কবর খোঁড়ার কাজ চলছে।
পরিবারের সদস্যদের সূত্রে জানা গেছে, মঙ্গলবার দুপুরে ঢাকার একটি হাসপাতাল থেকে হেলিকপ্টারযোগে তার মরদেহ ভোলায় আনা হয়। পরে ভোলা বাসস্ট্যান্ড সংলগ্ন হেলিপ্যাড থেকে অ্যাম্বুলেন্সে করে মরদেহ ভোলা বালক উচ্চ বিদ্যালয় মাঠে নেওয়া হয়।
সেখানে জোহরের নামাজের পর মরহুমের জানাজা অনুষ্ঠিত হওয়ার কথা রয়েছে। জানাজা শেষে মরদেহ তার গ্রামের বাড়ি কোড়ালিয়া গ্রামে নেওয়া হবে। পরিবারের সিদ্ধান্ত অনুযায়ী, সেখানে তার মা-বাবা ও স্ত্রীর কবরের পাশে দাফন করা হবে। স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, গ্রামের বাড়িতেও একটি জানাজার আয়োজন করা হতে পারে।
দীর্ঘদিন ধরে অসুস্থ থাকার পর ঢাকার একটি বেসরকারি হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় সোমবার (১ জুন) বিকেল সাড়ে ৩টার দিকে তোফায়েল আহমেদ মৃত্যুবরণ করেন।
বাংলাদেশের রাজনৈতিক অঙ্গনে তোফায়েল আহমেদ ছিলেন সুপরিচিত একটি নাম। তিনি ১৯৬৯ সালের গণঅভ্যুত্থান এবং মহান মুক্তিযুদ্ধের অন্যতম সংগঠক হিসেবে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেন। মাত্র ২৭ বছর বয়সে ১৯৭০ সালে পাকিস্তান জাতীয় পরিষদের সদস্য (এমএনএ) নির্বাচিত হন। এছাড়া তিনি ১৯৬৭ থেকে ১৯৬৯ সাল পর্যন্ত ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রীয় ছাত্র সংসদ (ডাকসু)-এর সহ-সভাপতি (ভিপি) হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন।
দীর্ঘ রাজনৈতিক জীবনে তিনি নয়বার জাতীয় সংসদ সদস্য নির্বাচিত হন এবং একাধিকবার মন্ত্রীর দায়িত্ব পালন করেন। তিনি আওয়ামী লীগের প্রেসিডিয়াম সদস্য হিসেবে দায়িত্ব পালন করেছেন এবং সর্বশেষ দলটির উপদেষ্টা পরিষদের সদস্য ছিলেন।
তার মৃত্যুতে রাজনৈতিক অঙ্গনসহ ভোলার সর্বস্তরের মানুষের মধ্যে শোকের আবহ বিরাজ করছে।
১৫৯ বার পড়া হয়েছে