সর্বশেষ

সারাদেশ

কলাপাড়ায় পাউবোর জমি দখল করে বহুতল ভবন নির্মাণের অভিযোগ

এ এম মিজানুর রহমান বুলেট, কলাপাড়া (পটুয়াখালী)
এ এম মিজানুর রহমান বুলেট, কলাপাড়া (পটুয়াখালী)

বুধবার, ২০ মে, ২০২৬ ১:২১ পূর্বাহ্ন

শেয়ার করুন:
পটুয়াখালীর কলাপাড়া উপজেলার ধানখালী ইউনিয়নে প্রকাশ্য দিবালোকে সরকারি (পানি উন্নয়ন বোর্ড–পাউবো) জমি দখল করে বহুতল ভবন নির্মাণের অভিযোগ উঠেছে।

উপজেলার তাপবিদ্যুৎ প্রকল্পের প্রথম গেট সংলগ্ন এলাকায়, পিচঢালা সড়ক লাগোয়া মূল বেড়িবাঁধের পাশেই এই নির্মাণকাজ চলছে বলে জানা গেছে।

স্থানীয়দের অভিযোগ, পানি উন্নয়ন বিভাগের (৫৪ পোল্ডার) অধীনে থাকা দখলকৃত জমিতে ভবন নির্মাণ চলমান থাকলেও রহস্যজনক কারণে সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা উদাসীন রয়েছেন।

সরেজমিনে দেখা যায়, সড়কসংলগ্ন পাউবোর সম্পত্তিতে কংক্রিটের পিলার স্থাপন করে বহুতল ভবন নির্মাণ করছেন স্থানীয় প্রভাবশালী বাসিন্দা মো. বেল্লাল হাওলাদার। ভবনের শক্তিশালী পিলারগুলো মাটির গভীর থেকে কংক্রিট ঢালাই দিয়ে উপরের দিকে তোলা হচ্ছে, যা কয়েকতলা ভবন নির্মাণের উদ্দেশ্যে করা হচ্ছে বলে ধারণা করা হচ্ছে। অভিযোগ রয়েছে, এসব পিলারের অধিকাংশই জোয়ার-ভাটার পানি প্রবাহিত হয় এমন পানির স্তরের মধ্যেই স্থাপন করা হয়েছে।

এ ঘটনায় স্থানীয়দের মধ্যে তীব্র ক্ষোভ দেখা দিয়েছে। তাদের দাবি, পানি উন্নয়ন বোর্ডের সরকারি জমিতে এমন বহুতল ভবন নির্মিত হলে ভবিষ্যতে এলাকায় বিরূপ প্রভাব পড়বে। একই সঙ্গে তারা শঙ্কা প্রকাশ করে বলেন, দখলদারদের না থামানো গেলে এই বেড়িবাঁধ সংলগ্ন এলাকা সরকারি জমি দখলের ‘মহোৎসবে’ পরিণত হবে। এছাড়া ইতোমধ্যে আরও প্রভাবশালী ব্যক্তিরাও সেখানে স্থাপনা নির্মাণের চেষ্টা চালাচ্ছেন বলেও অভিযোগ রয়েছে।

এ বিষয়ে সরেজমিনে উপস্থিত দখলকারী বেল্লালের বাবা মো. শাহীন হাওলাদার বলেন, “এই স্থাপনা যদি কেউ ভাঙতে আসে তাহলে এখানের সব ভাঙতে হবে। এতো সহজ না এগুলো ভাঙা। লাখ লাখ টাকা খরচ করে দালান করা হচ্ছে, ভাঙবে কেন? আপনারা সাংবাদিকেরা বসেন, কথা বলি। আমার ছেলে আসলে আপনাদের সঙ্গে বসিয়ে দেবো।”

অন্যদিকে, দখলকারী বেল্লাল হাওলাদারের সঙ্গে মোবাইল ফোনে যোগাযোগ করা হলে তিনি বলেন, “আমার তথ্য নিয়ে আপনি কী করবেন?” এরপর তিনি আরও বলেন, “আপনার সঙ্গে কথা বলবে, আমার লোক আছে,”—এই কথা বলে তিনি ফোনের সংযোগ বিচ্ছিন্ন করে দেন।

এ বিষয়ে কলাপাড়া পানি উন্নয়ন বিভাগের (দায়িত্বরত) নির্বাহী প্রকৌশলী মো. শাহ-আলম জানান, সেখানে রাজস্ব সার্ভেয়ার রিয়াজ গিয়েছিল। বর্তমান পরিস্থিতি সম্পর্কে তিনি অবগত নন। তিনি আরও বলেন, পরবর্তীতে নিয়মিত মামলা দায়েরের পর উচ্ছেদের চিঠি দেওয়া হবে।
 

১৯৭ বার পড়া হয়েছে

শেয়ার করুন:

মন্তব্য

(0)

বিজ্ঞাপন
৩২০ x ৫০
বিজ্ঞাপন

বিজ্ঞাপন

৩০০ x ২৫০

বিজ্ঞাপন
এলাকার খবর

বিজ্ঞাপন

৩০০ x ২৫০

বিজ্ঞাপন














সর্বশেষ সব খবর
সারাদেশ নিয়ে আরও পড়ুন

বিজ্ঞাপন

২৫০ x ২৫০

বিজ্ঞাপন

বিজ্ঞাপন
৩২০ x ৫০
বিজ্ঞাপন