সর্বশেষ

সারাদেশ

ঠাকুরগাঁওয়ে টিআরসি নিয়োগে ২৬ জন সুপারিশপ্রাপ্ত, স্বচ্ছতায় সন্তুষ্টি

জাকির মোস্তাফিজ মিলু, ঠাকুরগাঁও
জাকির মোস্তাফিজ মিলু, ঠাকুরগাঁও

সোমবার, ২৫ মে, ২০২৬ ৭:৫৯ পূর্বাহ্ন

শেয়ার করুন:
ঠাকুরগাঁওয়ে বাংলাদেশ পুলিশে ট্রেইনি রিক্রুট কনস্টেবল (টিআরসি) পদে মেধা ও যোগ্যতার ভিত্তিতে ২৬ জন তরুণ-তরুণীকে নিয়োগের জন্য সুপারিশ করা হয়েছে।

নির্বাচিতদের মধ্যে রয়েছেন ২ জন নারী ও ৫ জন সনাতন ধর্মাবলম্বী প্রার্থী। নিয়োগপ্রাপ্তদের পরিবারে বইছে আনন্দের বন্যা। জেলা পুলিশ দাবি করেছে, পুরো নিয়োগ কার্যক্রম শতভাগ স্বচ্ছতার সঙ্গে সম্পন্ন হয়েছে।

রোববার রাতে বিষয়টি নিশ্চিত করেন ঠাকুরগাঁওয়ের পুলিশ সুপার বেলাল হোসেন। তিনি জানান, দীর্ঘ ও কঠোর যাচাই-বাছাই শেষে চূড়ান্ত ফলাফল প্রকাশ করা হয়েছে।

জানা যায়, গত ২৩ মে গভীর রাত থেকে ২৪ মে রাত ৯টা পর্যন্ত ঠাকুরগাঁও পুলিশ লাইন্সে টিআরসি নিয়োগ কার্যক্রম চলে। লিখিত, মৌখিক ও মনস্তাত্ত্বিক পরীক্ষার বিভিন্ন ধাপ শেষে চূড়ান্তভাবে ২৬ জনকে নির্বাচিত করা হয়। পাশাপাশি ৫ জনের একটি অপেক্ষমাণ তালিকাও প্রকাশ করা হয়েছে।

জেলা পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, এ নিয়োগে জেলার মোট ২ হাজার ৬৫০ জন প্রার্থী আবেদন করেন। শারীরিক সক্ষমতা যাচাই শেষে ২৫৮ জন উত্তীর্ণ হন। পরে লিখিত পরীক্ষায় অংশ নেন ২৫০ জন, যার মধ্যে ৫০ জন উত্তীর্ণ হয়ে মৌখিক পরীক্ষায় অংশগ্রহণ করেন। সবশেষে মেধা ও যোগ্যতার ভিত্তিতে ২৬ জনকে চূড়ান্তভাবে সুপারিশ করা হয়।

নিয়োগ প্রক্রিয়ার স্বচ্ছতা নিশ্চিত করতে ঠাকুরগাঁও সদর, পীরগঞ্জ, রাণীশংকৈল ও হরিপুর উপজেলাসহ বিভিন্ন এলাকায় সচেতনতামূলক সভার আয়োজন করা হয়। এসব সভায় পুলিশ সুপার নিজে উপস্থিত থেকে দালালচক্র, তদবির ও অসৎ উপায়ে চাকরি পাওয়ার অপচেষ্টা সম্পর্কে কঠোর সতর্কবার্তা দেন। তিনি বলেন, “নিয়োগ হবে দিনের আলোর মতো স্বচ্ছ, এখানে কোনো অনিয়মের সুযোগ নেই।”

টিআরসি নিয়োগের বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করা হয় গত ২৭ ফেব্রুয়ারি ২০২৬। এরপর ২৪ থেকে ২৬ এপ্রিল পর্যন্ত শারীরিক সক্ষমতা পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হয়। ১৬ মে লিখিত পরীক্ষা নেওয়া হয় এবং ২৪ মে প্রকাশ করা হয় লিখিত পরীক্ষার ফলাফল। পরে উত্তীর্ণদের মৌখিক ও মনস্তাত্ত্বিক পরীক্ষা গ্রহণ শেষে চূড়ান্ত ফলাফল ঘোষণা করা হয়।

ফলাফল প্রকাশের পর জেলা পুলিশের পক্ষ থেকে নির্বাচিত প্রার্থীদের ফুল দিয়ে শুভেচ্ছা জানানো হয়। এ সময় নিয়োগপ্রাপ্তদের স্বজনদের উপস্থিতিতে পুলিশ লাইন্সে আনন্দঘন পরিবেশের সৃষ্টি হয়।

তিন সদস্যের নিয়োগ বোর্ডে চেয়ারম্যান হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন পুলিশ সুপার বেলাল হোসেন। সদস্য ছিলেন অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (ট্রাফিক), দিনাজপুর সুমন রঞ্জন সরকার এবং পঞ্চগড়ের দেবীগঞ্জ সার্কেলের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার সেমুয়াল সাংমা।

পুলিশ সুপার বেলাল হোসেন বলেন, শূন্য পদের বিপরীতে বিদ্যমান কোটা পদ্ধতি অনুসরণ করে শতভাগ মেধা, যোগ্যতা ও স্বচ্ছতার ভিত্তিতে প্রার্থী নির্বাচন করা হয়েছে। তিনি আরও বলেন, “যোগ্য ও মেধাবীরাই নির্বাচিত হয়েছেন বলে আমার বিশ্বাস। জেলা পুলিশ দুর্নীতির বিরুদ্ধে জিরো টলারেন্স নীতিতে কাজ করেছে।”

১২৪ বার পড়া হয়েছে

শেয়ার করুন:

মন্তব্য

(0)

বিজ্ঞাপন
৩২০ x ৫০
বিজ্ঞাপন

বিজ্ঞাপন

৩০০ x ২৫০

বিজ্ঞাপন
এলাকার খবর

বিজ্ঞাপন

৩০০ x ২৫০

বিজ্ঞাপন














সর্বশেষ সব খবর
সারাদেশ নিয়ে আরও পড়ুন

বিজ্ঞাপন

বিজ্ঞাপন
৩২০ x ৫০
বিজ্ঞাপন